রাজশাহীর তানোরে প্রশাসনের নির্দেশ লঙ্ঘন এবং পরিবেশ দুষণ ও জীববৈচিত্র্য হুমকিতে ফেলে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে জোরপুর্বক পুকুর ভরাটের অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার মুন্ডুমালা পৌর এলাকার ময়েনপুর মহল্লায় ৩ বিঘা আয়তনের এই পুকুর ভরাট করা হচ্ছে।
জানা গেছে, রাজশাহীর তানোরের মুন্ডুমালা পৌর এলাকার ময়েনপুর মৌজায়, ২৮২ নম্বর খতিয়ানে ১৭১৯ দাগের ৩ বিঘা আয়তনের পুকুর রয়েছে।ময়েনপুর মহল্লার বাসিন্দা ঝাটু শেখের পুত্র সেন্টু শেখ দিগর এই পুকুর ভরাট করছে।
এঘটনায় গত ২৮ এপ্রিল তাজিমুল ইসলাম বাদি হয়ে সেন্টুসহ ৩ জনকে বিবাদী করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।কিন্ত্ত তারপরও তারা পুকুর ভরাট অব্যাহত রেখেছে।
ভুক্তভোগীরা রাজশাহী জেলা প্রশাসকের (ডিসি) জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এদিকে লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, ক্রয় ও ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত হয়ে ওই পুকুর দীর্ঘদিন যাবত শান্তিপূর্ণভাবে তাজিমুলের পরিবার ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু বিবাদীগণ গত ১০ এপ্রিল থেকে বেআইনিভাবে ও জোরপূর্বক তাদের দখলীয় পুকুরে বাইরে থেকে গাড়ি করে মাটি নিয়ে এসে ভরাট করছে।তারা বাধা দিতে গেলে বিবাদীগণ তাদের হত্যার হুমকি দিচ্ছে।
অন্যদিকে পুকুর ভরাটে অভিনব কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে একেবারে পুকুর ভরাট না করে দু'একদিন পর পর রাঁতের আঁধারে পুকুরে মাটি ফেলা হচ্ছে।গোদাগাড়ী উপজেলার পাকড়ি ইউনিয়ন (ইউপি) থেকে মাটি নিয়ে আসছে। আর ট্রাক্টরে এসব মাটি পরিবহণ করতে গিয়ে এলাকার পাকা-কাচা রাস্তা নস্ট ও পরিবেশ দুষণ করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা বলেন,মহল্লার এই জলাশয় (পুকুর) এটা ভরাট করা হলে অনেক পরিবার চরম বিপাকে পড়বে।বিশেষ করে কৃষক পরিবার যারা গৃহস্থালি কাজের পাশাপাশি এই পুকুরে গরু-মহিষ গোসল করায়।এছাড়াও পুকুর ভরাট হলে মহল্লা মরুভূমি রুপ নিবে।এতে পরিবেশের ওপর বিরুপ প্রভাব ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে। প্রশাসনকে অবজ্ঞা বা চ্যালেঞ্জ করে পুকুরে যে পরিমাণ মাটি ফেলা হয়েছে, সেই মাটি তারা দ্রুত অসারণের দাবি করেছেন। তারা বলেন, প্রশাসনের উচিৎ দ্রুত এসব মাটি অপসারণ করে আইন সবার জন্য সমান সেটা দেখিয়ে দেয়া।
জানা গেছে, প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন, ২০০০ অনুযায়ী, কোনো পুকুর, জলাশয়, খাল ও লেক ভরাট করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। পরিবেশ সংরক্ষণ আইনেও (২০১০ সালে সংশোধিত) যেকোনো ধরনের জলাশয় ভরাট করা নিষিদ্ধ। এ বিষয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) তানোর উপজেলা শাখার সভাপতি মফিজ উদ্দিন বলেন, মুক্ত জলাশয় উদ্ধার করা না গেলে পরিবেশের চরম বিপর্যয় ঘটবে। তিনি বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্য সব জেনে বুঝেও তারা এমন কাজ করেছে, তাই পুকুরের এসব মাটি দ্রুত অপসারণ করা প্রয়োজন।
রাজশাহী পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বলেন, ‘জমির শ্রেণি কী, সেটা না দেখে কিছু বলা যাবে না। তবে পুকুর হলে সেটা ভরাটের কোনো সুযোগ নেই। সরেজমিন তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে সেন্টু এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,এখানে পুকুর নাই,বৃস্টি পানিতে পুকুরের মতো হয়েছে,তাদের বাড়ি করার প্রয়োজনে তারা মাটি ভরাট করছেন।
উপজেলার মুন্ডুমালা পৌর এলাকার ময়েনপুর মহল্লায় ৩ বিঘা আয়তনের এই পুকুর ভরাট করা হচ্ছে।
জানা গেছে, রাজশাহীর তানোরের মুন্ডুমালা পৌর এলাকার ময়েনপুর মৌজায়, ২৮২ নম্বর খতিয়ানে ১৭১৯ দাগের ৩ বিঘা আয়তনের পুকুর রয়েছে।ময়েনপুর মহল্লার বাসিন্দা ঝাটু শেখের পুত্র সেন্টু শেখ দিগর এই পুকুর ভরাট করছে।
এঘটনায় গত ২৮ এপ্রিল তাজিমুল ইসলাম বাদি হয়ে সেন্টুসহ ৩ জনকে বিবাদী করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।কিন্ত্ত তারপরও তারা পুকুর ভরাট অব্যাহত রেখেছে।
ভুক্তভোগীরা রাজশাহী জেলা প্রশাসকের (ডিসি) জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এদিকে লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, ক্রয় ও ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত হয়ে ওই পুকুর দীর্ঘদিন যাবত শান্তিপূর্ণভাবে তাজিমুলের পরিবার ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু বিবাদীগণ গত ১০ এপ্রিল থেকে বেআইনিভাবে ও জোরপূর্বক তাদের দখলীয় পুকুরে বাইরে থেকে গাড়ি করে মাটি নিয়ে এসে ভরাট করছে।তারা বাধা দিতে গেলে বিবাদীগণ তাদের হত্যার হুমকি দিচ্ছে।
অন্যদিকে পুকুর ভরাটে অভিনব কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে একেবারে পুকুর ভরাট না করে দু'একদিন পর পর রাঁতের আঁধারে পুকুরে মাটি ফেলা হচ্ছে।গোদাগাড়ী উপজেলার পাকড়ি ইউনিয়ন (ইউপি) থেকে মাটি নিয়ে আসছে। আর ট্রাক্টরে এসব মাটি পরিবহণ করতে গিয়ে এলাকার পাকা-কাচা রাস্তা নস্ট ও পরিবেশ দুষণ করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা বলেন,মহল্লার এই জলাশয় (পুকুর) এটা ভরাট করা হলে অনেক পরিবার চরম বিপাকে পড়বে।বিশেষ করে কৃষক পরিবার যারা গৃহস্থালি কাজের পাশাপাশি এই পুকুরে গরু-মহিষ গোসল করায়।এছাড়াও পুকুর ভরাট হলে মহল্লা মরুভূমি রুপ নিবে।এতে পরিবেশের ওপর বিরুপ প্রভাব ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে। প্রশাসনকে অবজ্ঞা বা চ্যালেঞ্জ করে পুকুরে যে পরিমাণ মাটি ফেলা হয়েছে, সেই মাটি তারা দ্রুত অসারণের দাবি করেছেন। তারা বলেন, প্রশাসনের উচিৎ দ্রুত এসব মাটি অপসারণ করে আইন সবার জন্য সমান সেটা দেখিয়ে দেয়া।
জানা গেছে, প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন, ২০০০ অনুযায়ী, কোনো পুকুর, জলাশয়, খাল ও লেক ভরাট করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। পরিবেশ সংরক্ষণ আইনেও (২০১০ সালে সংশোধিত) যেকোনো ধরনের জলাশয় ভরাট করা নিষিদ্ধ। এ বিষয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) তানোর উপজেলা শাখার সভাপতি মফিজ উদ্দিন বলেন, মুক্ত জলাশয় উদ্ধার করা না গেলে পরিবেশের চরম বিপর্যয় ঘটবে। তিনি বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্য সব জেনে বুঝেও তারা এমন কাজ করেছে, তাই পুকুরের এসব মাটি দ্রুত অপসারণ করা প্রয়োজন।
রাজশাহী পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বলেন, ‘জমির শ্রেণি কী, সেটা না দেখে কিছু বলা যাবে না। তবে পুকুর হলে সেটা ভরাটের কোনো সুযোগ নেই। সরেজমিন তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে সেন্টু এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,এখানে পুকুর নাই,বৃস্টি পানিতে পুকুরের মতো হয়েছে,তাদের বাড়ি করার প্রয়োজনে তারা মাটি ভরাট করছেন।
আলিফ হোসেন