ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ির সামনে ‘চোর- চোর’ স্লোগান তুললেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। সোমবার (৪ মে) স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ৩টার কিছু পরে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের ভোট গণনা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, মমতা ওই ভোট গণনা কেন্দ্রে পৌঁছানোর আগেই সেখানে বিজেপি কর্মীদের জটলা ছিল। ছড়িয়েছিল উত্তেজনাও।
এরপর মমতার গাড়ি সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে পৌঁছোতেই ‘চোর-চোর’ স্লোগান তুলতে থাকেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে পৌঁছোনোর কিছু আগেই ওই কেন্দ্রের অদূরে একটি পাম্পে বসেছিলেন তৃণমূলের কর্মীরা। তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীও সেখানে ছিলেন।
পরে জানা যায়, পুলিশ তৃণমূল কর্মীদের সেখান থেকে উঠে যেতে বলে। যদিও ওই সময়ে তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সেখানে ছিলেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। এর কিছু পরেই এজেসি বোস রোড ধরে এগিয়ে আসা বিজেপি সমর্থকদের সঙ্গে তর্কাতর্কি শুরু হয় পুলিশের। পরে বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা তৃণমূলের জমায়েতস্থলে পৌঁছে যায়। তৃণমূল কর্মীদের পেতে রাখা চেয়ার ভাঙচুরেরও অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।
উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতেই সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে ভোট গণনা কেন্দ্রের চত্বরে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়। বাড়ানো হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের সংখ্যাও। এর মধ্যেই বিজেপি সমর্থকরা মমতার বিরুদ্ধে ‘চোর-চোর’ স্লোগান তুলতে থাকেন। ওঠে ‘গো ব্যাক’ স্লোগানও।
গণনা কেন্দ্রের কাছে মোতায়েন পুলিশকর্মী এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা ওই বিজেপি সমর্থকদের সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন। তারা বিজেপির সমর্থকদের সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলচত্বর থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যান।
ভবানীপুর আসনে মোট ২০ রাউন্ড গণনা রয়েছে। এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত ২০টির মধ্যে ১২টি রাউন্ডের ফল ঘোষণা হয়েছে। গণনাপর্বে সকাল থেকে দৃশ্যত হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে ভবানীপুরে। প্রথম দিকে কখনও মমতা, কখনও শুভেন্দু এগিয়ে ছিলেন। তার পরের বেশ কয়েকটি রাউন্ডে এগিয়ে যান মমতা। আবার কিছু রাউন্ডে ব্যবধান কমাতে শুরু করেন শুভেন্দুও। সূত্র: আনন্দবাজার
স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, মমতা ওই ভোট গণনা কেন্দ্রে পৌঁছানোর আগেই সেখানে বিজেপি কর্মীদের জটলা ছিল। ছড়িয়েছিল উত্তেজনাও।
এরপর মমতার গাড়ি সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে পৌঁছোতেই ‘চোর-চোর’ স্লোগান তুলতে থাকেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে পৌঁছোনোর কিছু আগেই ওই কেন্দ্রের অদূরে একটি পাম্পে বসেছিলেন তৃণমূলের কর্মীরা। তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীও সেখানে ছিলেন।
পরে জানা যায়, পুলিশ তৃণমূল কর্মীদের সেখান থেকে উঠে যেতে বলে। যদিও ওই সময়ে তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সেখানে ছিলেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। এর কিছু পরেই এজেসি বোস রোড ধরে এগিয়ে আসা বিজেপি সমর্থকদের সঙ্গে তর্কাতর্কি শুরু হয় পুলিশের। পরে বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা তৃণমূলের জমায়েতস্থলে পৌঁছে যায়। তৃণমূল কর্মীদের পেতে রাখা চেয়ার ভাঙচুরেরও অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।
উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতেই সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে ভোট গণনা কেন্দ্রের চত্বরে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়। বাড়ানো হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের সংখ্যাও। এর মধ্যেই বিজেপি সমর্থকরা মমতার বিরুদ্ধে ‘চোর-চোর’ স্লোগান তুলতে থাকেন। ওঠে ‘গো ব্যাক’ স্লোগানও।
গণনা কেন্দ্রের কাছে মোতায়েন পুলিশকর্মী এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা ওই বিজেপি সমর্থকদের সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন। তারা বিজেপির সমর্থকদের সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলচত্বর থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যান।
ভবানীপুর আসনে মোট ২০ রাউন্ড গণনা রয়েছে। এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত ২০টির মধ্যে ১২টি রাউন্ডের ফল ঘোষণা হয়েছে। গণনাপর্বে সকাল থেকে দৃশ্যত হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে ভবানীপুরে। প্রথম দিকে কখনও মমতা, কখনও শুভেন্দু এগিয়ে ছিলেন। তার পরের বেশ কয়েকটি রাউন্ডে এগিয়ে যান মমতা। আবার কিছু রাউন্ডে ব্যবধান কমাতে শুরু করেন শুভেন্দুও। সূত্র: আনন্দবাজার
আন্তজার্তিক ডেস্ক