সম্প্রতি আটলান্টিক মহাসাগরে একটি প্রমোদতরী বা Cruise Ship-এ হান্টা ভাইরাস সংক্রমণের জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে তিন যাত্রীর, আর দুই জন ক্রু মেম্বারের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং সিডিসি (CDC) এই ঘটনার ওপর কড়া নজর রাখছে। আজকের তথ্য অনুযায়ী অসুস্থদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে এবং এই সংক্রমণের উৎস খুঁজতে শুরু হয়েছে ল্যাবরেটরি পরীক্ষা।
সাধারণত হান্টা ভাইরাস ইঁদুর বা এই জাতীয় কৃন্তক প্রাণীর থেকে মানুষের শরীরে ছড়ায়। কিন্তু জাহাজ বা যেকোনও বন্ধ পরিবেশে এটি ঠিক কতটা বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে? জানা জরুরি।
হান্টাভাইরাস আসলে কী?
CDC-র মতে, হান্টাভাইরাস হল একগুচ্ছ ভাইরাসের সমাহার যা মানুষের শরীরে প্রবেশ করলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। মূলত দু’ধরণের রোগ সৃষ্টি করে এই ভাইরাস:
১. Hantavirus Pulmonary Syndrome (HPS): এটি মূলত ফুসফুসকে আক্রমণ করে। উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকায় এর প্রকোপ বেশি।
২. Haemorrhagic Fever with Renal Syndrome (HFRS): এটি মূলত কিডনি বা বৃক্ককে অকেজো করে দেয়। এশিয়া এবং ইউরোপে এই ধরণের সংক্রমণ বেশি দেখা যায়।
ইঁদুর থেকে মানুষ: সংক্রমণ ছড়ায় কী ভাবে?
হান্টাভাইরাস মূলত ইঁদুরের লালা, মূত্র এবং মল থেকে ছড়ায়। মানুষের শরীরে এর প্রবেশের প্রধান উপায়গুলি হল:
বায়ুর মাধ্যমে: যদি কোনও বদ্ধ জায়গায় ইঁদুরের শুকনো মল বা মূত্র পড়ে থাকে এবং তা পরিষ্কার করার সময় ঝাড়ু দেওয়া বা ভ্যাকুয়াম করা হয়, তবে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণা বাতাসের সঙ্গে মিশে যায়। সেই বাতাস নিশ্বাসের সঙ্গে নিলে মানুষ সংক্রমিত হয়।
কামড় বা আঁচড়: বিরল হলেও ইঁদুরের কামড় থেকে এই ভাইরাস ছড়াতে পারে।
স্পর্শ: ভাইরাসযুক্ত কোনও বস্তু হাত দিয়ে ধরার পর সেই হাত না ধুয়ে মুখ, নাক বা চোখে দিলে সংক্রমণ হতে পারে।
কেন বন্ধ জায়গা বা ক্রুজ শিপে ঝুঁকি বেশি?
জাহাজের কেবিন বা বদ্ধ ঘরে পর্যাপ্ত ভেন্টিলেশন বা বায়ু চলাচলের অভাব থাকে। ফলে একবার ভাইরাস কণা বাতাসে মিশলে তা দীর্ঘক্ষণ সেই পরিবেশে থেকে যায়। পর্যাপ্ত সুরক্ষা ছাড়াই এই ধরণের বদ্ধ জায়গা পরিষ্কার করলে সংক্রমণের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণ কি সম্ভব?
সাধারণত হান্টাভাইরাস মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায় না। তবে গবেষকরা বলছেন, কিছু বিরল ক্ষেত্রে সরাসরি সংক্রমণের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। আটলান্টিকের এই সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাব নিয়ে পরীক্ষা চলছে যে এটি বিরল কোনও হিউম্যান-টু-হিউম্যান ট্রান্সমিশন কি না। যদিও সাধারণ মানুষের জন্য বিশ্বজুড়ে ঝুঁকির মাত্রা এখনও কম বলেই জানিয়েছে WHO।
চিনে নিন উপসর্গ: কখন সতর্ক হবেন?
১. Hantavirus Pulmonary Syndrome (HPS): এটি অত্যন্ত মারাত্মক। উপসর্গ দেখা দিতে ১ থেকে ৮ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
প্রাথমিক লক্ষণ: ক্লান্তি, জ্বর, এবং বিশেষ করে থাই, কোমর বা পিঠের পেশিতে প্রচণ্ড ব্যথা। সেই সঙ্গে বমি ভাব, মাথাব্যথা ও কাঁপুনি হতে পারে।
মারাত্মক লক্ষণ: ৪ থেকে ১০ দিন পর কাশি এবং প্রবল শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। ফুসফুসে জল জমে যেতে পারে। এই রোগে আক্রান্তদের মৃত্যুর হার প্রায় ৩৮%।
২. Haemorrhagic Fever with Renal Syndrome (HFRS):
এটি কিডনির কার্যকারিতা নষ্ট করে। সাধারণত ১ থেকে ২ সপ্তাহের মধ্যে লক্ষণ প্রকাশ পায়।
লক্ষণ: হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা, পিঠে ও পেটে ব্যথা, জ্বর, ঝাপসা দৃষ্টি এবং চোখ-মুখ লাল হয়ে যাওয়া।
পরবর্তী পর্যায়: নিম্ন রক্তচাপ, অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ এবং সবশেষে অ্যাকিউট কিডনি ফেলিওর। হান্টা বা ডোব্রাভা ভাইরাসের ক্ষেত্রে মৃত্যুর হার ৫-১৫ শতাংশ।
চিকিৎসা ও প্রতিকার
বর্তমানে হান্টাভাইরাসের কোনও সুনির্দিষ্ট ওষুধ বা ভ্যাকসিন নেই। তবে শুরুতেই ধরা পড়লে সঠিক সাপোর্টিভ চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব।
বাঁচার উপায়:
ইঁদুর নিয়ন্ত্রণ: ঘর বা কর্মক্ষেত্রে যাতে ইঁদুর না ঢোকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
পরিষ্কারের সঠিক পদ্ধতি: ইঁদুরের মল বা নোংরা পরিষ্কারের সময় কখনই ঝাড়ু বা ভ্যাকুয়াম ব্যবহার করবেন না। আগে গ্লাভস পরে ব্লিচ সলিউশন দিয়ে জায়গাটি ভিজিয়ে নিন, যাতে ধুলো না ওড়ে।
মাস্কের ব্যবহার: ধুলোবালি যুক্ত বদ্ধ জায়গা পরিষ্কারের সময় অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন।
বিশ্বজুড়ে বাড়ছে উদ্বেগ?
আটলান্টিকের এই ঘটনাটি বর্তমানে একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও, এটি একটি বৃহত্তর সংকটেরই প্রতিফলন। পশুপাখি থেকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া রোগ, যা বিজ্ঞানের ভাষায় Zoonotic Infections নামে পরিচিত, বর্তমান বিশ্বে ক্রমাগত বেড়ে চলেছে।
আমেরিকার দেশগুলোতে হান্টাভাইরাস মূলত গ্রামীণ এলাকায় বা খোলা আকাশের নিচে কাজ করার সময় ছড়ায়। অন্যদিকে, ইউরোপ এবং এশিয়ায় এই ভাইরাসের প্রজাতিগুলো ফুসফুসের বদলে সরাসরি কিডনিকে আক্রমণ করে।
গবেষকরা এখনই আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, তবে প্রস্তুতির ওপর জোর দিয়েছেন। তাঁদের মতে, বিশ্বজুড়ে যাতায়াত বৃদ্ধি এবং মানুষ ও পশুপাখির অবাধ মেলামেশার ফলে ভবিষ্যতে এই ধরণের ঘটনা আরও ঘটতে পারে। এই প্রাদুর্ভাব থেকে একটি শিক্ষাই পাওয়া যায়: বিরল রোগ হলেও প্রতিটি ক্ষেত্রে চরম সতর্কতা বা Constant Vigilance প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞরা এই ক্রুজ শিপের ঘটনাটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন যাতে ভবিষ্যতে এই ধরণের মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় আরও উন্নত গাইডলাইন তৈরি করা যায়। মনে রাখবেন, সচেতনতাই এই রোগের সেরা প্রতিষেধক। এরাজ্য তথা এদেশে ইঁদুরের উপদ্রব বেশি। বিশেষ করে বাড়িতে, বদ্ধ ঘরে কিংবা ট্রেনে-বাসে। তাই এই হান্টাভাইরাস নিয়ে সকলের সচেতন হওয়া দরকার।
সাধারণত হান্টা ভাইরাস ইঁদুর বা এই জাতীয় কৃন্তক প্রাণীর থেকে মানুষের শরীরে ছড়ায়। কিন্তু জাহাজ বা যেকোনও বন্ধ পরিবেশে এটি ঠিক কতটা বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে? জানা জরুরি।
হান্টাভাইরাস আসলে কী?
CDC-র মতে, হান্টাভাইরাস হল একগুচ্ছ ভাইরাসের সমাহার যা মানুষের শরীরে প্রবেশ করলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। মূলত দু’ধরণের রোগ সৃষ্টি করে এই ভাইরাস:
১. Hantavirus Pulmonary Syndrome (HPS): এটি মূলত ফুসফুসকে আক্রমণ করে। উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকায় এর প্রকোপ বেশি।
২. Haemorrhagic Fever with Renal Syndrome (HFRS): এটি মূলত কিডনি বা বৃক্ককে অকেজো করে দেয়। এশিয়া এবং ইউরোপে এই ধরণের সংক্রমণ বেশি দেখা যায়।
ইঁদুর থেকে মানুষ: সংক্রমণ ছড়ায় কী ভাবে?
হান্টাভাইরাস মূলত ইঁদুরের লালা, মূত্র এবং মল থেকে ছড়ায়। মানুষের শরীরে এর প্রবেশের প্রধান উপায়গুলি হল:
বায়ুর মাধ্যমে: যদি কোনও বদ্ধ জায়গায় ইঁদুরের শুকনো মল বা মূত্র পড়ে থাকে এবং তা পরিষ্কার করার সময় ঝাড়ু দেওয়া বা ভ্যাকুয়াম করা হয়, তবে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণা বাতাসের সঙ্গে মিশে যায়। সেই বাতাস নিশ্বাসের সঙ্গে নিলে মানুষ সংক্রমিত হয়।
কামড় বা আঁচড়: বিরল হলেও ইঁদুরের কামড় থেকে এই ভাইরাস ছড়াতে পারে।
স্পর্শ: ভাইরাসযুক্ত কোনও বস্তু হাত দিয়ে ধরার পর সেই হাত না ধুয়ে মুখ, নাক বা চোখে দিলে সংক্রমণ হতে পারে।
কেন বন্ধ জায়গা বা ক্রুজ শিপে ঝুঁকি বেশি?
জাহাজের কেবিন বা বদ্ধ ঘরে পর্যাপ্ত ভেন্টিলেশন বা বায়ু চলাচলের অভাব থাকে। ফলে একবার ভাইরাস কণা বাতাসে মিশলে তা দীর্ঘক্ষণ সেই পরিবেশে থেকে যায়। পর্যাপ্ত সুরক্ষা ছাড়াই এই ধরণের বদ্ধ জায়গা পরিষ্কার করলে সংক্রমণের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণ কি সম্ভব?
সাধারণত হান্টাভাইরাস মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায় না। তবে গবেষকরা বলছেন, কিছু বিরল ক্ষেত্রে সরাসরি সংক্রমণের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। আটলান্টিকের এই সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাব নিয়ে পরীক্ষা চলছে যে এটি বিরল কোনও হিউম্যান-টু-হিউম্যান ট্রান্সমিশন কি না। যদিও সাধারণ মানুষের জন্য বিশ্বজুড়ে ঝুঁকির মাত্রা এখনও কম বলেই জানিয়েছে WHO।
চিনে নিন উপসর্গ: কখন সতর্ক হবেন?
১. Hantavirus Pulmonary Syndrome (HPS): এটি অত্যন্ত মারাত্মক। উপসর্গ দেখা দিতে ১ থেকে ৮ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
প্রাথমিক লক্ষণ: ক্লান্তি, জ্বর, এবং বিশেষ করে থাই, কোমর বা পিঠের পেশিতে প্রচণ্ড ব্যথা। সেই সঙ্গে বমি ভাব, মাথাব্যথা ও কাঁপুনি হতে পারে।
মারাত্মক লক্ষণ: ৪ থেকে ১০ দিন পর কাশি এবং প্রবল শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। ফুসফুসে জল জমে যেতে পারে। এই রোগে আক্রান্তদের মৃত্যুর হার প্রায় ৩৮%।
২. Haemorrhagic Fever with Renal Syndrome (HFRS):
এটি কিডনির কার্যকারিতা নষ্ট করে। সাধারণত ১ থেকে ২ সপ্তাহের মধ্যে লক্ষণ প্রকাশ পায়।
লক্ষণ: হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা, পিঠে ও পেটে ব্যথা, জ্বর, ঝাপসা দৃষ্টি এবং চোখ-মুখ লাল হয়ে যাওয়া।
পরবর্তী পর্যায়: নিম্ন রক্তচাপ, অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ এবং সবশেষে অ্যাকিউট কিডনি ফেলিওর। হান্টা বা ডোব্রাভা ভাইরাসের ক্ষেত্রে মৃত্যুর হার ৫-১৫ শতাংশ।
চিকিৎসা ও প্রতিকার
বর্তমানে হান্টাভাইরাসের কোনও সুনির্দিষ্ট ওষুধ বা ভ্যাকসিন নেই। তবে শুরুতেই ধরা পড়লে সঠিক সাপোর্টিভ চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব।
বাঁচার উপায়:
ইঁদুর নিয়ন্ত্রণ: ঘর বা কর্মক্ষেত্রে যাতে ইঁদুর না ঢোকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
পরিষ্কারের সঠিক পদ্ধতি: ইঁদুরের মল বা নোংরা পরিষ্কারের সময় কখনই ঝাড়ু বা ভ্যাকুয়াম ব্যবহার করবেন না। আগে গ্লাভস পরে ব্লিচ সলিউশন দিয়ে জায়গাটি ভিজিয়ে নিন, যাতে ধুলো না ওড়ে।
মাস্কের ব্যবহার: ধুলোবালি যুক্ত বদ্ধ জায়গা পরিষ্কারের সময় অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন।
বিশ্বজুড়ে বাড়ছে উদ্বেগ?
আটলান্টিকের এই ঘটনাটি বর্তমানে একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও, এটি একটি বৃহত্তর সংকটেরই প্রতিফলন। পশুপাখি থেকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া রোগ, যা বিজ্ঞানের ভাষায় Zoonotic Infections নামে পরিচিত, বর্তমান বিশ্বে ক্রমাগত বেড়ে চলেছে।
আমেরিকার দেশগুলোতে হান্টাভাইরাস মূলত গ্রামীণ এলাকায় বা খোলা আকাশের নিচে কাজ করার সময় ছড়ায়। অন্যদিকে, ইউরোপ এবং এশিয়ায় এই ভাইরাসের প্রজাতিগুলো ফুসফুসের বদলে সরাসরি কিডনিকে আক্রমণ করে।
গবেষকরা এখনই আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, তবে প্রস্তুতির ওপর জোর দিয়েছেন। তাঁদের মতে, বিশ্বজুড়ে যাতায়াত বৃদ্ধি এবং মানুষ ও পশুপাখির অবাধ মেলামেশার ফলে ভবিষ্যতে এই ধরণের ঘটনা আরও ঘটতে পারে। এই প্রাদুর্ভাব থেকে একটি শিক্ষাই পাওয়া যায়: বিরল রোগ হলেও প্রতিটি ক্ষেত্রে চরম সতর্কতা বা Constant Vigilance প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞরা এই ক্রুজ শিপের ঘটনাটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন যাতে ভবিষ্যতে এই ধরণের মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় আরও উন্নত গাইডলাইন তৈরি করা যায়। মনে রাখবেন, সচেতনতাই এই রোগের সেরা প্রতিষেধক। এরাজ্য তথা এদেশে ইঁদুরের উপদ্রব বেশি। বিশেষ করে বাড়িতে, বদ্ধ ঘরে কিংবা ট্রেনে-বাসে। তাই এই হান্টাভাইরাস নিয়ে সকলের সচেতন হওয়া দরকার।
ফারহানা জেরিন