দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ঘোষণা করা হয় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির নতুন কমিটি।
নবগঠিত এ কমিটিতে পুনরায় সহ-সভাপতি পদে ওবায়দুল্লাহ মাসুদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন দলের পরীক্ষিত, ত্যাগী ও মাঠপর্যায়ের জনপ্রিয় নেতা এসএম মজিদুল ইসলাম। পুনঃনির্বাচনকে ঘিরে জেলা জুড়ে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যা নিয়ে গতকাল ৩০ এপ্রিল দলীয় কার্যালয়ে দলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দলীয় নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানায়, কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও দলের সাংগঠনিক কাঠামো অটুট রাখা, তৃণমূলকে সক্রিয় করা এবং আন্দোলন- সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা রাখার কারণে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তাঁর ওপর পুনরায় আস্থা রেখেছেন। বিগত দায়িত্ব পালনকালে তিনি জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সংগঠনকে সুসংগঠিত ও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন, যে কারণে আবারও পুনরায় দায়িত্ব নির্বাচিত হয়েছেন।
নবনির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম মজিদুল ইসলাম পুনরায় কমিটিতে স্থান পাওয়ায় এক প্রতিক্রিয়ায় জানান, দল আমাকে যে আস্থা ও দায়িত্ব দিয়েছে, তা আমার জন্য সম্মানের পাশাপাশি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আমি অতীতের মতোই সর্বোচ্চ ত্যাগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবো। তৃণমূল পর্যায়ে দলের ভিত্তি আরও মজবুত করা এবং গণমানুষের আস্থা অর্জনে নিরলসভাবে কাজ করে যাব।
সহ-সভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদ বলেন, দলের আদর্শ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবো। যেকোনো পরিস্থিতিতে দলকে সুসংগঠিত রাখা এবং নেতাকর্মীদের পাশে থাকা আমার প্রধান অঙ্গীকার।
এদিকে নতুন কমিটি ঘোষণার পরপরই জেলার বিভিন্ন স্থানে নেতাকর্মীদের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে| কমিটিতে স্থান পেয়েছে সাংবাদিক গোলাম সারোয়ার সম্রাট, উপজেলা পর্যায়ে নির্বাহি সদস্য আতাউর রহমান, আল্লামা ওয়াদুদ বিন নুর আলিফ,শাহাজান আলী,মহশিন আলী, শাহাদাৎ হোসেন,খলিলুর রহমান, কামরুল হুদা,বকুল মজুমদার, সাদেকুল ইসলাম যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জেলা জুড়ে শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও সমর্থনের বন্যা বইছে।
অনেকেই আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে জেলার সাংগঠনিক কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে বিএনপি আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
সর্বোপরি, নতুন এই কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো বলে মনে করছেন সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন।
নবগঠিত এ কমিটিতে পুনরায় সহ-সভাপতি পদে ওবায়দুল্লাহ মাসুদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন দলের পরীক্ষিত, ত্যাগী ও মাঠপর্যায়ের জনপ্রিয় নেতা এসএম মজিদুল ইসলাম। পুনঃনির্বাচনকে ঘিরে জেলা জুড়ে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যা নিয়ে গতকাল ৩০ এপ্রিল দলীয় কার্যালয়ে দলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দলীয় নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানায়, কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও দলের সাংগঠনিক কাঠামো অটুট রাখা, তৃণমূলকে সক্রিয় করা এবং আন্দোলন- সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা রাখার কারণে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তাঁর ওপর পুনরায় আস্থা রেখেছেন। বিগত দায়িত্ব পালনকালে তিনি জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সংগঠনকে সুসংগঠিত ও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন, যে কারণে আবারও পুনরায় দায়িত্ব নির্বাচিত হয়েছেন।
নবনির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম মজিদুল ইসলাম পুনরায় কমিটিতে স্থান পাওয়ায় এক প্রতিক্রিয়ায় জানান, দল আমাকে যে আস্থা ও দায়িত্ব দিয়েছে, তা আমার জন্য সম্মানের পাশাপাশি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আমি অতীতের মতোই সর্বোচ্চ ত্যাগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবো। তৃণমূল পর্যায়ে দলের ভিত্তি আরও মজবুত করা এবং গণমানুষের আস্থা অর্জনে নিরলসভাবে কাজ করে যাব।
সহ-সভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদ বলেন, দলের আদর্শ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবো। যেকোনো পরিস্থিতিতে দলকে সুসংগঠিত রাখা এবং নেতাকর্মীদের পাশে থাকা আমার প্রধান অঙ্গীকার।
এদিকে নতুন কমিটি ঘোষণার পরপরই জেলার বিভিন্ন স্থানে নেতাকর্মীদের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে| কমিটিতে স্থান পেয়েছে সাংবাদিক গোলাম সারোয়ার সম্রাট, উপজেলা পর্যায়ে নির্বাহি সদস্য আতাউর রহমান, আল্লামা ওয়াদুদ বিন নুর আলিফ,শাহাজান আলী,মহশিন আলী, শাহাদাৎ হোসেন,খলিলুর রহমান, কামরুল হুদা,বকুল মজুমদার, সাদেকুল ইসলাম যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জেলা জুড়ে শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও সমর্থনের বন্যা বইছে।
অনেকেই আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে জেলার সাংগঠনিক কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে বিএনপি আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
সর্বোপরি, নতুন এই কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো বলে মনে করছেন সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন।
মোঃ মোবারক আলী, রাণীশংকৈল ঠাকুরগাঁও: