রাজশাহীর তানোরে ভিপি সম্পত্তি নিয়ে বিবাদমান দুপক্ষের মাঝে চরম বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা ভুমি অফিস থেকে প্রতিবেদন দিতে কালক্ষেপণের অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের (ইউপি) করিমপুর মৌজায়,খতিয়ান নম্বর ২৯,আরএস দাগ নম্বর ৮১,শ্রেণী ধানী,পরিমাণ ৫ দশমিক ১৪ একর সম্পত্তি রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় ৫৫ বছরের ভুমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন আয়ড়্যা মহল্লার মৃত সেকেন্দার আলীর পুত্র এনামুল হক ও শিবরামপুর মহল্লার মৃত জালাল উদ্দিনের পুত্র আবু সাইদ গং।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ এমতাবস্থায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরমোহনপুর-একরামপুর গ্রামের আয়েন উদ্দিন বিশ্বাসের পুত্র খাইরুল বিশ্বাস গং জাল দলিল সৃস্টি করেন এবং ২০২৪ সালের ১৪ মার্চ রাজশাহী জেলা জজ আপীল ট্রাইব্যুনালে রাস্ট্রপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেন।যাহার মামলা নম্বর ০৫/২০২৪ আপীল,৪৮/২০১২ অর্পিত।তবে অবিশ্বাস্যভাবে মাত্র আড়াই মাসের ব্যবধানে রাস্ট্রপক্ষের বিপক্ষে মামলার একতরফা রায় হয়।অর্থাৎ ২০২৪ সালের ১৪ মার্চ মামলা হয় এবং ২০২৪ সালের ৫মে মামলার রায় দেয়া হয়। ভুক্তভোগীর অভিযোগ মামলায় তাদের আইনিভাবে মোকাবেলা করার কোনো সুযোগ না দেয়ায় একতরফা রায় হয়েছে।
সূ বলছে, নীতিমালা অনুযায়ী যেখানে রাস্ট্রের স্বার্থ রয়েছে সেখানে রাস্ট্রপক্ষ যদি কোনো মামলায় হেরে যায় তাহলে রাস্ট্রপক্ষের উচ্চ আদালতে আপীল করার কথা।কিন্ত্ত এক্ষেত্রে সেটা হয়নি।
আবু সাইদ বলেন, ২০২৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী আবু সাইদ গং বাদি হয়ে খাইরুল বিশ্বাস গংকে বিবাদী করে আদালতে ১৪৪ ধারা মামলা করেন। যাহার মামলা নম্বর তানোর-২০১পি/২৪।এ মামলায় ২০২৪ সালের ২ ডিসেম্বর আদালত রায় দেন। যেহেতু একতরফা রায় হয়েছে, সেহুতু রাস্ট্রপক্ষের আপীল বা উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন শুনানী নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সম্পত্তি যাদের দখলে আছে তারাই ভোগদখল করবে।
এনামুল হক বলেন, ২০২৬ সালের ১০ মার্চ তিনি এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন করেন যাহার নম্বর-৩৪৩৭। যা উচ্চ আদালতে শুনানীর তালিকায় রয়েছে। এনামুল আরো বলেন, ২০২৫ সালের ২৮ জানুয়ারী তানোর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাশতুরা আমিনা প্রতিবেদন দেন উক্ত সম্পত্তিতে সরকারের স্বার্থ রয়েছে। রাস্ট্র পক্ষের আপীলের সুযোগ আছে,রাস্ট্র পক্ষ আপীল করবে তা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত্য যাদের দখলে রয়েছে তারা ভোগদখল করবে।
অপরদিকে ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর সিনিয়র সহকারী কমিশনার (ভিপি শাখা) এসএম রকিবুল উক্ত সম্পত্তি সরেজমিন তদন্ত করে তানোর উপজেলা ভুমি অফিসকে প্রতিবেদন দিতে বলেন। কিন্তু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও রহস্যজনক কারণে উপজেলা ভুমি অফিস থেকে এখানো কোনো প্রতিবেদন দেয়া হয়নি। এবিষয়ে ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে খাইরুল বিশ্বাস এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আদালত তাদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাই এসব সম্পত্তির বৈধ মালিক তারা। কিন্তু সাইদ গং জোরপূর্বক সম্পত্তি দখল করছে।
জানা গেছে, উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের (ইউপি) করিমপুর মৌজায়,খতিয়ান নম্বর ২৯,আরএস দাগ নম্বর ৮১,শ্রেণী ধানী,পরিমাণ ৫ দশমিক ১৪ একর সম্পত্তি রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় ৫৫ বছরের ভুমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন আয়ড়্যা মহল্লার মৃত সেকেন্দার আলীর পুত্র এনামুল হক ও শিবরামপুর মহল্লার মৃত জালাল উদ্দিনের পুত্র আবু সাইদ গং।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ এমতাবস্থায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরমোহনপুর-একরামপুর গ্রামের আয়েন উদ্দিন বিশ্বাসের পুত্র খাইরুল বিশ্বাস গং জাল দলিল সৃস্টি করেন এবং ২০২৪ সালের ১৪ মার্চ রাজশাহী জেলা জজ আপীল ট্রাইব্যুনালে রাস্ট্রপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেন।যাহার মামলা নম্বর ০৫/২০২৪ আপীল,৪৮/২০১২ অর্পিত।তবে অবিশ্বাস্যভাবে মাত্র আড়াই মাসের ব্যবধানে রাস্ট্রপক্ষের বিপক্ষে মামলার একতরফা রায় হয়।অর্থাৎ ২০২৪ সালের ১৪ মার্চ মামলা হয় এবং ২০২৪ সালের ৫মে মামলার রায় দেয়া হয়। ভুক্তভোগীর অভিযোগ মামলায় তাদের আইনিভাবে মোকাবেলা করার কোনো সুযোগ না দেয়ায় একতরফা রায় হয়েছে।
সূ বলছে, নীতিমালা অনুযায়ী যেখানে রাস্ট্রের স্বার্থ রয়েছে সেখানে রাস্ট্রপক্ষ যদি কোনো মামলায় হেরে যায় তাহলে রাস্ট্রপক্ষের উচ্চ আদালতে আপীল করার কথা।কিন্ত্ত এক্ষেত্রে সেটা হয়নি।
আবু সাইদ বলেন, ২০২৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী আবু সাইদ গং বাদি হয়ে খাইরুল বিশ্বাস গংকে বিবাদী করে আদালতে ১৪৪ ধারা মামলা করেন। যাহার মামলা নম্বর তানোর-২০১পি/২৪।এ মামলায় ২০২৪ সালের ২ ডিসেম্বর আদালত রায় দেন। যেহেতু একতরফা রায় হয়েছে, সেহুতু রাস্ট্রপক্ষের আপীল বা উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন শুনানী নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সম্পত্তি যাদের দখলে আছে তারাই ভোগদখল করবে।
এনামুল হক বলেন, ২০২৬ সালের ১০ মার্চ তিনি এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন করেন যাহার নম্বর-৩৪৩৭। যা উচ্চ আদালতে শুনানীর তালিকায় রয়েছে। এনামুল আরো বলেন, ২০২৫ সালের ২৮ জানুয়ারী তানোর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাশতুরা আমিনা প্রতিবেদন দেন উক্ত সম্পত্তিতে সরকারের স্বার্থ রয়েছে। রাস্ট্র পক্ষের আপীলের সুযোগ আছে,রাস্ট্র পক্ষ আপীল করবে তা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত্য যাদের দখলে রয়েছে তারা ভোগদখল করবে।
অপরদিকে ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর সিনিয়র সহকারী কমিশনার (ভিপি শাখা) এসএম রকিবুল উক্ত সম্পত্তি সরেজমিন তদন্ত করে তানোর উপজেলা ভুমি অফিসকে প্রতিবেদন দিতে বলেন। কিন্তু দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও রহস্যজনক কারণে উপজেলা ভুমি অফিস থেকে এখানো কোনো প্রতিবেদন দেয়া হয়নি। এবিষয়ে ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে খাইরুল বিশ্বাস এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আদালত তাদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাই এসব সম্পত্তির বৈধ মালিক তারা। কিন্তু সাইদ গং জোরপূর্বক সম্পত্তি দখল করছে।
আলিফ হোসেন