রাজশাহী বিভাগে চলমান হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের অগ্রগতি ও ঘাটতি পর্যালোচনার জন্য বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির সভা আজ রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকালে স্বাস্থ্যের বিভাগীয় পরিচালকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ।
সভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি জানান, পঞ্চগড়, লালমনিরহাট ও রাঙ্গামাটি ছাড়া দেশের ৬১টি জেলাতে হাম ছড়িয়ে পড়েছে। দেড় মাসের শিশু থেকে ৭০ বছর বয়সি হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। উন্নত দেশগুলোতে হামজনিত মৃত্যুর হার ১ থেকে ৩ শতাংশ হলেও বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে এটা ১০ শতাংশ পর্যন্ত দেখা যায়।
তিনি বলেন, ২০ এপ্রিল থেকে হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হলেও রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী, পাবনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার হামের হট স্পটগুলোতে ৫ এপ্রিল থেকেই টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। এবার সাধারণ মানুষ অত্যন্ত আগ্রহের সাথে তাদের বাচ্চাদের টিকা দিচ্ছে। গত ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত এই বিভাগে টিকাদানের যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল, প্রকৃত টিকাদান তার চেয়ে বেশি হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচ বছর ঊর্ধ্ব কিছু শিশু যেমন টিকা নিয়েছে, তেমনি পাঁচ বছরের নিচের ৫ থেকে ৬ শতাংশ শিশু টিকার বাইরে থেকে গেছে। প্রান্তিক পর্যায়ের অসচেতন বাবা-মা, বিশেষকরে যারা উভয়ই কাজের জন্য প্রতিদিন শিশুকে বাড়িতে রেখে বাইরে চলে যায়, তাদের কিছু শিশু এ টিকা থেকে বাদ পড়ে যাচ্ছে।
সভাপতির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, আজকের সমন্বয় সভায় যে-সব সমস্যা বা ঘাটতিগুলো চিহ্নিত হয়েছে, সেগুলো ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকদেরকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারা এসব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা একেক জন একেক কাজ করি। আবার সবাই মিলে সবার কাজও করি। আমাদের বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে ভালো সমন্বয় আছে। সম্মিলিতভাবে আমরা হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন সফল করব। এসময় তিনি ভ্রাম্যমাণ টিম দিয়ে বাদ পড়া শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. খন্দকার মো. ফয়সাল আলম, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, স্বাস্থ্যের বিভাগীয় পরিচালক ডা. মো. হাবিবুর রহমান, সমাজসেবা দপ্তরের পরিচালক সৈয়দ মোস্তাক হাসান, পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের পরিচালক ড. কস্তুরী আমিনা কুইন, উপপুলিশ কমিশনার মো. গাজিউর রহমান, সিভিল সার্জন ডা. এস.আই.এম রাজিউল করিম প্রমুখ বক্তৃতা করেন। হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ উপলক্ষ্যে গঠিত বিভাগীয় সমন্বয় সভার সদস্যবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
টলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন। যে কারণে দিবসটি পালনের জন্য ২৬ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়।
সভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি জানান, পঞ্চগড়, লালমনিরহাট ও রাঙ্গামাটি ছাড়া দেশের ৬১টি জেলাতে হাম ছড়িয়ে পড়েছে। দেড় মাসের শিশু থেকে ৭০ বছর বয়সি হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। উন্নত দেশগুলোতে হামজনিত মৃত্যুর হার ১ থেকে ৩ শতাংশ হলেও বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে এটা ১০ শতাংশ পর্যন্ত দেখা যায়।
তিনি বলেন, ২০ এপ্রিল থেকে হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হলেও রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী, পাবনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার হামের হট স্পটগুলোতে ৫ এপ্রিল থেকেই টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। এবার সাধারণ মানুষ অত্যন্ত আগ্রহের সাথে তাদের বাচ্চাদের টিকা দিচ্ছে। গত ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত এই বিভাগে টিকাদানের যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল, প্রকৃত টিকাদান তার চেয়ে বেশি হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচ বছর ঊর্ধ্ব কিছু শিশু যেমন টিকা নিয়েছে, তেমনি পাঁচ বছরের নিচের ৫ থেকে ৬ শতাংশ শিশু টিকার বাইরে থেকে গেছে। প্রান্তিক পর্যায়ের অসচেতন বাবা-মা, বিশেষকরে যারা উভয়ই কাজের জন্য প্রতিদিন শিশুকে বাড়িতে রেখে বাইরে চলে যায়, তাদের কিছু শিশু এ টিকা থেকে বাদ পড়ে যাচ্ছে।
সভাপতির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, আজকের সমন্বয় সভায় যে-সব সমস্যা বা ঘাটতিগুলো চিহ্নিত হয়েছে, সেগুলো ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকদেরকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারা এসব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা একেক জন একেক কাজ করি। আবার সবাই মিলে সবার কাজও করি। আমাদের বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে ভালো সমন্বয় আছে। সম্মিলিতভাবে আমরা হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন সফল করব। এসময় তিনি ভ্রাম্যমাণ টিম দিয়ে বাদ পড়া শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. খন্দকার মো. ফয়সাল আলম, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, স্বাস্থ্যের বিভাগীয় পরিচালক ডা. মো. হাবিবুর রহমান, সমাজসেবা দপ্তরের পরিচালক সৈয়দ মোস্তাক হাসান, পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের পরিচালক ড. কস্তুরী আমিনা কুইন, উপপুলিশ কমিশনার মো. গাজিউর রহমান, সিভিল সার্জন ডা. এস.আই.এম রাজিউল করিম প্রমুখ বক্তৃতা করেন। হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ উপলক্ষ্যে গঠিত বিভাগীয় সমন্বয় সভার সদস্যবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
টলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন। যে কারণে দিবসটি পালনের জন্য ২৬ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :