ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ , ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষার লক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ক কর্মশালা নগরীর আবাসিক হোটেল-মোটেলের মালিক ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা এই প্রথম দেশের অর্থনীতির আকার ছাড়াল ৫০০ বিলিয়ন ডলার নড়াইলে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে ফাঁস নিলেন রাবি শিক্ষার্থী রাণীশংকৈলে গ্রাম আদালত বিষয়ক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ‘বলিউডের কেউ আমাকে মেসেজ করে না!’ নতুন ছবির প্রচারে ইন্ডাস্ট্রির একাংশকে বিঁধলেন কঙ্গনা ঢুকতে দেয়নি আমেরিকা, দেশে ফিরতেই বীরের সম্মান পেলেন ‘আফ্রিকার সেরা রেফারি’ ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যু বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে কাল, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকছে যেসব চমক আসরের পর কাজা নামাজ পড়া যাবে কি? ব্যভিচার ও মানহানির মামলায় খালাস পেলেন নাসির-তামিমা হাম উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু ‘অভিনয়ে ফিরতে চাই’, অনেক দিন বড়পর্দা থেকে দূরে এনা রাজধানীতে দুই বাসের চাপায় যুবকের মৃত্যু ২৮ ঘন্টা পর মেঘনায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার ধর্ষণে প্রতিবন্ধী কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা, যুবক গ্রেফতার নিয়ামতপুরে ২০ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার ১ রাণীশংকৈলে পুলিশের রাতভর অভিযান: ১,৪১৫ পিস ইয়াবাসহ ৫ মাদক কারবারী আটক নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ২৭

কোন শিশুরা ভবিষ্যতে সবচেয়ে সফল ও সুখী হবে?

  • আপলোড সময় : ০৮-০৫-২০২৬ ০৪:৩৫:৫০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৮-০৫-২০২৬ ০৪:৩৫:৫০ অপরাহ্ন
কোন শিশুরা ভবিষ্যতে সবচেয়ে সফল ও সুখী হবে? ছবি: সংগৃহীত
সন্তান জীবনে সফল হোক সব মা-মাবাই তা চান। আর সফল হতে গেলে মন দিয়ে পড়াশোনা করাই দস্তুর। তাতে কোনও সংশয় নেই ঠিকই, তবে পড়াশোনা ও খলাধুলার বাইরেও আরও এক অভ্যাস আছে যা ছোট থেকে আয়ত্ত করতে পারলে ভবিষ্যতে পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনে সবচেয়ে বেশি সফল ও দায়িত্বশীল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। এমনই জানিয়েছে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা। দীর্ঘ ৮৫ বছর ধরে করা গবেষণা ও সমীক্ষায় গবেষকেরা দাবি করেছেন, যে শিশু ছোট থেকে ঘরের কাজকর্ম করে, মা-বাবা বা পরিবারের লোকজনকে ঘরের কাজে সাহায্য করে, তারাই পরবর্তীতে জীবনের যে কোনও পর্যায়ে গিয়ে সাফল্য অর্জন করে। ব্যক্তিগত জীবনে তারাই বেশি সুখী হয়।

ঘরের ছোট ছোট কাজ থেকেই বাড়বে আত্মবিশ্বাস: বড়রা কী করেন, কী ভাবে কথা বলেন, কোন পরিস্থিতি কী ভাবে সামলান— এই সব কিছুই লক্ষ করে শিশুরা। তাদের মতো করে সে সব অনুকরণের চেষ্টাও করে। গবেষকেরা জানাচ্ছেন, নিয়মানুবর্তীতার শিক্ষাও দৈনিক কাজের মাধ্যমেও দিতে পারেন বাবা-মায়েরা। অনেক শিশুই ছোটবেলায় পড়াশোনায় তেমন মনোযোগী হয় না। কেউ হয়তো পড়াশোনায় ভাল, কেউ খেলাধুলায়। তাই শুধু বইয়ের পাঠ বা খেলাধুলাকেই সাফল্য অর্জনের মাপকাঠি ভেবে ফেললে ভুল হবে। অমনোযোগী শিশুকেও দায়িত্বশীল ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলা যায়, যদি তাকে ঘরের ছোট ছোট কাজের দায়িত্ব দেওয়া যায়। ছোট থেকেই সেই অভ্যাস করালে পেশাদারিত্বের মনোভাব ও দায়িত্বজ্ঞান তৈরি হবে শিশুর মধ্যে। তখন সে পড়াশোনা ও অন্যান্য কাজেও মন দেবে।

কী কী দেখেছেন গবেষকেরা?
১) ছোট থেকে কাজ করলে শিশুরা বুঝে যায়, ফল পেতে হলে পরিশ্রম করা প্রয়োজন। যা তাদের ভবিষ্যতে পেশাগত জীবনে দায়িত্বশীল ও পরিশ্রমী হতে সাহায্য করে।

২) ছোট ছোট কাজ, যেমন নিজের খেলনা গুছিয়ে রাখা, বিছানা পরিষ্কার করা বা জামাকাপড় গুছিয়ে রাখার মতো কাজ ঠিকমতো করতে পারলে শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়ে। ভবিষ্যতে তা স্বাবলম্বী হতে সাহায্য করবে।

৩) ঘরের যে কোনও কাজে বাবা-মা বা পরিবারের সদস্যদের সাহায্য করলে তারা বুঝতে পারে প্রত্যেকের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। এতে অন্যের শ্রমের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা বাড়ে। ভবিষ্যতে যা তাদের টিম ওয়ার্কে সাহায্য করবে।

কী ভাবে ঘরের কাজের অভ্যাস করাবেন?
বয়স অনুযায়ী শিশুদের নানা কাজ করতে পারেন। যেমন, প্রতি দিন ঘুম থেকে উঠে নিজের বালিশ ও চাদর গুছিয়ে রাখা অভ্যাস করানো।

হাতের কাছে ছোট্ট ঝুড়ি বা বাক্স রাখুন। বলুন, খেলার পর খেলনাগুলি তাতে গুছিয়ে রাখতে। শুরুতে আপনি দেখিয়ে দিন, কী ভাবে গোছাতে হবে। ভাল করলেই প্রশংসা করুন। ছোট ছোট পুরস্কার দিন।

খাওয়ার আগে প্লেট সাজানো বা খাওয়ার পর নিজের থালাবাটি নির্দিষ্ট জায়গায় রাখার দায়িত্ব দিন।

শিশুর জন্য আলাদা ওয়ার্ড্রোব রাখুন। সেখানে প্রচুর হ্যাঙ্গার ঝুলিয়ে দিন। খুদেকে বলুন নিজের জামাকাপড় ওই হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে রাখতে। ওয়ার্ড্রোবের তাকেও জামাকাপড় রাখতে বলুন। প্রথমে হয়তো ভাঁজ করে গুছিয়ে রাখতে পারবে না। কিন্তু ধীরে ধীরে অভ্যাস তৈরি করুন।

শিশুর নিজের পড়ার ঘর থাকলে সেটি পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব দিন। যদি আলাদা ঘর না থাকে, তা হলে পড়ার জায়গা, টেবিল ও বইখাতা পরিপাটি করে গুছিয়ে রাখতে বলুন। প্রতি দিনই এ কাজ করতে হবে তাকে।

বাড়িতে গাছপালা থাকলে তার দায়িত্ব দিন শিশুকে। গাছে জল দেওয়া, পরিচর্যা করার পদ্ধতি শিখিয়ে দিন। এই কাজ ভাল লাগলে মোবাইলের প্রতি আসক্তিও দূর হয়ে যাবে খুব তাড়াতাড়ি।

অভিভাবকদের নিজেদের দায়িত্বও কিন্তু শেষ হয়ে যাচ্ছে না। ঘুম থেকে ওঠার পরে মা-বাবা যদি নিজেদের বিছানা-বালিশ নিজেরা গোছান, তাঁদের দেখে শিশুও নিজের বিছানা গুছিয়ে রাখতে শিখবে। যদি সে দেখে, তার খেলনা, বইয়ের তাক গোছানো নেই, তা হলে তা করার আগ্রহ তৈরি হবে তার মধ্যেও। তাই সে দিন থেকে বাবা-মাকেই বেশি যত্নশীল হতে হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নগরীর আবাসিক হোটেল-মোটেলের মালিক ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়  সভা

নগরীর আবাসিক হোটেল-মোটেলের মালিক ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা