চলচ্চিত্র ‘কেডি: দ্য ডেভিল’-এর গান ‘সরকে চুনার তেরি সরকে’ মুক্তির পর অশালীন লিরিক্স ও চটুল চিত্রায়ণের অভিযোগে শুরু হওয়া বিতর্কের জেরে অবশেষে জাতীয় মহিলা কমিশনের (NCW) সামনে হাজির হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহি।
বৃহস্পতিবার তিনি কমিশনে উপস্থিত হয়ে গানের বিষয়বস্তু নিয়ে তৈরি হওয়া অসন্তোষের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
গত মার্চ মাসে মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে। অভিযোগ ওঠে, গানের শব্দচয়ন ও দৃশ্যায়ন অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ এবং পারিবারিকভাবে দেখার উপযোগী নয়। অনেকেই দাবি করেন, ভিউ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে চটুল উপাদান যুক্ত করা হয়েছে।
গানে অংশ নেওয়া সঞ্জয় দত্তের উপস্থিতিও আলোচনার কেন্দ্রে আসে, তবে মূল সমালোচনার লক্ষ্য ছিল গানের লিরিক্স ও উপস্থাপন শৈলী।
বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় মহিলা কমিশন নোরা ফাতেহিকে তলব করে। কমিশনের সামনে তিনি জানান, কারও ধর্মীয়, সামাজিক বা ব্যক্তিগত অনুভূতিতে আঘাত করা তাঁর বা তাঁর টিমের উদ্দেশ্য ছিল না।
তিনি আরও বলেন, সৃজনশীল কাজের ক্ষেত্রে অনেক সময় কিছু সূক্ষ্ম দিক নজর এড়িয়ে যেতে পারে, যা এই ক্ষেত্রেও ঘটেছে। যদি তাঁর কাজের কারণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখিত এবং নিঃশর্তভাবে ক্ষমা চান।
নোরা ফাতেহি জানান, ভবিষ্যতে কোনো প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার আগে গান ও কনটেন্টের ভাষা এবং উপস্থাপন আরও সতর্কভাবে পর্যালোচনা করবেন। তাঁর মতে, শিল্পীদের কাজের প্রভাব সমাজে পড়ে, তাই সে বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল হওয়া জরুরি।
বিনোদন জগতে গান বা দৃশ্য নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। তবে সরাসরি কমিশনের সামনে হাজির হয়ে ক্ষমা চাওয়ার ঘটনা তুলনামূলকভাবে বিরল। এই ঘটনায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, বিনোদনের স্বাধীনতা ও সামাজিক দায়িত্বের সীমারেখা নিয়ে।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রযোজনা পক্ষ বা সংশ্লিষ্ট চলচ্চিত্রের অন্যান্য সদস্যদের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার তিনি কমিশনে উপস্থিত হয়ে গানের বিষয়বস্তু নিয়ে তৈরি হওয়া অসন্তোষের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
গত মার্চ মাসে মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে। অভিযোগ ওঠে, গানের শব্দচয়ন ও দৃশ্যায়ন অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ এবং পারিবারিকভাবে দেখার উপযোগী নয়। অনেকেই দাবি করেন, ভিউ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে চটুল উপাদান যুক্ত করা হয়েছে।
গানে অংশ নেওয়া সঞ্জয় দত্তের উপস্থিতিও আলোচনার কেন্দ্রে আসে, তবে মূল সমালোচনার লক্ষ্য ছিল গানের লিরিক্স ও উপস্থাপন শৈলী।
বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় মহিলা কমিশন নোরা ফাতেহিকে তলব করে। কমিশনের সামনে তিনি জানান, কারও ধর্মীয়, সামাজিক বা ব্যক্তিগত অনুভূতিতে আঘাত করা তাঁর বা তাঁর টিমের উদ্দেশ্য ছিল না।
তিনি আরও বলেন, সৃজনশীল কাজের ক্ষেত্রে অনেক সময় কিছু সূক্ষ্ম দিক নজর এড়িয়ে যেতে পারে, যা এই ক্ষেত্রেও ঘটেছে। যদি তাঁর কাজের কারণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখিত এবং নিঃশর্তভাবে ক্ষমা চান।
নোরা ফাতেহি জানান, ভবিষ্যতে কোনো প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার আগে গান ও কনটেন্টের ভাষা এবং উপস্থাপন আরও সতর্কভাবে পর্যালোচনা করবেন। তাঁর মতে, শিল্পীদের কাজের প্রভাব সমাজে পড়ে, তাই সে বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল হওয়া জরুরি।
বিনোদন জগতে গান বা দৃশ্য নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। তবে সরাসরি কমিশনের সামনে হাজির হয়ে ক্ষমা চাওয়ার ঘটনা তুলনামূলকভাবে বিরল। এই ঘটনায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, বিনোদনের স্বাধীনতা ও সামাজিক দায়িত্বের সীমারেখা নিয়ে।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রযোজনা পক্ষ বা সংশ্লিষ্ট চলচ্চিত্রের অন্যান্য সদস্যদের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
তামান্না হাবিব নিশু