বলিউডে সাফল্য-ব্যর্থতা লেগেই থাকে। সান্যা মলহোত্রের অভিনয়জগতে আসা ইস্তক পথটা মোটেই সুগম ছিল না। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে সেই কথাই জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী। মূলত আত্মবিশ্বাসের উপর নির্ভর করেই বলিউডে পা রেখেছিলেন তিনি। সাফল্য দেখলেও মাঝেমধ্যে ‘প্যানিক অ্যাটাক’ হত নায়িকার। সারা ক্ষণ একটা উদ্বেগ কাজ করত তাঁর মধ্যে।
সান্যার বড়পর্দায় অভিষেক হয় আমির খানের সঙ্গে ‘দঙ্গল’ ছবির মাধ্যমে। বক্সঅফিসে দু’হাজার কোটি টাকার ব্যবসা করে সেটি। প্রথম ছবিতেই বিপুল সাফল্য পান সান্যা। যদিও সেই ছবিতে তিনি ছাড়াও ছিলেন ফাতিমা সনা শেখ ও সাক্ষী তনওয়ারের মতো তারকারা। তার পর সান্যা নিজের গতিপথ নিজেই নির্ধারণ করেছেন। কখনও রোম্যান্টিক চরিত্রে দেখা গিয়েছে তাঁকে, কখনও আবার কমেডি ছবিতে। দীর্ঘ ১০ বছরের অভিনয়জীবনে বেশির ভাগ সময়েই প্রশংসিত হয়েছেন। তবু যেন উৎকণ্ঠা কাটেনি।
সান্যা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানান, তিনি সর্ব ক্ষণ ভাবতেন, কাউকে হয়তো না বলা যায় না, পাছে যদি কেরিয়ারে প্রভাব পড়ে। অন্যকে সন্তুষ্ট রাখতেই চাইতেন। না বলতে না-পারাটা যে কত বড় অভিশাপ, সেটা বুঝেছেন সান্যা। তিনি বলেন, ‘‘একটা সময় এমন অবস্থা হয়, খালি ‘প্যানিক অ্যাটাক’ হত। আমি ভাবতাম, কী ভাবে কাউকে না বলব? আমার চিন্তা হত, যদি আমি না করি, তা হলে হয়তো এর পরে আর কাজ পাব না। আর কোনও ভাবে যদি না বলে দিতাম তা হলেও মাসের পর মাস এই অপরাধবোধ বয়ে বেড়াতে হত।’’
তিনি বলেন, ‘‘সুযোগ না পাওয়ার থেকেও বেশি ভাবতাম, যাতে না বলতে গিয়ে অন্যকে কষ্ট না দিয়ে ফেলি।’’ তবে সান্যা জানান, এতগুলো বছরে না বলতে শিখে গিয়েছেন। তাই এখন নিশ্চিন্তে থাকেন তিনি।
সান্যার বড়পর্দায় অভিষেক হয় আমির খানের সঙ্গে ‘দঙ্গল’ ছবির মাধ্যমে। বক্সঅফিসে দু’হাজার কোটি টাকার ব্যবসা করে সেটি। প্রথম ছবিতেই বিপুল সাফল্য পান সান্যা। যদিও সেই ছবিতে তিনি ছাড়াও ছিলেন ফাতিমা সনা শেখ ও সাক্ষী তনওয়ারের মতো তারকারা। তার পর সান্যা নিজের গতিপথ নিজেই নির্ধারণ করেছেন। কখনও রোম্যান্টিক চরিত্রে দেখা গিয়েছে তাঁকে, কখনও আবার কমেডি ছবিতে। দীর্ঘ ১০ বছরের অভিনয়জীবনে বেশির ভাগ সময়েই প্রশংসিত হয়েছেন। তবু যেন উৎকণ্ঠা কাটেনি।
সান্যা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানান, তিনি সর্ব ক্ষণ ভাবতেন, কাউকে হয়তো না বলা যায় না, পাছে যদি কেরিয়ারে প্রভাব পড়ে। অন্যকে সন্তুষ্ট রাখতেই চাইতেন। না বলতে না-পারাটা যে কত বড় অভিশাপ, সেটা বুঝেছেন সান্যা। তিনি বলেন, ‘‘একটা সময় এমন অবস্থা হয়, খালি ‘প্যানিক অ্যাটাক’ হত। আমি ভাবতাম, কী ভাবে কাউকে না বলব? আমার চিন্তা হত, যদি আমি না করি, তা হলে হয়তো এর পরে আর কাজ পাব না। আর কোনও ভাবে যদি না বলে দিতাম তা হলেও মাসের পর মাস এই অপরাধবোধ বয়ে বেড়াতে হত।’’
তিনি বলেন, ‘‘সুযোগ না পাওয়ার থেকেও বেশি ভাবতাম, যাতে না বলতে গিয়ে অন্যকে কষ্ট না দিয়ে ফেলি।’’ তবে সান্যা জানান, এতগুলো বছরে না বলতে শিখে গিয়েছেন। তাই এখন নিশ্চিন্তে থাকেন তিনি।
তামান্না হাবিব নিশু