ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় দুই সরকারি দপ্তরের সমন্বয়হীনতায় নাগরিক সেবা পেতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এক সাবেক সেনাকর্মকর্তা। ভূমি অফিস ও সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা রশি টানাটানির কারণে দুই মাসেও মিলছে না প্রয়োজনীয় তথ্য ও সেবা।
জানা গেছে, অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক কল্যাণ সংস্থা খাস জমি বন্দোবস্তের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করে। এর প্রেক্ষিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মজিবুর রহমান ১২ মাসের গড় মূল্য নির্ধারণ করে সংশ্লিষ্ট অফিসের জারি কারক আতাউর রহমান ও অফিস সহায়ক আহসান হাবিবের মাধ্যমে তা হাতে হাতে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেন। যাহার স্মারক নং ৩১,৫৫,৯৪৮৬,০০০,০০,০০০,২০; তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি।
তবে অভিযোগ উঠেছে, নির্দেশনা অনুযায়ী কার্যক্রম এগোয়নি। ভূমি অফিস ও সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের মধ্যে দায়িত্ব পালনে গড়িমসি ও সমন্বয়হীনতার কারণে
আবেদনটি দীর্ঘদিন ঝুলে আছে| এতে করে সেবা প্রত্যাশী সাবেক সেনাকর্মকর্তাকে দপ্তর দুটির দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে অবসরপ্রাপ্ত ˆসনিক কল্যাণ সংস্থার সভাপতি শামসুদ্দিন বলেন,সাব-রেজিস্ট্রার আমাদের বলেছিলেন, ভূমি অফিসের দুজন কর্মকর্তা নিয়ে বিষয়টি বুঝিয়ে দেবেন। কিন্তু দুই মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো সমাধান হয়নি। প্রতিদিন ‘আজ-কাল’ বলে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন,সরকার পরিবর্তন হলেও সরকারি কর্মকর্তাদের চরিত্র এখনো বদলায়নি। এ জটিলতার নিরসন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
অপরদিকে আদালতে ১৪৪ ধারা মামলার নথি পাওয়ার ৩মাস পেরিয়ে গেলেও উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন উপজেলার খঞ্জনা গ্রামের মেরি সাথী। তিনি আশংঙ্খা প্রকাশ করছেন যথা সময়ে আদালতে প্রতিবেদন না দেওয়ায় রক্তক্ষয়ি সংর্ঘষ হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
সাব-রেজিষ্টার রেজাউল করিম বলেন, সরকারি যে কোন ধরণের অধিগ্রহন কর্মকান্ডে আমাদের কাছে আসলে সেই মনোনীত ব্যাক্তি কে আমরা দিয়ে দিব। ২মাসেও কাজটি না হওয়া প্রসঙ্গে সাব-রেজিষ্টার বলেন, কাজটি কেন হয় নাই তা আমি একা বলতে পারবো না।
উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা ও সহকারি কমিশনার ভ’মি খাজিদা বেগম (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি আমি জানি না। আমাকে আগে অফিসিয়ালি ভাবে জানতে হবে, তারপর বলতে পারবো।
জানা গেছে, অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক কল্যাণ সংস্থা খাস জমি বন্দোবস্তের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করে। এর প্রেক্ষিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মজিবুর রহমান ১২ মাসের গড় মূল্য নির্ধারণ করে সংশ্লিষ্ট অফিসের জারি কারক আতাউর রহমান ও অফিস সহায়ক আহসান হাবিবের মাধ্যমে তা হাতে হাতে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেন। যাহার স্মারক নং ৩১,৫৫,৯৪৮৬,০০০,০০,০০০,২০; তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি।
তবে অভিযোগ উঠেছে, নির্দেশনা অনুযায়ী কার্যক্রম এগোয়নি। ভূমি অফিস ও সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের মধ্যে দায়িত্ব পালনে গড়িমসি ও সমন্বয়হীনতার কারণে
আবেদনটি দীর্ঘদিন ঝুলে আছে| এতে করে সেবা প্রত্যাশী সাবেক সেনাকর্মকর্তাকে দপ্তর দুটির দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে অবসরপ্রাপ্ত ˆসনিক কল্যাণ সংস্থার সভাপতি শামসুদ্দিন বলেন,সাব-রেজিস্ট্রার আমাদের বলেছিলেন, ভূমি অফিসের দুজন কর্মকর্তা নিয়ে বিষয়টি বুঝিয়ে দেবেন। কিন্তু দুই মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো সমাধান হয়নি। প্রতিদিন ‘আজ-কাল’ বলে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন,সরকার পরিবর্তন হলেও সরকারি কর্মকর্তাদের চরিত্র এখনো বদলায়নি। এ জটিলতার নিরসন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
অপরদিকে আদালতে ১৪৪ ধারা মামলার নথি পাওয়ার ৩মাস পেরিয়ে গেলেও উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন উপজেলার খঞ্জনা গ্রামের মেরি সাথী। তিনি আশংঙ্খা প্রকাশ করছেন যথা সময়ে আদালতে প্রতিবেদন না দেওয়ায় রক্তক্ষয়ি সংর্ঘষ হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
সাব-রেজিষ্টার রেজাউল করিম বলেন, সরকারি যে কোন ধরণের অধিগ্রহন কর্মকান্ডে আমাদের কাছে আসলে সেই মনোনীত ব্যাক্তি কে আমরা দিয়ে দিব। ২মাসেও কাজটি না হওয়া প্রসঙ্গে সাব-রেজিষ্টার বলেন, কাজটি কেন হয় নাই তা আমি একা বলতে পারবো না।
উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা ও সহকারি কমিশনার ভ’মি খাজিদা বেগম (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি আমি জানি না। আমাকে আগে অফিসিয়ালি ভাবে জানতে হবে, তারপর বলতে পারবো।
মোঃ মোবারক আলী, রাণীশংকৈল ঠাকুরগাঁও: