রাজশাহী জেলা প্রশাসকের আয়োজনে জেলা আইন-শৃংখলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১০মে) রাজশাহী জেলা প্রশাকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন (পবা-মোহনপুর) আসনের সাংসদ এডভোকেট শফিকুল হক মিলন, (তানোর -গোদাগাড়ী) আসনের সাংসদ অধ্যাপক মজিবুর রহমান, (পুঠিয়া দূর্গাপুর) আসনের সাংসদ নজরুল ইসলাম মন্ডল, (বাগমারা) আসনের সাংসদ আব্দুল বারী, রাজশাহী পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান, বিজিবি-১ ব্যাটালিয়ানের সুবেদার আব্দুল মতিন ও র্যাব-৫ এর এএসপি নুরল হুদা। এছাড়াও প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং সরকারী ও বেসরকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় রাস্তায় পশুর হাট বাজার না বসানো, ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা ও ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করা, টেনের টিকিট বিক্রি, বিসিক, দখলকৃত মন্দির নিয়ে, সীমান্ত চোরাচালান, মাদক, কিশোরদের আইনের বেশ কিছু সমস্যার কথা এবং কোচিং সেন্টারসহ অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময়ে উপস্থিত কর্মকর্তাগণ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম তুলে ধরেন। এরপূর্বে গত সভার কার্যপ্রনালী সবার সামনে উপস্থাপন করা হয়।
উপস্থিত সংসদ সদস্যগণ বলেন, আইনের অনেকটা উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে পুলিশ বিভাগসহ আইন শৃংখলা বাহিনী ভাল করছে। তবে কিশোরগ্যাং এবং মাদক একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এদেরকে নিবৃত করতে সকল সংসদ সদস্য সহযোগিতা করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। এ বিষয়ে পবা-মোহনপুর আসনের সাংসদ এডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন বলেন, এখন আর তেল ক্রয় করা নিয়ে পেট্রোল পাম্পে কোন লাইন নাই। এটা সরকারী ও বিরোধীদল একসঙ্গে কমিটি করায় তা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, তার সংসদীয় আসন হচ্ছে একটি পিকুলিয়ার এরিয়া। পবায় আরএমপির দশটি থানা রয়েছে। পতিত সরকারের আমলে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সমর্থকদের আটক করার জন্য প্রতিযোগিতা হতো। কে কতজনকে আটক করতে পারবে। কিন্তু বর্তমানের সেটা আর নাই। সে সময়ে তিনি প্রতিদিন আদালতে আসতেন। তিনি পশুর হাট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলেন, ঈদুল আযহার সময়ে যে সমস্ত হাট রাস্তা সংলগ্ন সেখানে রাস্তার উপরেও অনেক সময়ে পশুর হাট বসে যায়। এটা মেনে নিতে হবে। কারণ সে সময়ে ব্যাপক পরিমানে পশু হাটে ওঠে।
তিনি আরো বলেন, ঈদুল আযহা আসন্ন। কিন্তু এই সময়ে পবা মোহনপুরের বিভিন্ন স্থানে ফুটপাত উদ্ধার করার জন্য উচ্ছেদ অভিযান করা হচ্ছে। কিন্তু এই সকল ফুটপাতে অনেক ব্যাবসায়ী ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এজন্য এখন উচ্ছেদ না করার জন্য বলেন তিনি। সেইসঙ্গে কোন কিছু উচ্ছেদ করার পূর্বে বেশ কয়েকদিন আগে নোটিশ করার জন্য বলেন তিনি। কোচিং সেন্টার নিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি সরকারী বেসরকারী শিক্ষকদের সন্তানদের তাঁদের নজি নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পড়াতে হবে। সেইসঙ্গে কোচিং সেন্টারে না পড়ানোর উপরে তাগিদ দেন। হঠাৎ করে কোচিং সেন্টার বন্ধ করা যাবে না। কারন সেখানে অনেক লোক কর্ম করে সংসার পরিচালনা করেন। তবে একটি নীতিমালার মধ্যে সকল কোচিং সেন্টারগুলোকে আনার কথা বলেন তিনি।
মিলন আরো বলেন, বিএনপির এজেন্ডা- নির্বাচনী ইস্তেহার দেখে জনগণ রায় দিয়ে সরকার গঠন করার সুযোগ দিয়েছে। এজন্য বিএনপির ইস্তেহার বাস্তবায়নে ডিসি সম্মেলনে সকল ডিসিদের ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে চতুর্থ শ্রেণি হতে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। খেলাধুলার পরিবেশ তৈরী করতে পারলে মাদক ও কিশোর গ্যাং অনেকাংশে কমে আসবে বলে জানান তিনি।
পুকুর খনন নিয়ে তিনি বলেন, নতুন করে আবাদি জমিতে পুকুর খনন করা যাবেনা। আর যেগুলো পুকুর খনন করা হয়েছে সেগুলোর রকম পরিবর্তন করার কথা বলেন। সেইসঙ্গে আবাদী জমিতে বিনা অনুমদিতে পুকুর খনন করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান।
বিসিক নিয়ে তিনি বলেন, বিসিক-২ এ কেউ জমি ক্রয় করতে চায় না। কারণ সেখানে জমির ব্যাপক দাম। আর পুরাতন বিসিকে অনেক প্লট অকেজো হয়ে পড়ে আছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে উক্ত্যেতাদের নিকট হস্তান্তর করার কথা বলেন তিনি।
রোববার (১০মে) রাজশাহী জেলা প্রশাকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন (পবা-মোহনপুর) আসনের সাংসদ এডভোকেট শফিকুল হক মিলন, (তানোর -গোদাগাড়ী) আসনের সাংসদ অধ্যাপক মজিবুর রহমান, (পুঠিয়া দূর্গাপুর) আসনের সাংসদ নজরুল ইসলাম মন্ডল, (বাগমারা) আসনের সাংসদ আব্দুল বারী, রাজশাহী পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান, বিজিবি-১ ব্যাটালিয়ানের সুবেদার আব্দুল মতিন ও র্যাব-৫ এর এএসপি নুরল হুদা। এছাড়াও প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং সরকারী ও বেসরকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় রাস্তায় পশুর হাট বাজার না বসানো, ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা ও ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করা, টেনের টিকিট বিক্রি, বিসিক, দখলকৃত মন্দির নিয়ে, সীমান্ত চোরাচালান, মাদক, কিশোরদের আইনের বেশ কিছু সমস্যার কথা এবং কোচিং সেন্টারসহ অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময়ে উপস্থিত কর্মকর্তাগণ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম তুলে ধরেন। এরপূর্বে গত সভার কার্যপ্রনালী সবার সামনে উপস্থাপন করা হয়।
উপস্থিত সংসদ সদস্যগণ বলেন, আইনের অনেকটা উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে পুলিশ বিভাগসহ আইন শৃংখলা বাহিনী ভাল করছে। তবে কিশোরগ্যাং এবং মাদক একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এদেরকে নিবৃত করতে সকল সংসদ সদস্য সহযোগিতা করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। এ বিষয়ে পবা-মোহনপুর আসনের সাংসদ এডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন বলেন, এখন আর তেল ক্রয় করা নিয়ে পেট্রোল পাম্পে কোন লাইন নাই। এটা সরকারী ও বিরোধীদল একসঙ্গে কমিটি করায় তা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, তার সংসদীয় আসন হচ্ছে একটি পিকুলিয়ার এরিয়া। পবায় আরএমপির দশটি থানা রয়েছে। পতিত সরকারের আমলে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সমর্থকদের আটক করার জন্য প্রতিযোগিতা হতো। কে কতজনকে আটক করতে পারবে। কিন্তু বর্তমানের সেটা আর নাই। সে সময়ে তিনি প্রতিদিন আদালতে আসতেন। তিনি পশুর হাট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলেন, ঈদুল আযহার সময়ে যে সমস্ত হাট রাস্তা সংলগ্ন সেখানে রাস্তার উপরেও অনেক সময়ে পশুর হাট বসে যায়। এটা মেনে নিতে হবে। কারণ সে সময়ে ব্যাপক পরিমানে পশু হাটে ওঠে।
তিনি আরো বলেন, ঈদুল আযহা আসন্ন। কিন্তু এই সময়ে পবা মোহনপুরের বিভিন্ন স্থানে ফুটপাত উদ্ধার করার জন্য উচ্ছেদ অভিযান করা হচ্ছে। কিন্তু এই সকল ফুটপাতে অনেক ব্যাবসায়ী ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এজন্য এখন উচ্ছেদ না করার জন্য বলেন তিনি। সেইসঙ্গে কোন কিছু উচ্ছেদ করার পূর্বে বেশ কয়েকদিন আগে নোটিশ করার জন্য বলেন তিনি। কোচিং সেন্টার নিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি সরকারী বেসরকারী শিক্ষকদের সন্তানদের তাঁদের নজি নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পড়াতে হবে। সেইসঙ্গে কোচিং সেন্টারে না পড়ানোর উপরে তাগিদ দেন। হঠাৎ করে কোচিং সেন্টার বন্ধ করা যাবে না। কারন সেখানে অনেক লোক কর্ম করে সংসার পরিচালনা করেন। তবে একটি নীতিমালার মধ্যে সকল কোচিং সেন্টারগুলোকে আনার কথা বলেন তিনি।
মিলন আরো বলেন, বিএনপির এজেন্ডা- নির্বাচনী ইস্তেহার দেখে জনগণ রায় দিয়ে সরকার গঠন করার সুযোগ দিয়েছে। এজন্য বিএনপির ইস্তেহার বাস্তবায়নে ডিসি সম্মেলনে সকল ডিসিদের ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে চতুর্থ শ্রেণি হতে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। খেলাধুলার পরিবেশ তৈরী করতে পারলে মাদক ও কিশোর গ্যাং অনেকাংশে কমে আসবে বলে জানান তিনি।
পুকুর খনন নিয়ে তিনি বলেন, নতুন করে আবাদি জমিতে পুকুর খনন করা যাবেনা। আর যেগুলো পুকুর খনন করা হয়েছে সেগুলোর রকম পরিবর্তন করার কথা বলেন। সেইসঙ্গে আবাদী জমিতে বিনা অনুমদিতে পুকুর খনন করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান।
বিসিক নিয়ে তিনি বলেন, বিসিক-২ এ কেউ জমি ক্রয় করতে চায় না। কারণ সেখানে জমির ব্যাপক দাম। আর পুরাতন বিসিকে অনেক প্লট অকেজো হয়ে পড়ে আছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে উক্ত্যেতাদের নিকট হস্তান্তর করার কথা বলেন তিনি।
আলিফ হোসেন