ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন ও অভিষেক বচ্চনের ১৯ বছরের দাম্পত্যজীবন। সম্প্রতি বিবাহবার্ষিকী পালন করলেন তাঁরা। বড় কোনও আয়োজন নয়, ওই দিন সমাজমাধ্যমে পাতায় স্বামী ও মেয়ের সঙ্গে ছবি দেন অভিনেত্রী। এর মধ্যে একাধিক বার তাঁদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন শোনা গিয়েছে। এ বার ঐশ্বর্যার সঙ্গে সুখী দাম্পত্যের নেপথ্যের সমীকরণটা প্রকাশ্যে আনলেন অভিষেক।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ঐশ্বর্যাকে নিয়ে মনের ঝাঁপি খোলেন অভিষেক। অভিনেত্রীর সঙ্গে প্রথম আলাপ হওয়ার সময়ে নাকি অভিষেকের মনে সংশয় জেগেছিল, আদৌ এই মহিলা তাঁর মনের মানুষ তো? তবে এতগুলো বছর বৈবাহিক জীবন কাটিয়ে ফেলার পরে অভিষেকের মত, ‘‘সব কিছুই যেন আগে থেকে ঠিক করা থাকে। ঐশ্বর্যা তো শুধু আমার সন্তানের মা নয়। ঐশ্বর্যা আমার জীবনের অনেকটা বড় জায়গা জুড়ে রয়েছে। আমার মেয়েকে যে ভাবে ও মানুষ করছে, যে শিক্ষায় বড় করে তুলছে, তাতে এখন মনে হয় ঐশ্বর্যাই আমার সেই মনের মানুষটা। বিবাহিত জীবনের ১৯টা বছর ওর সঙ্গে স্বপ্নের মতো কেটেছে। আগামী বছর আমাদের ২০তম বিবাহবার্ষিকী, তাই বড় কিছু করার পরিকল্পনা আছে।’’
২০০০ সালে অভিষেকের সঙ্গে ‘ঢাই অক্ষর প্রেম কে’ এবং ‘কুছ না কহো’ ছবিতে অভিনয় করেন অভিনেত্রী। তখন যদিও অভিষেকের সঙ্গে ঐশ্বর্যার সম্পর্ক আটকে ছিল বন্ধুত্বের স্তরেই। বন্ধুত্বের পথ ধরেই প্রেম এসেছে। কিন্তু অনেকে বলেন ২০০৫ সালে ‘বান্টি অউর বাবলি’ ছবিতে ‘কজরা রে’ আইটেম গানের শুটিংয়ের সময়েই একে অপরের প্রেমে পড়েন। ‘উমরাও জান’, ‘গুরু’, ‘ধুম টু’-র মতো একাধিক ছবিতে অভিনয়ের সঙ্গে সঙ্গে গাঢ় হয় তাঁদের সম্পর্ক। কানাডার টরন্টো শহরে ‘গুরু’-র প্রিমিয়র শো-এর পরে দু’জনে নিউ ইয়র্কে গিয়েছিলেন। সেখানেই নাকি ঐশ্বর্যাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন অভিষেক। প্রস্তাব ফেরাতে পারেননি ঐশ্বর্যা। ২০০৭ সালে মুম্বইয়ে ধুমধাম করে বিয়ে হয় তাঁদের। বলিউডে যেখানে তাসের ঘরের মতো সম্পর্ক ভেঙে যায়, সেখানে ঐশ্বর্যার সঙ্গে সুখী দাম্পত্যজীবনের নেপথ্যে কারণ হিসেবে অভিষেক জানান, রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে তিন বার ক্ষমা চাইলে অর্থাৎ ‘সরি’ বললেই নাকি স্ত্রীকে খুশি রাখা যায়। এই মন্ত্রেই কি তবে টিকে আছে অভিষেক-ঐশ্বর্যার সম্পর্ক?
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ঐশ্বর্যাকে নিয়ে মনের ঝাঁপি খোলেন অভিষেক। অভিনেত্রীর সঙ্গে প্রথম আলাপ হওয়ার সময়ে নাকি অভিষেকের মনে সংশয় জেগেছিল, আদৌ এই মহিলা তাঁর মনের মানুষ তো? তবে এতগুলো বছর বৈবাহিক জীবন কাটিয়ে ফেলার পরে অভিষেকের মত, ‘‘সব কিছুই যেন আগে থেকে ঠিক করা থাকে। ঐশ্বর্যা তো শুধু আমার সন্তানের মা নয়। ঐশ্বর্যা আমার জীবনের অনেকটা বড় জায়গা জুড়ে রয়েছে। আমার মেয়েকে যে ভাবে ও মানুষ করছে, যে শিক্ষায় বড় করে তুলছে, তাতে এখন মনে হয় ঐশ্বর্যাই আমার সেই মনের মানুষটা। বিবাহিত জীবনের ১৯টা বছর ওর সঙ্গে স্বপ্নের মতো কেটেছে। আগামী বছর আমাদের ২০তম বিবাহবার্ষিকী, তাই বড় কিছু করার পরিকল্পনা আছে।’’
২০০০ সালে অভিষেকের সঙ্গে ‘ঢাই অক্ষর প্রেম কে’ এবং ‘কুছ না কহো’ ছবিতে অভিনয় করেন অভিনেত্রী। তখন যদিও অভিষেকের সঙ্গে ঐশ্বর্যার সম্পর্ক আটকে ছিল বন্ধুত্বের স্তরেই। বন্ধুত্বের পথ ধরেই প্রেম এসেছে। কিন্তু অনেকে বলেন ২০০৫ সালে ‘বান্টি অউর বাবলি’ ছবিতে ‘কজরা রে’ আইটেম গানের শুটিংয়ের সময়েই একে অপরের প্রেমে পড়েন। ‘উমরাও জান’, ‘গুরু’, ‘ধুম টু’-র মতো একাধিক ছবিতে অভিনয়ের সঙ্গে সঙ্গে গাঢ় হয় তাঁদের সম্পর্ক। কানাডার টরন্টো শহরে ‘গুরু’-র প্রিমিয়র শো-এর পরে দু’জনে নিউ ইয়র্কে গিয়েছিলেন। সেখানেই নাকি ঐশ্বর্যাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন অভিষেক। প্রস্তাব ফেরাতে পারেননি ঐশ্বর্যা। ২০০৭ সালে মুম্বইয়ে ধুমধাম করে বিয়ে হয় তাঁদের। বলিউডে যেখানে তাসের ঘরের মতো সম্পর্ক ভেঙে যায়, সেখানে ঐশ্বর্যার সঙ্গে সুখী দাম্পত্যজীবনের নেপথ্যে কারণ হিসেবে অভিষেক জানান, রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে তিন বার ক্ষমা চাইলে অর্থাৎ ‘সরি’ বললেই নাকি স্ত্রীকে খুশি রাখা যায়। এই মন্ত্রেই কি তবে টিকে আছে অভিষেক-ঐশ্বর্যার সম্পর্ক?
তামান্না হাবিব নিশু