একীভূত হওয়া ইসলামি ব্যাংকগুলোর গ্রাহকেরা হেয়ারকাট বাতিল, পূর্ণ আমানত ও মুনাফা ফেরত এবং স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম চালুর দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন করেছেন।
রবিবার (১০ মে) সকালে নগরীর অলোকার মোড়ে চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ভবনের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ ব্যাংক ভুক্তভোগী আমানতকারী অ্যাসোসিয়েশন, রাজশাহী বিভাগ।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া গ্রাহকেরা অভিযোগ করেন, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক (এফএসআইবি), গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক (জিআইবি), সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল), এক্সিম ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক একীভূত হয়ে সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক গঠনের পর থেকেই তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। আমানতের অর্থ উত্তোলনে নানা সীমাবদ্ধতা আরোপের পাশাপাশি হেয়ারকাট নামে জমাকৃত অর্থের একটি অংশ কেটে রাখার সিদ্ধান্ত গ্রাহকদের জন্য অমানবিক ও বৈষম্যমূলক বলে দাবি করেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন নওশীন জাহান, মোঃ আপেল মাহামুদ, তাহমিদুল হক, মোঃ ফয়সাল কবির ও মাসুদ রানাসহ বিভিন্ন ব্যাংকের গ্রাহকেরা। তারা বলেন, অনেক পরিবার জমি-বাড়ি বিক্রি, প্রবাসী আয়, পেনশন কিংবা ব্যবসার সঞ্চিত অর্থ এসব ব্যাংকে রেখেছিলেন। সেই টাকার মুনাফার ওপর নির্ভর করেই চলত সংসার, সন্তানের পড়াশোনা ও চিকিৎসা ব্যয়| কিন্তু গত দুই বছর ধরে স্বাভাবিকভাবে টাকা তুলতে না পারায় বহু পরিবার আর্থিক সংকটে পড়েছে।
এক ভুক্তভোগী গ্রাহক বলেন, নিজের জমানো টাকা তুলতে পারছি না, দুই বছর ধরে মুনাফাও বন্ধ। সংসার চালাতে ধার-দেনা করতে হচ্ছে।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত দুই বছরের মুনাফা কর্তন করে মাত্র ৪ শতাংশ সরকারি অনুকম্পা দেওয়ার প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে লাখো আমানতকারী ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তাদের দাবি, দেশে প্রায় ৭৫ লাখ গ্রাহকের প্রায় ৩ কোটি পরিবারের সদস্য এই সংকটের সঙ্গে জড়িত।
মানববন্ধন থেকে চার দফা দাবি তুলে ধরা হয়| দাবিগুলো হলো: হেয়ারকাট বাতিল করে চুক্তি অনুযায়ী পূর্ণ মুনাফাসহ আমানতের টাকা ফেরত, অন্যান্য তফসিলি ব্যাংকের মতো স্বাভাবিক লেনদেন চালু, এফডি, ডিপিএস ও এমটিডিআরের টাকা পূর্ণ মুনাফাসহ পরিশোধ এবং ২০২৬ সালের জন্য ঘোষিত ৯ থেকে ৯ দশমিক ৫ শতাংশ মুনাফার হার প্রত্যাহার।
বক্তারা বলেন, সামনে কোরবানির ঈদ| নিজেদের টাকা তুলতে না পারলে বহু পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়বে| দ্রুত দাবি বাস্তবায়ন না হলে রাজশাহীতেও চট্টগ্রামের মতো ব্যাংক শাখায় তালা ও কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করার মতো কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
মানববন্ধন শেষে এক্সিম ব্যাংকের প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। পরে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ হয়।
রবিবার (১০ মে) সকালে নগরীর অলোকার মোড়ে চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ভবনের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ ব্যাংক ভুক্তভোগী আমানতকারী অ্যাসোসিয়েশন, রাজশাহী বিভাগ।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া গ্রাহকেরা অভিযোগ করেন, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক (এফএসআইবি), গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক (জিআইবি), সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল), এক্সিম ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক একীভূত হয়ে সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক গঠনের পর থেকেই তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। আমানতের অর্থ উত্তোলনে নানা সীমাবদ্ধতা আরোপের পাশাপাশি হেয়ারকাট নামে জমাকৃত অর্থের একটি অংশ কেটে রাখার সিদ্ধান্ত গ্রাহকদের জন্য অমানবিক ও বৈষম্যমূলক বলে দাবি করেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন নওশীন জাহান, মোঃ আপেল মাহামুদ, তাহমিদুল হক, মোঃ ফয়সাল কবির ও মাসুদ রানাসহ বিভিন্ন ব্যাংকের গ্রাহকেরা। তারা বলেন, অনেক পরিবার জমি-বাড়ি বিক্রি, প্রবাসী আয়, পেনশন কিংবা ব্যবসার সঞ্চিত অর্থ এসব ব্যাংকে রেখেছিলেন। সেই টাকার মুনাফার ওপর নির্ভর করেই চলত সংসার, সন্তানের পড়াশোনা ও চিকিৎসা ব্যয়| কিন্তু গত দুই বছর ধরে স্বাভাবিকভাবে টাকা তুলতে না পারায় বহু পরিবার আর্থিক সংকটে পড়েছে।
এক ভুক্তভোগী গ্রাহক বলেন, নিজের জমানো টাকা তুলতে পারছি না, দুই বছর ধরে মুনাফাও বন্ধ। সংসার চালাতে ধার-দেনা করতে হচ্ছে।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত দুই বছরের মুনাফা কর্তন করে মাত্র ৪ শতাংশ সরকারি অনুকম্পা দেওয়ার প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে লাখো আমানতকারী ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তাদের দাবি, দেশে প্রায় ৭৫ লাখ গ্রাহকের প্রায় ৩ কোটি পরিবারের সদস্য এই সংকটের সঙ্গে জড়িত।
মানববন্ধন থেকে চার দফা দাবি তুলে ধরা হয়| দাবিগুলো হলো: হেয়ারকাট বাতিল করে চুক্তি অনুযায়ী পূর্ণ মুনাফাসহ আমানতের টাকা ফেরত, অন্যান্য তফসিলি ব্যাংকের মতো স্বাভাবিক লেনদেন চালু, এফডি, ডিপিএস ও এমটিডিআরের টাকা পূর্ণ মুনাফাসহ পরিশোধ এবং ২০২৬ সালের জন্য ঘোষিত ৯ থেকে ৯ দশমিক ৫ শতাংশ মুনাফার হার প্রত্যাহার।
বক্তারা বলেন, সামনে কোরবানির ঈদ| নিজেদের টাকা তুলতে না পারলে বহু পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়বে| দ্রুত দাবি বাস্তবায়ন না হলে রাজশাহীতেও চট্টগ্রামের মতো ব্যাংক শাখায় তালা ও কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করার মতো কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
মানববন্ধন শেষে এক্সিম ব্যাংকের প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। পরে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক