এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের মধ্যে নিজের কণ্ঠস্বর ও চেহারার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নতুন আইনি পদক্ষেপ নিলেন বিশ্বখ্যাত সংগীতশিল্পী টেইলর সুইফট। সম্প্রতি তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পেটেন্ট ও ট্রেডমার্ক অফিসে তিনটি পৃথক ট্রেডমার্ক আবেদন দাখিল করেছেন, যা মূলত তার পরিচয় ও ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দ্বারা অপব্যবহার থেকে রক্ষার উদ্দেশ্যে নেয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
দাখিলকৃত আবেদনগুলোর মধ্যে দুটি 'সাউন্ড ট্রেডমার্ক' যেখানে 'হেই, ইটস টেইলর সুইফট' এবং 'হেই, ইটস টেইলর' বাক্যাংশকে তার কণ্ঠের স্বাক্ষর হিসেবে নিবন্ধনের চেষ্টা করা হয়েছে। তৃতীয় আবেদনটি একটি ভিজ্যুয়াল ট্রেডমার্ক, যেখানে তাকে একটি গোলাপি গিটার হাতে, বহু রঙের বডিস্যুট ও রুপালি বুট পরিহিত অবস্থায় মঞ্চে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়- এমন নির্দিষ্ট চিত্রকে সুরক্ষার আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
এই আবেদনগুলো করা হয়েছে তার প্রতিষ্ঠান টাস রাইটস মেনেজমেন্টের মাধ্যমে। বিষয়টি প্রথম প্রকাশ্যে আনেন বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি আইনজীবী জশ গারবেন। তার মতে, বিনোদন জগতের শিল্পীরা ক্রমবর্ধমানভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছেন যে, এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের কণ্ঠ, চেহারা বা ব্যক্তিত্ব অননুমোদিতভাবে নকল বা ব্যবহার করা হতে পারে।
উল্লেখ্য, প্রচলিতভাবে ট্রেডমার্ক আইন কোনো ব্যক্তির সাধারণ চেহারা বা কণ্ঠস্বর সুরক্ষার জন্য তৈরি হয়নি। তবে নতুন এই কৌশলটি ইতোমধ্যে প্রয়োগ করেছেন হলিউড অভিনেতা ম্যাথু ম্যাককনহে। তার বিখ্যাত সংলাপ 'অলরাইট, অলরাইট,অলরাইট!'— যা ১৯৯৩ সালের চলচ্চিত্র ড্যাযেড এন্ড কনফিউসড-এ ব্যবহৃত হয়েছিল- সেটির জন্য তিনি সাউন্ড ট্রেডমার্ক পেয়েছেন। ২০২৫ সালে তার নামে মোট আটটি ট্রেডমার্ক অনুমোদন দেয়।
আইনজীবীদের মতে, “ট্রেডমার্ক ইউরসেলফ” কৌশলটি শিল্পীদের জন্য একটি অতিরিক্ত আইনি হাতিয়ার হিসেবে কাজ করতে পারে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে “রাইট অফ পাবলিসিটি” আইন থাকলেও, ট্রেডমার্ক লঙ্ঘনের মামলা ফেডারেল আদালতে করা যায়- যা সারাদেশে কার্যকর এবং তুলনামূলকভাবে বেশি শক্তিশালী প্রতিরোধ তৈরি করতে সক্ষম।
এআই দ্বারা টেইলর সুইফটের চেহারা ও কণ্ঠ ব্যবহার করে ভুয়া কনটেন্ট তৈরি হওয়ার ঘটনা আগেও ঘটেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নামে বিভ্রান্তিকর ছবি ছড়ানো হয়েছে, এমনকি ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সমর্থন জানিয়েছেন— এমন ভুয়া এআই ছবি প্রচারিত হয়েছিল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি এই ট্রেডমার্কগুলো অনুমোদিত হয়, তাহলে ভবিষ্যতে কোনো এআই প্ল্যাটফর্ম বা প্রতিষ্ঠান তার কণ্ঠ বা চেহারার নকল ব্যবহার করলে ট্রেডমার্ক লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা সম্ভব হবে। এমনকি কপিরাইটের মতোই দ্রুত কনটেন্ট অপসারণের দাবি জানানো যাবে।
তবে এই নতুন আইনি কৌশল এখনও আদালতে পুরোপুরি পরীক্ষা হয়নি। ফলে এর কার্যকারিতা কতটা হবে, তা সময়ই বলে দেবে।
এদিকে, আরেকটি আইনি জটিলতায়ও জড়িয়েছেন এই পপ তারকা। লাস ভেগাসের পারফর্মার মারেন ওয়েড অভিযোগ করেছেন, টেইলর সুইফটের ২০২৫ সালের অ্যালবাম “দ্য লাইফ অফ আ শোগার্ল” তার পূর্বের ট্রেডমার্ক “কনফেসন্স অফ আ শোগার্ল”-এর সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। ইতোমধ্যে “লাইফ অফ আ শোগার্ল” নামের ট্রেডমার্ক আবেদনটি বিভ্রান্তির সম্ভাবনা দেখিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে।
সব মিলিয়ে, প্রযুক্তির এই নতুন যুগে শিল্পীদের পরিচয় ও সৃজনশীল সম্পদ সুরক্ষায় ট্রেডমার্ক আইন কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
দাখিলকৃত আবেদনগুলোর মধ্যে দুটি 'সাউন্ড ট্রেডমার্ক' যেখানে 'হেই, ইটস টেইলর সুইফট' এবং 'হেই, ইটস টেইলর' বাক্যাংশকে তার কণ্ঠের স্বাক্ষর হিসেবে নিবন্ধনের চেষ্টা করা হয়েছে। তৃতীয় আবেদনটি একটি ভিজ্যুয়াল ট্রেডমার্ক, যেখানে তাকে একটি গোলাপি গিটার হাতে, বহু রঙের বডিস্যুট ও রুপালি বুট পরিহিত অবস্থায় মঞ্চে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়- এমন নির্দিষ্ট চিত্রকে সুরক্ষার আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
এই আবেদনগুলো করা হয়েছে তার প্রতিষ্ঠান টাস রাইটস মেনেজমেন্টের মাধ্যমে। বিষয়টি প্রথম প্রকাশ্যে আনেন বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি আইনজীবী জশ গারবেন। তার মতে, বিনোদন জগতের শিল্পীরা ক্রমবর্ধমানভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছেন যে, এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের কণ্ঠ, চেহারা বা ব্যক্তিত্ব অননুমোদিতভাবে নকল বা ব্যবহার করা হতে পারে।
উল্লেখ্য, প্রচলিতভাবে ট্রেডমার্ক আইন কোনো ব্যক্তির সাধারণ চেহারা বা কণ্ঠস্বর সুরক্ষার জন্য তৈরি হয়নি। তবে নতুন এই কৌশলটি ইতোমধ্যে প্রয়োগ করেছেন হলিউড অভিনেতা ম্যাথু ম্যাককনহে। তার বিখ্যাত সংলাপ 'অলরাইট, অলরাইট,অলরাইট!'— যা ১৯৯৩ সালের চলচ্চিত্র ড্যাযেড এন্ড কনফিউসড-এ ব্যবহৃত হয়েছিল- সেটির জন্য তিনি সাউন্ড ট্রেডমার্ক পেয়েছেন। ২০২৫ সালে তার নামে মোট আটটি ট্রেডমার্ক অনুমোদন দেয়।
আইনজীবীদের মতে, “ট্রেডমার্ক ইউরসেলফ” কৌশলটি শিল্পীদের জন্য একটি অতিরিক্ত আইনি হাতিয়ার হিসেবে কাজ করতে পারে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে “রাইট অফ পাবলিসিটি” আইন থাকলেও, ট্রেডমার্ক লঙ্ঘনের মামলা ফেডারেল আদালতে করা যায়- যা সারাদেশে কার্যকর এবং তুলনামূলকভাবে বেশি শক্তিশালী প্রতিরোধ তৈরি করতে সক্ষম।
এআই দ্বারা টেইলর সুইফটের চেহারা ও কণ্ঠ ব্যবহার করে ভুয়া কনটেন্ট তৈরি হওয়ার ঘটনা আগেও ঘটেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নামে বিভ্রান্তিকর ছবি ছড়ানো হয়েছে, এমনকি ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সমর্থন জানিয়েছেন— এমন ভুয়া এআই ছবি প্রচারিত হয়েছিল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি এই ট্রেডমার্কগুলো অনুমোদিত হয়, তাহলে ভবিষ্যতে কোনো এআই প্ল্যাটফর্ম বা প্রতিষ্ঠান তার কণ্ঠ বা চেহারার নকল ব্যবহার করলে ট্রেডমার্ক লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা সম্ভব হবে। এমনকি কপিরাইটের মতোই দ্রুত কনটেন্ট অপসারণের দাবি জানানো যাবে।
তবে এই নতুন আইনি কৌশল এখনও আদালতে পুরোপুরি পরীক্ষা হয়নি। ফলে এর কার্যকারিতা কতটা হবে, তা সময়ই বলে দেবে।
এদিকে, আরেকটি আইনি জটিলতায়ও জড়িয়েছেন এই পপ তারকা। লাস ভেগাসের পারফর্মার মারেন ওয়েড অভিযোগ করেছেন, টেইলর সুইফটের ২০২৫ সালের অ্যালবাম “দ্য লাইফ অফ আ শোগার্ল” তার পূর্বের ট্রেডমার্ক “কনফেসন্স অফ আ শোগার্ল”-এর সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। ইতোমধ্যে “লাইফ অফ আ শোগার্ল” নামের ট্রেডমার্ক আবেদনটি বিভ্রান্তির সম্ভাবনা দেখিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে।
সব মিলিয়ে, প্রযুক্তির এই নতুন যুগে শিল্পীদের পরিচয় ও সৃজনশীল সম্পদ সুরক্ষায় ট্রেডমার্ক আইন কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিনোদন ডেস্ক