ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় নহনা নদী পুন:খনন নিয়ে গ্রামবাসী ও ঠিকাদারের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার জাউনিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, ইতিপূর্বে দুবার নদীটি খনন করা হয়েছে। নতুন করে খনন করলে তাদের ফসলি জমি ও পরিবেশের ক্ষতি হবে।
অন্যদিকে ঠিকাদারের দাবি, একটি পক্ষ ব্যক্তিগত স্বার্থে সরকারি কাজে বাধা দিচ্ছে। এলাকাবাসী জানান, নহনা নদীর প্রায় ৭.২ কিলোমিটার অংশ পুন:খননের জন্য গত জানুয়ারিতে কার্যাদেশ দেয় এলজিইডি। কিন্তু কাজ শুরু থেকেই বাধা দিয়ে আসছেন স্থানীয়রা। তাদের আশঙ্কা, বারবার খননের ফলে নদীর পাড় ভেঙে আবাদি জমি বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া খনন করা বালু ফসলি জমিতে গিয়ে চাষাবাদের ক্ষতি করছে।
বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসীর পক্ষে লাবলু বলেন,“আমরা জেলা প্রশাসককে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। প্রশাসন তদন্তের কথা বললেও কোনো সুরাহা না করেই ঠিকাদার কাজ শুরু করতে চেয়েছেন। আমরা আমাদের জমি রক্ষা করতে চাই।
তবে নদী পুন:খনন সমিতির সভাপতি ও ঠিকাদার হুমায়ুন কবির দাবি করেন, উন্নয়নের স্বার্থেই এই প্রকল্প। তিনি বলেন, কিছু লোক মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করছে। টাকা না পেয়ে তারা সাধারণ মানুষকে ভুল বুঝিয়ে কাজে বাধা দিচ্ছে। আমরা থানায় অভিযোগ করেছি।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার জাউনিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, ইতিপূর্বে দুবার নদীটি খনন করা হয়েছে। নতুন করে খনন করলে তাদের ফসলি জমি ও পরিবেশের ক্ষতি হবে।
অন্যদিকে ঠিকাদারের দাবি, একটি পক্ষ ব্যক্তিগত স্বার্থে সরকারি কাজে বাধা দিচ্ছে। এলাকাবাসী জানান, নহনা নদীর প্রায় ৭.২ কিলোমিটার অংশ পুন:খননের জন্য গত জানুয়ারিতে কার্যাদেশ দেয় এলজিইডি। কিন্তু কাজ শুরু থেকেই বাধা দিয়ে আসছেন স্থানীয়রা। তাদের আশঙ্কা, বারবার খননের ফলে নদীর পাড় ভেঙে আবাদি জমি বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া খনন করা বালু ফসলি জমিতে গিয়ে চাষাবাদের ক্ষতি করছে।
বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসীর পক্ষে লাবলু বলেন,“আমরা জেলা প্রশাসককে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। প্রশাসন তদন্তের কথা বললেও কোনো সুরাহা না করেই ঠিকাদার কাজ শুরু করতে চেয়েছেন। আমরা আমাদের জমি রক্ষা করতে চাই।
তবে নদী পুন:খনন সমিতির সভাপতি ও ঠিকাদার হুমায়ুন কবির দাবি করেন, উন্নয়নের স্বার্থেই এই প্রকল্প। তিনি বলেন, কিছু লোক মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করছে। টাকা না পেয়ে তারা সাধারণ মানুষকে ভুল বুঝিয়ে কাজে বাধা দিচ্ছে। আমরা থানায় অভিযোগ করেছি।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি