বৃষ্টি শেষে পুনরায় খেলা মাঠে গড়ানোর পর বিকেলটা নিজেদের করে নিলো বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজ টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৪তম বারের মতো ইনিংসে ৫ উইকেট শিকার করলেন। তাইজুল ইসলাম-নাহিদ রানারাও শিকারে নামলেন। আর তাতেই প্রথম ইনিংসে ২৭ রানের লিড পেল বাংলাদেশ।
রোববার (১০ মে) মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিনে ৩৮৬ রানে গুটিয়ে গেছে সফরকারী পাকিস্তান। মেহেদী হাসান মিরাজ ৩৮ ওভারে ৫ মেডেনসহ ১০২ রা খরচায় ৫ উইকেট শিকার করেছেন।
এর আগে প্রথম ইনিংসে নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি ও মুমিনুল হকের ৯১ রানে ভর করে ৪১৩ রান সংগ্রহ করেছিল বাংলাদেশ। ফলে পাকিস্তানের ইনিংস শেষে ২৭ রানের লিড পেয়েছে টাইগাররা।
এদিন বৃষ্টি নামার আগে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ৩৪৯ রান। শেষ ৪ উইকেটে ৬৪ রান তুলেছে পাকিস্তান।
প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানের নায়ক আজান আওয়াইস। অভিষেক ইনিংসেই সেঞ্চুরি হাঁকানোর কীর্তি গড়েছেন এই ওপেনার। শেষ পর্যন্ত ১৬৫ বলে ১৪ চারে ১০৩ রানে আউট হন তিনি। আওয়াইসকে ফিরিয়ে ১০৪ রানের জুটি ভাঙেন তাসকিন আহমেদ।
এ সময় পাকিস্তান কিছুটা ধাক্কা খায়। ২১০ থেকে ২৩০ এ পৌঁছাতে অধিনায়ক শান মাসুদ (৯) ও সাউদ শাকিল (০) ও আব্দুল্লাহ ফজলের (৬০) উইকেট হারায় তারা।
তবে ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে পাকিস্তানকে বিপর্যয় থেকে উদ্ধার করেন মোহাম্মদ রিজওয়ান-সালমান আগার জুটি।
এই জুটিতে পাকিস্তান লিড নেয়ার স্বপ্নও দেখা শুরু করেছিল। কিন্তু রিজওয়ানকে ফিরিয়ে ১১৯ রানের জুটি ভেঙে তাইজুল স্বস্তি ফেরান টাইগার শিবিরে।
৭৯ বলে ৮ চারে ৫৯ রান করেন রিজওয়ান।
ম্যাচজুড়ে হতাশ করা নাহিদ রানা বৃষ্টির পর ছন্দ খুঁজে পান। ৯৪ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৫৮ রান করা সালমান আগাকে ফেরান নাহিদ।
সালমান আগার বিদায়ের পর আর পাকিস্তানের ইনিংস বেশি দীর্ঘ হয়নি। নোমান আলী ২, শাহিন আফ্রিদি ১৩,হাসান আলী ৬ রান করে আউট হন। মোহাম্মদ আব্বাস ৬ রানে অপরাজিত থাকেন।
মিরাজ ৫ উইকেট নিয়ে দলের সেরা বোলার। এছাড়া তাসকিন ও তাইজুল ২টি এবং নাহিদ বাকি ১টি উইকেট শিকার করেন।
রোববার (১০ মে) মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিনে ৩৮৬ রানে গুটিয়ে গেছে সফরকারী পাকিস্তান। মেহেদী হাসান মিরাজ ৩৮ ওভারে ৫ মেডেনসহ ১০২ রা খরচায় ৫ উইকেট শিকার করেছেন।
এর আগে প্রথম ইনিংসে নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি ও মুমিনুল হকের ৯১ রানে ভর করে ৪১৩ রান সংগ্রহ করেছিল বাংলাদেশ। ফলে পাকিস্তানের ইনিংস শেষে ২৭ রানের লিড পেয়েছে টাইগাররা।
এদিন বৃষ্টি নামার আগে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ৩৪৯ রান। শেষ ৪ উইকেটে ৬৪ রান তুলেছে পাকিস্তান।
প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানের নায়ক আজান আওয়াইস। অভিষেক ইনিংসেই সেঞ্চুরি হাঁকানোর কীর্তি গড়েছেন এই ওপেনার। শেষ পর্যন্ত ১৬৫ বলে ১৪ চারে ১০৩ রানে আউট হন তিনি। আওয়াইসকে ফিরিয়ে ১০৪ রানের জুটি ভাঙেন তাসকিন আহমেদ।
এ সময় পাকিস্তান কিছুটা ধাক্কা খায়। ২১০ থেকে ২৩০ এ পৌঁছাতে অধিনায়ক শান মাসুদ (৯) ও সাউদ শাকিল (০) ও আব্দুল্লাহ ফজলের (৬০) উইকেট হারায় তারা।
তবে ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে পাকিস্তানকে বিপর্যয় থেকে উদ্ধার করেন মোহাম্মদ রিজওয়ান-সালমান আগার জুটি।
এই জুটিতে পাকিস্তান লিড নেয়ার স্বপ্নও দেখা শুরু করেছিল। কিন্তু রিজওয়ানকে ফিরিয়ে ১১৯ রানের জুটি ভেঙে তাইজুল স্বস্তি ফেরান টাইগার শিবিরে।
৭৯ বলে ৮ চারে ৫৯ রান করেন রিজওয়ান।
ম্যাচজুড়ে হতাশ করা নাহিদ রানা বৃষ্টির পর ছন্দ খুঁজে পান। ৯৪ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৫৮ রান করা সালমান আগাকে ফেরান নাহিদ।
সালমান আগার বিদায়ের পর আর পাকিস্তানের ইনিংস বেশি দীর্ঘ হয়নি। নোমান আলী ২, শাহিন আফ্রিদি ১৩,হাসান আলী ৬ রান করে আউট হন। মোহাম্মদ আব্বাস ৬ রানে অপরাজিত থাকেন।
মিরাজ ৫ উইকেট নিয়ে দলের সেরা বোলার। এছাড়া তাসকিন ও তাইজুল ২টি এবং নাহিদ বাকি ১টি উইকেট শিকার করেন।
ক্রীড়া ডেস্ক