ঢাকা , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬ , ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যাত্রী ছাউনিতে মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর সন্তান প্রসব চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা - ফারাক্কার প্রভাবে মৃতপ্রায় রাজশাহী রাজশাহী সিটি কলেজে ছাত্রদলের কমিটি গঠন নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, উত্তেজনা সকালে ডাবের এক গ্লাস পানিতে মিলতে পারে একাধিক উপকার বাগেরহাটে শিশু ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ২০ হাজারে মীমাংসার চেষ্টা, পরে সংঘর্ষ বিশ্বকাপের মাঝেই ধর্ষণ মামলায় বিচারের মুখোমুখি পিএসজি তারকা বোনের বিয়ের দিনে সড়কে প্রাণ গেল একমাত্র ভাইয়ের Google, Meta-র বিরুদ্ধে বম্বে হাইকোর্টে যাওয়ার অনুমতি পেলেন অভিনেত্রী প্রীতি নাটোরে স্বামী-স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার শুটিং সেটে আমির খান আমাকে মারতে এসেছিলেন! বিস্ফোরক দাবি টুইঙ্কল খান্নার ​ঝিনাইদহে জমজ কন্যা জন্ম দেওয়ায় স্ত্রীকে তালাক দিলেন স্বামী  জি-৭ সম্মেলনে জেলেনস্কি-মেলোনির অভিবাদন ঘিরে ভাইরাল ভিডিও, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্ক খুলনায় ডাব পেড়ে খাওয়ায় বৃদ্ধকে উলঙ্গ করে মারধর মান্দায় ধানের হাটে ‘৪১ কেজিতে মণ’, জিম্মি কৃষকরা বেঙ্গালুরু মেট্রো স্টেশনে যুগলের আচরণের ভিডিও ভাইরাল, শালীনতা নিয়ে উঠল প্রশ্ন পুলিশের পোশাকের রং ফের পরিবর্তন, প্রজ্ঞাপন জারি গণধর্ষণের পরে তরুণীর যৌনাঙ্গে গুলি! কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লিগ্যাসি’ ছবির মুক্তি বন্ধের আবেদন, শুনানি পিছিয়েছে দিল্লি হাইকোর্টে বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুললেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ঘুম থেকে আর উঠেনি ইতি-মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে পুলিশ

মাহরাম বলতে কী বুঝায়?

  • আপলোড সময় : ১০-০৫-২০২৬ ০৫:০৫:৩০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০৫-২০২৬ ০৫:০৫:৩০ অপরাহ্ন
মাহরাম বলতে কী বুঝায়? ছবি: সংগৃহীত
বিয়ে নবীদের আদর্শ। এর মাধ্যমে নারী-পুরুষ পরস্পর বৈধ ভালোবাসায় আবদ্ধ হয়। বিয়ের জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট নীতিমালা। সবাইকে বিয়ে করা যায় না। নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি রয়েছে যাদের বিয়ে করা হারাম।

মাহরাম কারা?
মাহরাম আরবি শব্দ। এটি আরবি হারাম শব্দ থেকে এসেছে। ইসলামি পরিভাষায় যাদের বিয়ে করা হারাম বা অবৈধ এবং দেখা করা বা দেখা দেয়া জায়েজ বা বৈধ, তাদের মাহরাম বলা হয়। রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়তা, স্তন্যদানের সম্পর্ক এবং বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে নারী পুরুষ পরস্পরের মাহরাম হয়। পরস্পরের সাথে দেখা দেয়া জায়েজ হয়।
 
নারী ও পুরুষের জন্য মাহরাম ব্যক্তি
পবিত্র কোরআনের চতুর্থ সুরার নাম নিসা। নিসা মানে নারীজাতি। এ সুরায় ১৭৬ আয়াত, ২৪ রুকু। তৃতীয় হিজরিতে ওহুদের যুদ্ধের পর এটি অবতীর্ণ হয়। এ সুরায় উত্তরাধিকার এবং এতিমের অধিকারসহ মুসলমানের জীবন পরিচালনা ও কীভাবে একতাবদ্ধ থাকতে হবে সে সম্পর্কে বলা হয়েছে।

কোরআনের সুরার নামকরণ হয়েছে ওই সুরার বিশেষ কোনো অংশ দ্বারা। হতে পারে সেটি সুরার ক্ষুদ্র একটি অংশ। কোরআনের ১১৪টি সুরার মধ্যে প্রত্যেকটির জন্য নাম নির্দিষ্ট করা হয়েছে। এ সুরার প্রথম আয়াতে বর্ণিত النِّسَاءٌ শব্দ থেকে এর নামকরণ করা হয়েছে। এ সুরায় মহান আল্লাহ সমাজে নারী-পুরুষের সম্পর্কের সীমা, নারীদের উত্তরাধিকার বণ্টনের নিয়ম-কানুনসহ নারীসমাজের অনেক খুঁটিনাটি বিষয় বর্ণনা করেছেন যার কারণে এ সুরার নামকরণ করা হয়েছে ‘সুরাতুন নিসা’।
 
নারীদের মধ্যে তোমাদের পিতৃ পুরুষ যাদেরকে বিয়ে করেছে, তোমরা তাদেরকে বিয়ে করো না, তবে পূর্বে যা সংঘটিত হয়েছে (সেটা ক্ষমা করা হলো) নিশ্চয় তা ছিল অশ্লীল, মারাত্মক ঘৃণ্য ও নিকৃষ্ট পন্থা। (সুরা নিসা: ২২)
 
তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে তোমাদের মা, মেয়ে, বোন, ফুফু, খালা, ভাইয়ের মেয়ে, বোনের মেয়ে, দুধমা, দুধবোন, শাশুড়ি ও তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যার সঙ্গে সংগত হয়েছ তার আগের স্বামীর ঔরসে তার গর্ভজাত মেয়ে, যারা তোমাদের অভিভাবকত্ব আছে, তবে যদি তাদের সঙ্গে সংগত না হয়ে থাক, তাতে তোমাদের কোনো অপরাধ নেই। আর তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ তোমাদের ঔরসজাত ছেলের স্ত্রী ও দুই বোনকে একত্র করা, আগে যা হয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সুরা নিসা: ২৩)
 
আর নারীদের মধ্যে তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসী ছাড়া সব সধবা তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ, তোমাদের জন্য এগুলো আল্লাহর বিধান। উল্লিখিত নারীরা ছাড়া অন্য নারীকে অর্থব্যয়ে বিয়ে করতে চাওয়া তোমাদের জন্য বৈধ করা হলো, অবৈধ যৌন সম্পর্কের জন্য নয়। তাদের মধ্যে যাদেরকে তোমরা সম্ভোগ করেছ তাদের নির্ধারিত দেনমোহর অর্পণ করবে। দেনমোহর নির্ধারণের পর কোনো বিষয়ে পরস্পর রাজি হলে তাতে তোমাদের কোনো দোষ নেই। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। (সুরা নিসা: ২৪)
 
একসঙ্গে চারজন নারীকে বিয়ে করার সুযোগ থাকলেও শর্ত হচ্ছে স্বামীকে তাদের অধিকার আদায়ে সক্ষম হতে হবে। তাদের সঙ্গে ন্যায়সংগত আচরণ করতে হবে। আর নিখুঁতভাবে তা না পারলে একজন স্ত্রী নিয়ে সন্তুষ্টচিত্তে সংসার করতে হবে।
 
ইসলামের আগেও একাধিক নারীকে বিয়ের প্রচলন ছিল, তবে স্ত্রীর সংখ্যা সুনির্দিষ্ট ছিল না। ইসলাম এ সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেয় এবং কিছু কঠোর শর্ত আরোপ করে। বস্তুত কড়ায়–গণ্ডায় হিসাব করে শর্তগুলো মেনে চলা এতই দুরূহ যে প্রকৃতপক্ষে এক স্ত্রীর সংসারই নিরাপদ। নইলে আল্লাহর দেয়া শর্ত যেকোনো সময় লঙ্ঘন ফেলার আশঙ্কা থাকে।
 
জাহিলিয়া যুগে আরবে অবাধে বহুসংখ্যক বিয়ে করার প্রচলন ছিল। চারটি পর্যন্ত বিয়ে করার অনুমতি দেয়া হলেও একটির বেশি বিয়ে করা শর্তসাপেক্ষ করা হয়েছে, যাতে স্ত্রীদের মধ্যে সুবিচার করতে পারার ব্যাপারে কোনো ভেদ না ঘটে।
 
বিয়ে করার জন্য স্ত্রীকে দেনমোহর প্রদান করা ওয়াজিব। বিয়ের আগেই দেনমোহর দিতে হবে। তবে স্ত্রীর সম্মতিক্রমে পরেও দেয়া যেতে পারে। ইসলামে ওয়ারিশ পুরুষ ও নারী সবাই পাবে। বণ্টনকালে তারা উপস্থিত হলে বিরক্তি প্রকাশ করতে নিষেধ করা হয়েছে। এর কারণ ইসলাম ভরণপোষণ, অর্থাৎ অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান এবং বিয়ের মোহরানাসহ যাবতীয় ব্যয়ভার বহনের দায়িত্ব পুরুষের ওপর অর্পণ করা হয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাজশাহী সিটি কলেজে ছাত্রদলের কমিটি গঠন নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, উত্তেজনা

রাজশাহী সিটি কলেজে ছাত্রদলের কমিটি গঠন নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, উত্তেজনা