পশ্চিমবঙ্গের আউশগ্রাম আসন থেকে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-র প্রার্থী কলিতা মাঝি বিজয়ী হয়েছেন, যা তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
কলিতা মাঝি, যিনি একসময় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করে মাসে মাত্র ২৫০০ রুপি আয় করতেন, এখন ১২,৫৩৫ ভোটের ব্যবধানে তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের পরাজিত করে বিধানসভার সদস্য (এমএলএ) নির্বাচিত হয়েছেন। খবর এনডিটিভি’র।
প্রতিবেদন অনুসারে, তার বিজয় শুধু একটি নির্বাচনী ফলাফল নয়, বরং প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে অধ্যবসায়ের এক আখ্যান। সাধারণ পরিবার থেকে আসা কলিতা মাঝিকে আর্থিক কষ্টের কারণে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ত্যাগ করতে হয়েছিল।
জানা যায়, পরিবারকে সাহায্য করার জন্য তিনি একাধিক বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। তার স্বামী প্লাম্বার হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করেন এবং একসঙ্গে তারা বছরের পর বছর অর্থনৈতিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তাদের ছেলে পার্থকে বড় করেছেন, যে বর্তমানে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ছে।
মাঝি গত এক দশক ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় এবং বুথ-স্তরের কর্মী হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছিলেন। বিজেপি তাকে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করেছিল, যেখানে তিনি প্রায় ৪১ শতাংশ ভোট পান।
তিনি এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছিলেন। কিন্তু বিজেপি নেতৃত্ব তার ওপর পুনরায় আস্থা রেখে ২০২৬ সালে তাকে দ্বিতীয় সুযোগ দেয়। আর সেই সিদ্ধান্তটি ফলপ্রসূ হয়েছে।
তার হলফনামা অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে দুটি ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন রয়েছে, কিন্তু কোনোটিই গুরুতর নয়।
ব্যাংক আমানত, হাতে থাকা নগদ টাকা এবং এলআইসি পলিসিসহ মাঝির মোট সম্পদের পরিমাণ ১ লাখ ৬১ হাজার ২১৬ রুপি। হলফনামা অনুযায়ী, জেলায় তার স্বামীর ৮৭১ বর্গফুটের একটি আবাসিক সম্পত্তি রয়েছে, যা তার বাবার কাছ থেকে পাওয়া। এর মূল্য প্রায় ৩ লাখ রুপি। সূত্র: এনডিটিভি
কলিতা মাঝি, যিনি একসময় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করে মাসে মাত্র ২৫০০ রুপি আয় করতেন, এখন ১২,৫৩৫ ভোটের ব্যবধানে তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের পরাজিত করে বিধানসভার সদস্য (এমএলএ) নির্বাচিত হয়েছেন। খবর এনডিটিভি’র।
প্রতিবেদন অনুসারে, তার বিজয় শুধু একটি নির্বাচনী ফলাফল নয়, বরং প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে অধ্যবসায়ের এক আখ্যান। সাধারণ পরিবার থেকে আসা কলিতা মাঝিকে আর্থিক কষ্টের কারণে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ত্যাগ করতে হয়েছিল।
জানা যায়, পরিবারকে সাহায্য করার জন্য তিনি একাধিক বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। তার স্বামী প্লাম্বার হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করেন এবং একসঙ্গে তারা বছরের পর বছর অর্থনৈতিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তাদের ছেলে পার্থকে বড় করেছেন, যে বর্তমানে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ছে।
মাঝি গত এক দশক ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় এবং বুথ-স্তরের কর্মী হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছিলেন। বিজেপি তাকে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করেছিল, যেখানে তিনি প্রায় ৪১ শতাংশ ভোট পান।
তিনি এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছিলেন। কিন্তু বিজেপি নেতৃত্ব তার ওপর পুনরায় আস্থা রেখে ২০২৬ সালে তাকে দ্বিতীয় সুযোগ দেয়। আর সেই সিদ্ধান্তটি ফলপ্রসূ হয়েছে।
তার হলফনামা অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে দুটি ফৌজদারি মামলা বিচারাধীন রয়েছে, কিন্তু কোনোটিই গুরুতর নয়।
ব্যাংক আমানত, হাতে থাকা নগদ টাকা এবং এলআইসি পলিসিসহ মাঝির মোট সম্পদের পরিমাণ ১ লাখ ৬১ হাজার ২১৬ রুপি। হলফনামা অনুযায়ী, জেলায় তার স্বামীর ৮৭১ বর্গফুটের একটি আবাসিক সম্পত্তি রয়েছে, যা তার বাবার কাছ থেকে পাওয়া। এর মূল্য প্রায় ৩ লাখ রুপি। সূত্র: এনডিটিভি
আন্তজার্তিক ডেস্ক