২০২৫ সালে দক্ষিণী অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়াকে নিয়ে করা একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়েছিল বিনোদন দুনিয়া। অন্নু কাপুরের সেই ‘দুধিয়া বদন’ বা ‘দুধের মতো শরীর’ মন্তব্য ঘিরে ধেয়ে এসেছিল তীব্র কটাক্ষ। দীর্ঘ নীরবতার পর সম্প্রতি একটি পডকাস্টে সেই পুরনো বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন বর্ষীয়ান অভিনেতা, পরিচালক তথা সঙ্গীতশিল্পী অন্নু কাপুর।
বিতর্কের সাফাই দিয়ে অন্নু জানান, গত বছর আমেরিকায় একটি শো চলাকালীন ক্রিয়েটিভ টিমের পরামর্শে তিনি ‘আজ কি রাত’ গানটি শোনেন। গানটির কম্পোজিশন এবং তামান্নার নাচের প্রশংসা করলেও তাঁর কোনও কুরুচিকর উদ্দেশ্য ছিল না। অন্নুর অভিযোগ, মাতৃভাষায় মন্তব্য করার কারণেই সেটিকে ‘যৌনগন্ধী’ হিসেবে দেখা হয়েছে। তাঁর দাবি, “এই কথাটাই যদি ইংরেজিতে ‘মিল্কি বডি’ বলতাম, তবে হয়তো কোনও সমস্যা হতো না। হিন্দি বা উর্দুতে বলেছি বলেই আমাকে ‘বুড়ো’ বলে ট্রোল করা হয়েছে।”
৭১ বছর বয়সী এই অভিনেতা আরও স্পষ্ট করেন যে, কারও শারীরিক সৌন্দর্যের প্রশংসা করা মানেই তাঁর চরিত্রকে কলুষিত করা নয়। তাঁর কথায়, “তামান্না আমার সন্তানসম। কোনও লালসা থেকে আমি এই মন্তব্য করিনি। যদি কোনওদিন তামান্না নিজে এসে বলে যে তাঁর খারাপ লেগেছে, তবে আমি তাঁর পা ধরে ক্ষমা চাইতে রাজি আছি।” যদিও তামান্না আগেই জানিয়েছিলেন যে এই ধরনের তকমা তাঁর পছন্দ নয়।
পুরনো প্রসঙ্গ টেনে অন্নু তামান্নাকেও পাল্টা খোঁচা দিতে ছাড়েননি। অভিনেত্রী এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছিলেন যে তাঁর গানটি এতটাই জনপ্রিয় যে বাচ্চারাও সেটি শুনে ঘুমিয়ে পড়ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে অন্নু প্রশ্ন তোলেন, “কত বছর বয়সী বাচ্চারা এই গান শুনে ঘুমায়? সত্তর বছরের বাচ্চাও তো হতে পারে!” নিজের অবস্থানে অনড় থেকে অন্নু কাপুর জানান, তিনি কেবল একজন গুণগ্রাহী হিসেবেই প্রশংসা করেছিলেন এবং একে বিতর্কিত রূপ দেওয়া অনুচিত।
বিতর্কের সাফাই দিয়ে অন্নু জানান, গত বছর আমেরিকায় একটি শো চলাকালীন ক্রিয়েটিভ টিমের পরামর্শে তিনি ‘আজ কি রাত’ গানটি শোনেন। গানটির কম্পোজিশন এবং তামান্নার নাচের প্রশংসা করলেও তাঁর কোনও কুরুচিকর উদ্দেশ্য ছিল না। অন্নুর অভিযোগ, মাতৃভাষায় মন্তব্য করার কারণেই সেটিকে ‘যৌনগন্ধী’ হিসেবে দেখা হয়েছে। তাঁর দাবি, “এই কথাটাই যদি ইংরেজিতে ‘মিল্কি বডি’ বলতাম, তবে হয়তো কোনও সমস্যা হতো না। হিন্দি বা উর্দুতে বলেছি বলেই আমাকে ‘বুড়ো’ বলে ট্রোল করা হয়েছে।”
৭১ বছর বয়সী এই অভিনেতা আরও স্পষ্ট করেন যে, কারও শারীরিক সৌন্দর্যের প্রশংসা করা মানেই তাঁর চরিত্রকে কলুষিত করা নয়। তাঁর কথায়, “তামান্না আমার সন্তানসম। কোনও লালসা থেকে আমি এই মন্তব্য করিনি। যদি কোনওদিন তামান্না নিজে এসে বলে যে তাঁর খারাপ লেগেছে, তবে আমি তাঁর পা ধরে ক্ষমা চাইতে রাজি আছি।” যদিও তামান্না আগেই জানিয়েছিলেন যে এই ধরনের তকমা তাঁর পছন্দ নয়।
পুরনো প্রসঙ্গ টেনে অন্নু তামান্নাকেও পাল্টা খোঁচা দিতে ছাড়েননি। অভিনেত্রী এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছিলেন যে তাঁর গানটি এতটাই জনপ্রিয় যে বাচ্চারাও সেটি শুনে ঘুমিয়ে পড়ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে অন্নু প্রশ্ন তোলেন, “কত বছর বয়সী বাচ্চারা এই গান শুনে ঘুমায়? সত্তর বছরের বাচ্চাও তো হতে পারে!” নিজের অবস্থানে অনড় থেকে অন্নু কাপুর জানান, তিনি কেবল একজন গুণগ্রাহী হিসেবেই প্রশংসা করেছিলেন এবং একে বিতর্কিত রূপ দেওয়া অনুচিত।
তামান্না হাবিব নিশু