মায়ের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন একটি পোস্ট দিয়ে আলোচনায় এসেছেন রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনের সভাপতি মীর তারেক। দীর্ঘ ১৪ বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় মাকে হারানোর স্মৃতিচারণ করে দেওয়া তার ওই পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আবেগের সৃষ্টি করেছে।
পোস্টে মীর তারেক লিখেছেন, “একটি সড়ক দুর্ঘটনা আর আমার সবকিছু শেষ।” তিনি জানান, ২০১২ সালের ৯ মে এক সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন তার মা। পরদিন ১০ মে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। সেই ঘটনার পর থেকে জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে মায়ের শূন্যতা অনুভব করছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
দীর্ঘ পোস্টে মায়ের প্রতি নিজের ভালোবাসা, অনুশোচনা, একাকীত্ব ও মানসিক কষ্টের কথা তুলে ধরেন মীর তারেক। তিনি লিখেছেন, মায়ের মৃত্যুর পর বুঝতে পেরেছেন মায়ের ভালোবাসার মূল্য কত গভীর। জীবদ্দশায় মাকে কষ্ট দেওয়ার জন্য ক্ষমাও প্রার্থনা করেন তিনি।
পোস্টের বিভিন্ন অংশে তিনি তুলে ধরেন, কীভাবে মায়ের অনুপস্থিতি তার জীবনকে বদলে দিয়েছে। অসুস্থ হলে মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়ার কেউ নেই, রাতে খোঁজ নেওয়ার মানুষ নেই— এমন অনুভূতির কথাও উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে জানান, মায়ের মৃত্যুর পর থেকেই তিনি নিয়মিত নামাজ পড়া শুরু করেছেন।
মায়ের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়ে মীর তারেক লেখেন, “আল্লাহ যেন আমার মাকে ক্ষমা করেন এবং জান্নাত নসিব করেন।”
তার এই আবেগঘন পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই মন্তব্যে সমবেদনা জানান এবং তার মায়ের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
পোস্টে মীর তারেক লিখেছেন, “একটি সড়ক দুর্ঘটনা আর আমার সবকিছু শেষ।” তিনি জানান, ২০১২ সালের ৯ মে এক সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন তার মা। পরদিন ১০ মে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। সেই ঘটনার পর থেকে জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে মায়ের শূন্যতা অনুভব করছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
দীর্ঘ পোস্টে মায়ের প্রতি নিজের ভালোবাসা, অনুশোচনা, একাকীত্ব ও মানসিক কষ্টের কথা তুলে ধরেন মীর তারেক। তিনি লিখেছেন, মায়ের মৃত্যুর পর বুঝতে পেরেছেন মায়ের ভালোবাসার মূল্য কত গভীর। জীবদ্দশায় মাকে কষ্ট দেওয়ার জন্য ক্ষমাও প্রার্থনা করেন তিনি।
পোস্টের বিভিন্ন অংশে তিনি তুলে ধরেন, কীভাবে মায়ের অনুপস্থিতি তার জীবনকে বদলে দিয়েছে। অসুস্থ হলে মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়ার কেউ নেই, রাতে খোঁজ নেওয়ার মানুষ নেই— এমন অনুভূতির কথাও উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে জানান, মায়ের মৃত্যুর পর থেকেই তিনি নিয়মিত নামাজ পড়া শুরু করেছেন।
মায়ের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়ে মীর তারেক লেখেন, “আল্লাহ যেন আমার মাকে ক্ষমা করেন এবং জান্নাত নসিব করেন।”
তার এই আবেগঘন পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই মন্তব্যে সমবেদনা জানান এবং তার মায়ের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক