নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার উত্তর ভূইগর এলাকায় গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় একই পরিবারের ৫ জন দগ্ধ হয়েছেন।
রোববার (১০ মে) ভোরে গিরিধারা এলাকার ৬ নাম্বার সড়কের একটি ৮ তলা ভবনের নিচতলার পশ্চিম পাশের ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- বাড়িটির ভাড়াটিয়া সবজি বিক্রেতা মো. কালাম (৪৫), তার স্ত্রী সায়মা (৪০), ছেলে মুন্না (১২), মেয়ে মুন্নি (১০) ও কথা (৭)। তাদের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার বরুকদিয়া। বিস্ফোরণের পর স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরিফিন জানান, ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া মো. শাহজাহান মিয়া। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ফ্ল্যাটের পশ্চিম পাশের রুমের সঙ্গে থাকা রান্নাঘরে গ্যাস লাইনে লিকেজ ছিল। এতে বদ্ধ কক্ষে গ্যাস জমে যায়। পরে ভাড়াটিয়া সিগারেটের লাইটার জ্বালানোর চেষ্টা করলে মুহূর্তেই বিস্ফোরণ ঘটে।
ঘটনায় ফ্ল্যাটের ভেতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা জানান, বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পর আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করেন। পরে তাদের ঢাকায় জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেয়া হয়।
এদিকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা.শাওন বিন রহমান জানান, অগ্নিদগ্ধ ৫ জনের অবস্থাই আশংকাজনক। আহতদের মধ্যে মো. কালাম ৯৫ শতাংশ, তার স্ত্রী সায়মা ৬০ শতাংশ, ছেলে মুন্না ৩০ শতাংশ, মেয়ে মুন্নি ৩৫ শতাংশ ও কথা ৫২ শতাংশ দগ্ধ হয়।
রোববার (১০ মে) ভোরে গিরিধারা এলাকার ৬ নাম্বার সড়কের একটি ৮ তলা ভবনের নিচতলার পশ্চিম পাশের ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- বাড়িটির ভাড়াটিয়া সবজি বিক্রেতা মো. কালাম (৪৫), তার স্ত্রী সায়মা (৪০), ছেলে মুন্না (১২), মেয়ে মুন্নি (১০) ও কথা (৭)। তাদের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার বরুকদিয়া। বিস্ফোরণের পর স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরিফিন জানান, ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া মো. শাহজাহান মিয়া। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ফ্ল্যাটের পশ্চিম পাশের রুমের সঙ্গে থাকা রান্নাঘরে গ্যাস লাইনে লিকেজ ছিল। এতে বদ্ধ কক্ষে গ্যাস জমে যায়। পরে ভাড়াটিয়া সিগারেটের লাইটার জ্বালানোর চেষ্টা করলে মুহূর্তেই বিস্ফোরণ ঘটে।
ঘটনায় ফ্ল্যাটের ভেতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা জানান, বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পর আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করেন। পরে তাদের ঢাকায় জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেয়া হয়।
এদিকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা.শাওন বিন রহমান জানান, অগ্নিদগ্ধ ৫ জনের অবস্থাই আশংকাজনক। আহতদের মধ্যে মো. কালাম ৯৫ শতাংশ, তার স্ত্রী সায়মা ৬০ শতাংশ, ছেলে মুন্না ৩০ শতাংশ, মেয়ে মুন্নি ৩৫ শতাংশ ও কথা ৫২ শতাংশ দগ্ধ হয়।
অনলাইন ডেস্ক