রাজশাহী খাদ্য বিভাগে অনিয়মের মাধ্যমে বদলির অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে খাদ্য বিভাগের অভ্যন্তরে ব্যাপক সমালোচনার সৃস্টি হয়েছে।
জানা গেছে, ২০২৬ সালের ২৩ এপ্রিল স্মারক (নম্বর: ১৩.০০.০০০০.০০০.০২২.৯৯.০০০১.২৬.১৫) উপসচিব আবু নাসার উদ্দিন (অতিরিক্ত দায়িত্ব) স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বলা হয়েছে সরকারি পর্যায়ে বোরো সংগ্রহ কার্যক্রমে খাদ্য অধিদপ্তরের এলএসডি, সিএসডি ও সাইলোসমূহে দায়িত্বরত কর্মকর্তাগণ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
বোরো সংগ্রহ মৌসুম ২০২৬ এ কাঙ্খিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং সংগ্রহ কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন ও নির্বিঘ্ন রাখার লক্ষ্যে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এলএসডিসমূহের (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা, সিএসডিসমূহের ব্যবস্থাপক ও সাইলোসমূহের সাইলো অধীক্ষকগণের বদলি-পদায়ন স্থগিত থাকবে। তবে অবসর ও মৃত্যুজনিত কারণে কোনো পদশূন্যতা সৃষ্টি হলে বা গুরুতর অসুস্থতাজনিত কারণে জরুরী বিবেচনায় মহাপরিচালক, খাদ্য অধিদপ্তর, খাদ্য মন্ত্রণালয়কে অবহিত রেখে বদলি বা পদায়ন করতে পারেন।
সুত্র জানায়, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর খাদ্য বিভাগকে অনিয়ম ও দুর্নীতিমুক্ত করতে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব খাদ্য অধিদপ্তরের মাঠ প্রশাসনের সকল ধরনের বদলি কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করেন। কারণ হিসেবে জানা যায় মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বদলির ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে যা সংশ্লিষ্ট মহলে বহুল আলোচিত।
অথচ এমন পরিস্থিতির মধ্যেই রাজশাহীর তানোর উপজেলা সরকারি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) মকুল টুডুকে খাদ্য পরিদর্শক করে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার (ডিসিফুড) কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে এবং জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের (ডিসিফুড) খাদ্য পরিদর্শক আফরোজাকে তানোর উপজেলা সরকারি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) হিসেবে ন্যস্ত করা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খাদ্য বিভাগের একটি সূত্র জানায়, উক্ত বদলি প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণভাবে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় মহলে নানা আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তারা এবিষয়ে অধিকতর তদন্তের দাবি করেছেন।
এবিষয়ে তানোর সরকারি খাদ্য গুদামের নবাগত কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) আফরোজা বলেন,স্বাভাবিক নিয়মে বদলি হয়েছে।
এবিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (ডিসিফুড) বলেন,এবিষয়ে আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (আরসি ফুড) মহোদয় ভাল বলতে পারবেন।
এবিষয়ে আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (আরসিফুড) মাইন উদ্দিন বলেন,অফিস আদেশ আশার আগেই তাদের বদলি করা হয়েছে।তিনি বলেন,অডিট ও বস্তার জন্য বদলি করা হয়,এটা স্বাভাবিক পক্রিয়া।
জানা গেছে, ২০২৬ সালের ২৩ এপ্রিল স্মারক (নম্বর: ১৩.০০.০০০০.০০০.০২২.৯৯.০০০১.২৬.১৫) উপসচিব আবু নাসার উদ্দিন (অতিরিক্ত দায়িত্ব) স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বলা হয়েছে সরকারি পর্যায়ে বোরো সংগ্রহ কার্যক্রমে খাদ্য অধিদপ্তরের এলএসডি, সিএসডি ও সাইলোসমূহে দায়িত্বরত কর্মকর্তাগণ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
বোরো সংগ্রহ মৌসুম ২০২৬ এ কাঙ্খিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং সংগ্রহ কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন ও নির্বিঘ্ন রাখার লক্ষ্যে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এলএসডিসমূহের (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা, সিএসডিসমূহের ব্যবস্থাপক ও সাইলোসমূহের সাইলো অধীক্ষকগণের বদলি-পদায়ন স্থগিত থাকবে। তবে অবসর ও মৃত্যুজনিত কারণে কোনো পদশূন্যতা সৃষ্টি হলে বা গুরুতর অসুস্থতাজনিত কারণে জরুরী বিবেচনায় মহাপরিচালক, খাদ্য অধিদপ্তর, খাদ্য মন্ত্রণালয়কে অবহিত রেখে বদলি বা পদায়ন করতে পারেন।
সুত্র জানায়, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর খাদ্য বিভাগকে অনিয়ম ও দুর্নীতিমুক্ত করতে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব খাদ্য অধিদপ্তরের মাঠ প্রশাসনের সকল ধরনের বদলি কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করেন। কারণ হিসেবে জানা যায় মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বদলির ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে যা সংশ্লিষ্ট মহলে বহুল আলোচিত।
অথচ এমন পরিস্থিতির মধ্যেই রাজশাহীর তানোর উপজেলা সরকারি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) মকুল টুডুকে খাদ্য পরিদর্শক করে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার (ডিসিফুড) কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে এবং জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের (ডিসিফুড) খাদ্য পরিদর্শক আফরোজাকে তানোর উপজেলা সরকারি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) হিসেবে ন্যস্ত করা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খাদ্য বিভাগের একটি সূত্র জানায়, উক্ত বদলি প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণভাবে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় মহলে নানা আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তারা এবিষয়ে অধিকতর তদন্তের দাবি করেছেন।
এবিষয়ে তানোর সরকারি খাদ্য গুদামের নবাগত কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) আফরোজা বলেন,স্বাভাবিক নিয়মে বদলি হয়েছে।
এবিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (ডিসিফুড) বলেন,এবিষয়ে আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (আরসি ফুড) মহোদয় ভাল বলতে পারবেন।
এবিষয়ে আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (আরসিফুড) মাইন উদ্দিন বলেন,অফিস আদেশ আশার আগেই তাদের বদলি করা হয়েছে।তিনি বলেন,অডিট ও বস্তার জন্য বদলি করা হয়,এটা স্বাভাবিক পক্রিয়া।
আলিফ হোসেন