সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার তেলিবাজার এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় দুই নারীসহ আটজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ৮ জন। দ্রুতগতি ও নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (৩ মে) সকাল ৬টার দিকে তেলিবাজার এলাকায় কাঁঠালবোঝাই একটি ট্রাক ও শ্রমিকবাহী ডিআই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের গণমাধ্যম কর্মকর্তা মো. মঞ্জুরুল আলম দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ৮ জনের মধ্যে ৬ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- সুনামগঞ্জের ধর্মপাশার ইদ্রিসের স্ত্রী নার্গিস (৪৫), কোম্পানীগঞ্জের শিবপুর গ্রামের কুটির বিশ্বাসের ছেলে পান্ডব বিশ্বাস (২০), সিলেট সদরের জালালাবাদ থানার সুজাত আলীর ছেলে বদরুল (৩০), সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রামের মৃত খরম আলীর ছেলে মো. সুরুজ আলী (৬০), একই গ্রামের আব্দুল বাসিরের মেয়ে মোছা. মুন্নি (২৬), মৃত নূর সালামের ছেলে ফরিদুল (৩৫)।
তাদের বেশিরভাগের বাড়ি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রামের বলে জানা গেছে। তারা বিল্ডিংয়ের ছাদ ঢালাইয়ের কাজে যাচ্ছিলেন।
দূর্ঘটনায় আহত নির্মাণ শ্রমিক আখলস মিয়া বলেন, সকালে নগরের আম্বরখানা এলাকা থেকে ঢালাই কাজের উদ্দেশে তিনিসহ ২০-২২ জন তেলিবাজারে যাচ্ছিলেন। পথে সিলেটগামী কাঁঠাবোঝাই একটি ট্রাকের সাথে তাদের বহনকারী ডিআইট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই ৪ জন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও চারজনের মৃত্যু হয়।
আহতরা সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।সিলেটে মেট্রোপলিটন পুলিশের গণমাধ্যম কর্মকর্তা মো. মঞ্জুরুল আলম এদিনকে জানান, নিহতদের মধ্যে ৬ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেবাকিদের নাম-পরিচয় শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।
রবিবার (৩ মে) সকাল ৬টার দিকে তেলিবাজার এলাকায় কাঁঠালবোঝাই একটি ট্রাক ও শ্রমিকবাহী ডিআই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের গণমাধ্যম কর্মকর্তা মো. মঞ্জুরুল আলম দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত ৮ জনের মধ্যে ৬ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- সুনামগঞ্জের ধর্মপাশার ইদ্রিসের স্ত্রী নার্গিস (৪৫), কোম্পানীগঞ্জের শিবপুর গ্রামের কুটির বিশ্বাসের ছেলে পান্ডব বিশ্বাস (২০), সিলেট সদরের জালালাবাদ থানার সুজাত আলীর ছেলে বদরুল (৩০), সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রামের মৃত খরম আলীর ছেলে মো. সুরুজ আলী (৬০), একই গ্রামের আব্দুল বাসিরের মেয়ে মোছা. মুন্নি (২৬), মৃত নূর সালামের ছেলে ফরিদুল (৩৫)।
তাদের বেশিরভাগের বাড়ি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রামের বলে জানা গেছে। তারা বিল্ডিংয়ের ছাদ ঢালাইয়ের কাজে যাচ্ছিলেন।
দূর্ঘটনায় আহত নির্মাণ শ্রমিক আখলস মিয়া বলেন, সকালে নগরের আম্বরখানা এলাকা থেকে ঢালাই কাজের উদ্দেশে তিনিসহ ২০-২২ জন তেলিবাজারে যাচ্ছিলেন। পথে সিলেটগামী কাঁঠাবোঝাই একটি ট্রাকের সাথে তাদের বহনকারী ডিআইট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই ৪ জন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও চারজনের মৃত্যু হয়।
আহতরা সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।সিলেটে মেট্রোপলিটন পুলিশের গণমাধ্যম কর্মকর্তা মো. মঞ্জুরুল আলম এদিনকে জানান, নিহতদের মধ্যে ৬ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেবাকিদের নাম-পরিচয় শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।
অনলাইন ডেস্ক