এসএসসি ও সমমানের চলমান পরীক্ষায় নকল নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানের ফলে সরাসরি অনিয়ম অনেকাংশে কমলেও নতুনভাবে বিপাকে পড়ছেন ভালো শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষার হলে পাশের দুর্বল শিক্ষার্থীদের বারবার ‘খোঁচাখুঁচি’ ও উত্তর জানতে বিরক্ত করার কারণে মেধাবী পরীক্ষার্থীদের মনোযোগ নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, পরীক্ষার শুরু থেকেই অনেক কেন্দ্রে দুর্বল শিক্ষার্থীরা পাশের ভালো শিক্ষার্থীদের কলম দিয়ে খোঁচা দিয়ে প্রশ্নের উত্তর জানতে চায়। এতে পরীক্ষার সময় ভালো শিক্ষার্থীরা মানসিক চাপ, অস্থিরতা ও বিরক্তির মধ্যে পড়ছে।
মাদারীপুর জেলার নন্দকুমার মডেল ইনস্টিটিউশন কেন্দ্রের এক মেধাবী শিক্ষার্থী এবং ঢাকার মুরাদপুর এলাকার একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা এক অভিভাবক জানান, পাশের দুর্বল শিক্ষার্থীরা একাধিকবার কলম দিয়ে খোঁচা দিয়ে উত্তর জানার চেষ্টা করে।
তারা বলেন, সরাসরি কিছু বলতে গেলে পরীক্ষার হলে ঝামেলা বা বিরূপ পরিস্থিতির আশঙ্কায় অধিকাংশ শিক্ষার্থী নীরবে বিষয়টি সহ্য করছে।
এ বিষয়ে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড-এর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তারা জানান, পরীক্ষার হলে কোনো শিক্ষার্থী যাতে ঘাড় ঘুরিয়ে অন্যের খাতা দেখতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা শুরুর আগে চেয়ারম্যানের সঙ্গে কেন্দ্র সচিবদের মতবিনিময় সভায়ও এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়।
তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনেক শিক্ষার্থী ঘাড় না ঘুরিয়েই পাশের বা সামনের শিক্ষার্থীকে কলম দিয়ে খোঁচা দিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছে, যা নীরবে পরীক্ষার পরিবেশ ব্যাহত করছে।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তারা আরও জানান, কোনো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে বহিষ্কারের বিধান রয়েছে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নকল প্রতিরোধের পাশাপাশি পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীদের আসনবিন্যাস, কক্ষ পরিদর্শকদের সক্রিয় নজরদারি এবং তাৎক্ষণিক অভিযোগ গ্রহণের ব্যবস্থা জোরদার করা হলে এ ধরনের সমস্যা কমানো সম্ভব।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, পরীক্ষার শুরু থেকেই অনেক কেন্দ্রে দুর্বল শিক্ষার্থীরা পাশের ভালো শিক্ষার্থীদের কলম দিয়ে খোঁচা দিয়ে প্রশ্নের উত্তর জানতে চায়। এতে পরীক্ষার সময় ভালো শিক্ষার্থীরা মানসিক চাপ, অস্থিরতা ও বিরক্তির মধ্যে পড়ছে।
মাদারীপুর জেলার নন্দকুমার মডেল ইনস্টিটিউশন কেন্দ্রের এক মেধাবী শিক্ষার্থী এবং ঢাকার মুরাদপুর এলাকার একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা এক অভিভাবক জানান, পাশের দুর্বল শিক্ষার্থীরা একাধিকবার কলম দিয়ে খোঁচা দিয়ে উত্তর জানার চেষ্টা করে।
তারা বলেন, সরাসরি কিছু বলতে গেলে পরীক্ষার হলে ঝামেলা বা বিরূপ পরিস্থিতির আশঙ্কায় অধিকাংশ শিক্ষার্থী নীরবে বিষয়টি সহ্য করছে।
এ বিষয়ে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড-এর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তারা জানান, পরীক্ষার হলে কোনো শিক্ষার্থী যাতে ঘাড় ঘুরিয়ে অন্যের খাতা দেখতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা শুরুর আগে চেয়ারম্যানের সঙ্গে কেন্দ্র সচিবদের মতবিনিময় সভায়ও এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়।
তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনেক শিক্ষার্থী ঘাড় না ঘুরিয়েই পাশের বা সামনের শিক্ষার্থীকে কলম দিয়ে খোঁচা দিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছে, যা নীরবে পরীক্ষার পরিবেশ ব্যাহত করছে।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তারা আরও জানান, কোনো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে বহিষ্কারের বিধান রয়েছে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নকল প্রতিরোধের পাশাপাশি পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীদের আসনবিন্যাস, কক্ষ পরিদর্শকদের সক্রিয় নজরদারি এবং তাৎক্ষণিক অভিযোগ গ্রহণের ব্যবস্থা জোরদার করা হলে এ ধরনের সমস্যা কমানো সম্ভব।
অনলাইন ডেস্ক