ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬ , ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার নতুন ওসিকে সাংবাদিকদের ফুলেল শুভেচ্ছা রাজশাহীতে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ফিনান্সিয়াল এসোসিয়েটদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা মেসির প্রথম গোল নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অস্ট্রিয়ার কোচ অপপ্রচার ও রাজনৈতিক কুরুচির বিরুদ্ধে রাণীশংকৈলে যুবদলের প্রতিবাদ, বিক্ষোভমিছিল ও সমাবেশ গোদাগাড়ীতে মাদকসহ আটক ৪ ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড ইউএনও ফয়সাল আহমেদের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ জনের কারাদন্ড নাটোরে আবুল কালাম হত্যা মামলার দুই আসামি গ্রেপ্তার ফেনীতে ১৯ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ​রাজশাহীর পুঠিয়ায় বাক্প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ চারঘাটে জেলা ডিবির অভিযানে ৯৭ বোতল স্কাপসহ শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার রাজশাহীর দুর্গাপুরের সাবেক চেয়ারম্যান ও মেয়রসহ ৭৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা হাত-পা টিপতে বলে শিশুকে বলৎকার মাদরাসার পরিচালকের সোনালি আঁশের সোনালি ব্যাগ: পাটের হাত ধরেই কি বিদায় নেবে পলিথিন? জাতীয় বাজেট দেশের গুরুত্বপূর্ণ দলিল; প্রফেসর ড. মো. ফজলুল হক বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম নতুন রপ্তানি গন্তব্য অনুসন্ধানে সরকার, ৫ অঞ্চলকে গুরুত্ব: বাণিজ্যমন্ত্রী জামায়াতের সাংবাদিক পেটানো স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ: ইসলামী আন্দোলন একা পেয়ে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে ধর্ষণ মাদরাসাশিক্ষকের প্রেমিক বিয়েতে রাজি না হওয়ায় নদীতে ঝাঁপ প্রেমিকার নগরীর শাহমখদুমে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় আরও দুই আসামি গ্রেফতার

জুমার দিনে দোয়া কবুলের বিশেষ সময়গুলো

  • আপলোড সময় : ২৪-০৪-২০২৬ ০১:৫৯:৫১ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৪-০৪-২০২৬ ০১:৫৯:৫১ অপরাহ্ন
জুমার দিনে দোয়া কবুলের বিশেষ সময়গুলো ফাইল ফটো
সপ্তাহের অন্য দিনের ভিড়ে জুমার দিনটি মুসলমানদের কাছে আলাদা এক তাৎপর্য নিয়ে আসে। এই দিনটি শুধু নামাজের জন্য নয়, বরং আত্মশুদ্ধি, দোয়া আর আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার এক বিশেষ সুযোগ হিসেবেই ধরা হয়।

পবিত্র কুরআনে জুমা নামে একটি সুরাও রয়েছে। যেখানে মহান এই দিনের তাৎপর্য বর্ণিত হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ, যখন জুমার দিনে সালাতের জন্য আহ্বান করা হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হও। আর বেচাকেনা বর্জন করো। এটাই তোমাদের জন্য সর্বোত্তম, যদি তোমরা জানতে’ (সুরা জুমা, আয়াত: ৯)।

অন্যদিকে আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন ‘সূর্য উদয়ের দিবসগুলোর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হলো জুমাবার। সে দিনে আদমকে সৃষ্টি করা হয়। তাকে ওইদিন জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়। তাকে তা থেকে ওইদিন বের করা হয়। আর কিয়ামতও হবে জুমার দিনেই।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৮৫০)

এ জন্য অবহেলা করে জুমার নামাজ ছেড়ে দেয়ার ব্যাপারেও কঠোর নিষেধ রয়েছে। আবদুল্লাহ ইবনু উমর ও আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে এসেছে, তারা উভয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) কে মিম্বরের সিঁড়িতে বলতে শুনেছেন, ‘যারা জুমা পরিত্যাগ করে, তাদের এ কাজ থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। নতুবা মহান আল্লাহ তাদের অন্তরে মোহর মেরে দেবেন। অতঃপর তারা অবশ্যই গাফিলদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৮৭৫)।

অপর বর্ণনায় এসেছে, যে ব্যক্তি অবহেলা করে তিন জুমা পরিত্যাগ করে, আল্লাহ তার হৃদয় মোহরাঙ্কিত করে দেন (সুনান আত তিরমিজি, হাদিস: ৫০০)। তাই জুমার দিনে মিসওয়াকের পাশাপাশি উত্তমরূপে গোসল করাসহ সুগন্ধি ব্যবহার করে উত্তম কাপড় পরে মসজিদে যাওয়ার কথাও অনেক হাদিসে এসেছে।

বিশেষ করে জুমার দিনের এমন একটি সময় রয়েছে, যখন বান্দা যে কোনো বৈধ দোয়া করলে আল্লাহ তা কবুল করেন বলে হাদিসে সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে। এই মুহূর্তটি নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত না হলেও সহিহ মুসলিমের হাদিসে এ বিষয়ে বর্ণনা এসেছে।

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসটি হলো- রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জুমার দিনে একটি বিশেষ মুহূর্ত রয়েছে। কোনো মুসলিম সে মুহূর্তটিতে আল্লাহর নিকট কোনো কল্যাণ প্রার্থনা করলে, মহান আল্লাহ তাকে তা দেবেন। এ মুহূর্তটি অতি অল্প। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৮৪৬)

আরেকটি হাদিসে জাবের ইবন আবদুল্লাহ (রা.) রাসুলুল্লাহ (সা.) থেকে বর্ণনা করেন, জুমার দিনের ১২ ঘণ্টার মধ্যে একটি বিশেষ মুহূর্ত আছে, তখন কোনো মুসলিম আল্লাহর নিকট যা-ই দোয়া করে, আল্লাহ তাই কবুল করেন। তোমরা এই মুহূর্তটিকে আসরের শেষে অনুসন্ধান করো। (সুনান আবু দাউদ, হাদিস: ১০৪৮)

এই সময়টিতে তাই বিশেষভাবে দোয়া করা, ক্ষমা চাওয়া, নিজের প্রয়োজন তুলে ধরা এবং পরিবারের জন্য কল্যাণ কামনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই ছোট্ট সময়টিই হতে পারে জীবনের অনেক চাওয়া-পাওয়ার সমাধানের মাধ্যম।

তবে শুধু এই নির্দিষ্ট সময় নয়, পুরো জুমার দিনই দোয়া কবুলের সম্ভাবনাময় সময় হিসেবে বিবেচিত। ফজরের পর, খুতবার সময়, জুমার নামাজের আগে ও পরে সব সময়ই একজন মুমিন আল্লাহর কাছে ফিরে যেতে পারে। বিশেষ করে খুতবার সময় নীরব থেকে মনোযোগী থাকা এবং নিজের ভেতরে দোয়ার নিয়ত রাখা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ।

সব মিলিয়ে জুমার দিন হলো এমন একটি সুযোগ, যেখানে ব্যস্ততা, দুনিয়াবি চিন্তা আর ক্লান্তির মাঝেও আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ককে আরও গভীর করা যায়। তাই এই দিনটিকে অবহেলা না করে বরং দোয়া, ইস্তেগফার ও ইবাদতের মাধ্যমে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগানোই একজন মুমিনের জন্য সবচেয়ে উত্তম।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নগরীর শাহমখদুমে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় আরও দুই আসামি গ্রেফতার

নগরীর শাহমখদুমে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় আরও দুই আসামি গ্রেফতার