ঢাকা , রবিবার, ১০ মে ২০২৬ , ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কেন বাড়ছে পিঠ ও কোমরের ব্যথা? জেনে নিন প্রতিকার ‘মার্কিন ঘাঁটি ধুলোয় মিশিয়ে দেব’, চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি ইরানের স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সন্দেহে আরাফাতকে হত্যা, ৩ আসামির স্বীকারোক্তি আত্রাইয়ে বিপুল পরিমান অ্যাম্পুল ও হেরোইনসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার টাঙ্গাইলের হত্যা মামলার পলাতক আসামি রাব্বি গ্রেফতার মুলাদীতে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি জিসান চট্টগ্রামে গ্রেফতার শাওন হত্যা মামলার প্রধান আসামি রিফাত গ্রেফতার সলঙ্গায় ১ কেজি হেরোইনসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ​পবায় নগদ টাকা ও তাসসহ ৬ জুয়াড়ি গ্রেফতার যাত্রীবেশে বাসে ফেনসিডিল পরিবহনকালে রাজশাহীতে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার চারঘাটে বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ মাদক কারবারী গ্রেফতার দুই বছর মুনাফা নেই, রাজশাহীতে আমানতকারীদের মানববন্ধন আমিই হবো ক্ষমতার একমাত্র কেন্দ্র: থালাপতি বিজয় বলিউড থেকে সোজা হলিউডে দিশা পাটানি! গরম এবং ঘামে কেশ ভাল রাখার ৫ কৌশল জেনে নিন ধৈর্যের সীমা শেষ হয়ে গেছে: ইরান আদালতে বিচারকের সামনেই ‘বিষপান’ নারীর শ্রীলঙ্কায় কিশোরীকে যৌন নিপীড়ন, শীর্ষ বৌদ্ধ ভিক্ষু গ্রেপ্তার চলতি সপ্তাহেই বাজারে আসছে রাজশাহীর আম সিগারেট জ্বালানোর চেষ্টা, বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৫ জন দগ্ধ

মাহরাম বলতে কী বুঝায়?

  • আপলোড সময় : ১০-০৫-২০২৬ ০৫:০৫:৩০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০৫-২০২৬ ০৫:০৫:৩০ অপরাহ্ন
মাহরাম বলতে কী বুঝায়? ছবি: সংগৃহীত
বিয়ে নবীদের আদর্শ। এর মাধ্যমে নারী-পুরুষ পরস্পর বৈধ ভালোবাসায় আবদ্ধ হয়। বিয়ের জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট নীতিমালা। সবাইকে বিয়ে করা যায় না। নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি রয়েছে যাদের বিয়ে করা হারাম।

মাহরাম কারা?
মাহরাম আরবি শব্দ। এটি আরবি হারাম শব্দ থেকে এসেছে। ইসলামি পরিভাষায় যাদের বিয়ে করা হারাম বা অবৈধ এবং দেখা করা বা দেখা দেয়া জায়েজ বা বৈধ, তাদের মাহরাম বলা হয়। রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়তা, স্তন্যদানের সম্পর্ক এবং বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে নারী পুরুষ পরস্পরের মাহরাম হয়। পরস্পরের সাথে দেখা দেয়া জায়েজ হয়।
 
নারী ও পুরুষের জন্য মাহরাম ব্যক্তি
পবিত্র কোরআনের চতুর্থ সুরার নাম নিসা। নিসা মানে নারীজাতি। এ সুরায় ১৭৬ আয়াত, ২৪ রুকু। তৃতীয় হিজরিতে ওহুদের যুদ্ধের পর এটি অবতীর্ণ হয়। এ সুরায় উত্তরাধিকার এবং এতিমের অধিকারসহ মুসলমানের জীবন পরিচালনা ও কীভাবে একতাবদ্ধ থাকতে হবে সে সম্পর্কে বলা হয়েছে।

কোরআনের সুরার নামকরণ হয়েছে ওই সুরার বিশেষ কোনো অংশ দ্বারা। হতে পারে সেটি সুরার ক্ষুদ্র একটি অংশ। কোরআনের ১১৪টি সুরার মধ্যে প্রত্যেকটির জন্য নাম নির্দিষ্ট করা হয়েছে। এ সুরার প্রথম আয়াতে বর্ণিত النِّسَاءٌ শব্দ থেকে এর নামকরণ করা হয়েছে। এ সুরায় মহান আল্লাহ সমাজে নারী-পুরুষের সম্পর্কের সীমা, নারীদের উত্তরাধিকার বণ্টনের নিয়ম-কানুনসহ নারীসমাজের অনেক খুঁটিনাটি বিষয় বর্ণনা করেছেন যার কারণে এ সুরার নামকরণ করা হয়েছে ‘সুরাতুন নিসা’।
 
নারীদের মধ্যে তোমাদের পিতৃ পুরুষ যাদেরকে বিয়ে করেছে, তোমরা তাদেরকে বিয়ে করো না, তবে পূর্বে যা সংঘটিত হয়েছে (সেটা ক্ষমা করা হলো) নিশ্চয় তা ছিল অশ্লীল, মারাত্মক ঘৃণ্য ও নিকৃষ্ট পন্থা। (সুরা নিসা: ২২)
 
তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে তোমাদের মা, মেয়ে, বোন, ফুফু, খালা, ভাইয়ের মেয়ে, বোনের মেয়ে, দুধমা, দুধবোন, শাশুড়ি ও তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যার সঙ্গে সংগত হয়েছ তার আগের স্বামীর ঔরসে তার গর্ভজাত মেয়ে, যারা তোমাদের অভিভাবকত্ব আছে, তবে যদি তাদের সঙ্গে সংগত না হয়ে থাক, তাতে তোমাদের কোনো অপরাধ নেই। আর তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ তোমাদের ঔরসজাত ছেলের স্ত্রী ও দুই বোনকে একত্র করা, আগে যা হয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সুরা নিসা: ২৩)
 
আর নারীদের মধ্যে তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসী ছাড়া সব সধবা তোমাদের জন্য নিষিদ্ধ, তোমাদের জন্য এগুলো আল্লাহর বিধান। উল্লিখিত নারীরা ছাড়া অন্য নারীকে অর্থব্যয়ে বিয়ে করতে চাওয়া তোমাদের জন্য বৈধ করা হলো, অবৈধ যৌন সম্পর্কের জন্য নয়। তাদের মধ্যে যাদেরকে তোমরা সম্ভোগ করেছ তাদের নির্ধারিত দেনমোহর অর্পণ করবে। দেনমোহর নির্ধারণের পর কোনো বিষয়ে পরস্পর রাজি হলে তাতে তোমাদের কোনো দোষ নেই। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। (সুরা নিসা: ২৪)
 
একসঙ্গে চারজন নারীকে বিয়ে করার সুযোগ থাকলেও শর্ত হচ্ছে স্বামীকে তাদের অধিকার আদায়ে সক্ষম হতে হবে। তাদের সঙ্গে ন্যায়সংগত আচরণ করতে হবে। আর নিখুঁতভাবে তা না পারলে একজন স্ত্রী নিয়ে সন্তুষ্টচিত্তে সংসার করতে হবে।
 
ইসলামের আগেও একাধিক নারীকে বিয়ের প্রচলন ছিল, তবে স্ত্রীর সংখ্যা সুনির্দিষ্ট ছিল না। ইসলাম এ সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেয় এবং কিছু কঠোর শর্ত আরোপ করে। বস্তুত কড়ায়–গণ্ডায় হিসাব করে শর্তগুলো মেনে চলা এতই দুরূহ যে প্রকৃতপক্ষে এক স্ত্রীর সংসারই নিরাপদ। নইলে আল্লাহর দেয়া শর্ত যেকোনো সময় লঙ্ঘন ফেলার আশঙ্কা থাকে।
 
জাহিলিয়া যুগে আরবে অবাধে বহুসংখ্যক বিয়ে করার প্রচলন ছিল। চারটি পর্যন্ত বিয়ে করার অনুমতি দেয়া হলেও একটির বেশি বিয়ে করা শর্তসাপেক্ষ করা হয়েছে, যাতে স্ত্রীদের মধ্যে সুবিচার করতে পারার ব্যাপারে কোনো ভেদ না ঘটে।
 
বিয়ে করার জন্য স্ত্রীকে দেনমোহর প্রদান করা ওয়াজিব। বিয়ের আগেই দেনমোহর দিতে হবে। তবে স্ত্রীর সম্মতিক্রমে পরেও দেয়া যেতে পারে। ইসলামে ওয়ারিশ পুরুষ ও নারী সবাই পাবে। বণ্টনকালে তারা উপস্থিত হলে বিরক্তি প্রকাশ করতে নিষেধ করা হয়েছে। এর কারণ ইসলাম ভরণপোষণ, অর্থাৎ অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান এবং বিয়ের মোহরানাসহ যাবতীয় ব্যয়ভার বহনের দায়িত্ব পুরুষের ওপর অর্পণ করা হয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
​পবায় নগদ টাকা ও তাসসহ ৬ জুয়াড়ি গ্রেফতার

​পবায় নগদ টাকা ও তাসসহ ৬ জুয়াড়ি গ্রেফতার