রাজশাহীর বিখ্যাত আম বাজারে অপরিপক্ব আম প্রবেশ ঠেকাতে জেলা প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার প্রকাশ করেছে।
রবিবার বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আম পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও সংগ্রহ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় এ সময়সূচি ঘোষণা করা হয়।
জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে আমের জাতভিত্তিক সংগ্রহের নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে সঠিক পরিপক্বতা নিশ্চিত করে বাজারে আম সরবরাহ করা যায় এবং ভোক্তারা মানসম্মত ফল পান।
ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, গুটি আম: ১৫ মে, গোপালভোগ: ২২ মে, রাণীপছন্দ/লক্ষ্মণভোগ: ২৫ মে, হিমসাগর-খিরসাপাত: ৩০ মে, ব্যানানা ম্যাঙ্গো/ল্যাংড়া: ১০ জুন, আম্রপালি/ফজলি: ১৫ জুন, বারি আম-৪: ৫ জুলাই, আশ্বিনা: ১০ জুলাই, গৌড়মতি: ১৫ জুলাই, কাটিমন ও বারি আম-১১: সারা বছর পাওয়া যাবে,
জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম সভায় বলেন, আমচাষি, ব্যবসায়ী ও কৃষি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এই ক্যালেন্ডার তৈরি করা হয়েছে। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, নির্ধারিত সময়ের আগে কেউ আম সংগ্রহ বা বাজারজাত করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মতবিনিময় সভায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ফল গবেষণা কেন্দ্রের কর্মকর্তা, আম ব্যবসায়ী, চাষি এবং কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
রাজশাহী অঞ্চল দেশের অন্যতম প্রধান আম উৎপাদন এলাকা হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছর মৌসুমের শুরুতেই অপরিপক্ব আম বাজারজাত নিয়ে অভিযোগ ওঠে। এবার সেই অনিয়ম রোধে প্রশাসন সময়ভিত্তিক এ কাঠামো কার্যকর করল।
ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার কার্যকরের মাধ্যমে রাজশাহীতে আম সংগ্রহ ও বিপণনে শৃঙ্খলা আনার পাশাপাশি ভোক্তাদের কাছে মানসম্মত ও পরিপক্ব আম পৌঁছে দেওয়াই মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
রবিবার বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আম পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও সংগ্রহ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় এ সময়সূচি ঘোষণা করা হয়।
জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে আমের জাতভিত্তিক সংগ্রহের নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে সঠিক পরিপক্বতা নিশ্চিত করে বাজারে আম সরবরাহ করা যায় এবং ভোক্তারা মানসম্মত ফল পান।
ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, গুটি আম: ১৫ মে, গোপালভোগ: ২২ মে, রাণীপছন্দ/লক্ষ্মণভোগ: ২৫ মে, হিমসাগর-খিরসাপাত: ৩০ মে, ব্যানানা ম্যাঙ্গো/ল্যাংড়া: ১০ জুন, আম্রপালি/ফজলি: ১৫ জুন, বারি আম-৪: ৫ জুলাই, আশ্বিনা: ১০ জুলাই, গৌড়মতি: ১৫ জুলাই, কাটিমন ও বারি আম-১১: সারা বছর পাওয়া যাবে,
জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম সভায় বলেন, আমচাষি, ব্যবসায়ী ও কৃষি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এই ক্যালেন্ডার তৈরি করা হয়েছে। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, নির্ধারিত সময়ের আগে কেউ আম সংগ্রহ বা বাজারজাত করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মতবিনিময় সভায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ফল গবেষণা কেন্দ্রের কর্মকর্তা, আম ব্যবসায়ী, চাষি এবং কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
রাজশাহী অঞ্চল দেশের অন্যতম প্রধান আম উৎপাদন এলাকা হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছর মৌসুমের শুরুতেই অপরিপক্ব আম বাজারজাত নিয়ে অভিযোগ ওঠে। এবার সেই অনিয়ম রোধে প্রশাসন সময়ভিত্তিক এ কাঠামো কার্যকর করল।
ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার কার্যকরের মাধ্যমে রাজশাহীতে আম সংগ্রহ ও বিপণনে শৃঙ্খলা আনার পাশাপাশি ভোক্তাদের কাছে মানসম্মত ও পরিপক্ব আম পৌঁছে দেওয়াই মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
নিজস্ব প্রতিবেদক