ঢাকা , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ , ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেন থেকে পড়লো শিশু, বাবাও দিলেন ঝাঁপ– উপর দিয়ে গেল ৮ বগি রাসিকের প্রশাসকের সাথে বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রুয়েট উপাচার্যের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ভারতের সহকারী হাইকমিশনার রাসিক প্রশাসকের সাথে কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাসিক প্রশাসকের সাথে জাতীয় দলের সাবেক খেলোয়াড়বৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ভাগাভাগি করতে আগ্রহী ইরান পাবনায় ফেন্সিডিল ও ইস্কাফসহ মা-ছেলে গ্রেপ্তার ভোলায় গরু চুরিতে দিশেহারা চরবাসী,এক রাতেই নিঃস্ব কৃষক বিদেশফেরত চিকিৎসকের বাড়িতে লুটপাটের পর আগুন তানোরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু আত্রাইয়ে স্ত্রীকে তুলে নিতে এসে স্বামীসহ সাত জন আটক মেয়ের বিয়ের আগের রাতে স্ত্রীকে মেরে ফেললেন স্বামী টয়লেটে গিয়ে মোবাইলে প্রশ্ন সমাধান করছিল এসএসসি পরীক্ষার্থী হাত-পা বাঁধা ও বিবস্ত্র অবস্থায় ধানক্ষেতে পড়ে ছিলেন প্রতিবন্ধী তরুণী ট্রাফিক পুলিশকে লাঞ্ছিত করায় শ্যালক-দুলাভাই গ্রেপ্তার পানির নিচে পাকা ধান, ঘরে তুলতে লড়ছেন নারীরা পুলিশে নতুন করে সাড়ে ১৪ হাজার পদ সৃষ্টি হচ্ছে মেয়াদ শেষে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী-প্রধান উপদেষ্টা ৬ মাস ভিভিআইপি নোয়াখালীতে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ১, আহত ৮ সিংড়ায় চাউল-পানির বিষক্রিয়ায় ৮জন ধান কাটা শ্রমিক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি

এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ভাগাভাগি করতে আগ্রহী ইরান

  • আপলোড সময় : ২৮-০৪-২০২৬ ০৯:১৮:১৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৮-০৪-২০২৬ ০৯:১৮:১৮ অপরাহ্ন
এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ভাগাভাগি করতে আগ্রহী ইরান এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ভাগাভাগি করতে আগ্রহী ইরান

এশিয়ার দেশগুলো বিশেষ করে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও উন্নত সমরাস্ত্র ভাগাভাগি করে নিতে প্রস্তুত রয়েছে ইরান। দেশটির উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী রেজা তালাই-নিক এমনটা জানিয়েছেন।

গত সোমবার (২৭ এপ্রিল) কিরগিজস্তানে অনুষ্ঠিত এসসিও সদস্য দেশগুলোর প্রতিরক্ষা মন্ত্রীদের এক বৈঠকে তালাই-নিক বলেন, ‘আমরা স্বাধীন দেশ এবং বিশেষ করে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সদস্যদের সঙ্গে আমাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ভাগ করে নিতে প্রস্তুত।’ তিনি আরও বলেন, আমেরিকার পরাজয়ের অভিজ্ঞতাগুলো আমরা এই সংস্থার অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে বিনিময় করতে আগ্রহী।

বৈঠকের পাশাপাশি রেজা তালাই-নিক সম্প্রতি রাশিয়া ও বেলারুশের প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন। সেখানে মস্কো ও মিনস্কের কর্মকর্তারা তেহরানের সঙ্গে সামরিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে তাদের দৃঢ় ইচ্ছার কথা পুনর্ব্যক্ত করেনG
 
গত ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে এপ্রিলের শুরু পর্যন্ত ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাথে একটি যুদ্ধে লিপ্ত ছিল। এই সময়ে দেশটি পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি এবং ইসরাইলি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে একের পর এক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে এবং একই সাথে নিজেদের আকাশসীমায় মাঝে মাঝে মার্কিন আকাশ লক্ষ্যবস্তু, প্রধানত ড্রোন, ভূপাতিত করে। এর মধ্যদিয়ে তেহরান কার্যত তাদের উন্নত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা প্রমাণ করেছে।   
 
সিবিএস নিউজ একাধিক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইরান এখনও এমন সামরিক সক্ষমতা ধরে রেখেছে, যা হোয়াইট হাউস বা পেন্টাগন প্রকাশ্যে স্বীকার করেনি। গোয়েন্দা তথ্য সম্পর্কে অবগত তিনজন কর্মকর্তা বলেন, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ ও সংশ্লিষ্ট উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার প্রায় অর্ধেক এখনো অক্ষত রয়েছে।
 
তারা আরও জানান, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসির নৌবাহিনীর প্রায় ৬০ শতাংশ এখনও সক্রিয়, যার মধ্যে দ্রুতগতির আক্রমণ নৌযানও রয়েছে। পাশাপাশি ইরানের বিমানবাহিনীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এখনও কার্যকর বলে ধারণা করা হচ্ছে।
 
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির (ডিআইএ) একটি মূল্যায়নও এ দাবি চ্যালেঞ্জ করেছে যে ইরানের বিমানবাহিনী পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে বা তাদের নৌবাহিনী সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন।
 
সংস্থাটির প্রধান মেরিন লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেমস অ্যাডামস বলেন, ‘ক্ষমতা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ও একমুখী হামলাকারী ড্রোন রয়েছে, যা পুরো অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে।’
 
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা থেকেও বোঝা যায়, তাদের সামরিক শক্তি ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়েছে—এমন দাবি পুরোপুরি সত্য নয়। সংঘাত চলাকালে ইরান তাদের প্রতিপক্ষ-সম্পৃক্ত জাহাজগুলোকে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে চলাচল করতে দেয়নি।
 
যুদ্ধবিরতি এবং তেহরান-ওয়াশিংটনের আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ আরোপ করে, যাতে ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়। কিন্তু এতে তেমন ফল হয়নি। বরং ইরান ওই জলপথে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করেছে এবং অনুমতি ছাড়া প্রবেশের চেষ্টা করা অন্তত দুটি জাহাজ জব্দ করেছে।
 
সব মিলিয়ে ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করতে যুক্তরাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে—এমন ইঙ্গিত মিলছে। একই সঙ্গে এই যুদ্ধের বৃহত্তর প্রভাবও এখন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
রাজশাহীতে আইনগত সহায়তা দিবস: ৬২১টি বিরোধ নিষ্পত্তি

রাজশাহীতে আইনগত সহায়তা দিবস: ৬২১টি বিরোধ নিষ্পত্তি