রাজশাহী বিভাগের (রেঞ্জ) ৮ জেলায় আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম সুসংহত করতে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান।রাজশাহীতে তিনি এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।
জানা গেছে, বিসিএস ১৭তম ব্যাচের এই চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা বর্তমানে রাজশাহী রেঞ্জের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। নোয়াখালী জেলার এই কৃতি সন্তান তার কর্মজীবনের শুরু থেকেই স্বচ্ছতা,জবাবদিহিতা ও দক্ষতার পরিচয় দিয়ে আসলেও বিগত সরকারের আমলে দীর্ঘ ১৭ বছর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে পুলিশ স্টাফ কলেজে বঞ্চনার মধ্যে সময় কাটিয়েছেন। তবে সময়ের পরিক্রমায় তিনি তার মেধা ও সততার যথাযথ মূল্যায়ন পেয়ে রাজশাহী অঞ্চলের আইন-শৃঙ্খলার আমূল পরিবর্তন ঘটিয়েছেন।রাজশাহী বিভাগে আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়নে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
সূত্র জানায়, কর্মজীবনের শুরুতে ফরিদপুর জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করা মোহাম্মদ শাহজাহান তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্তরে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে যখন একটি প্রশাসনিক শূন্যতা ও আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি দেখা দিয়েছিল, ঠিক সেই ক্রান্তিকালে তিনি ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে যোগদান করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি ভঙ্গুর প্রায় পুলিশি ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে শুরু করেন। একই সঙ্গে পুলিশের মনোবল ফেরাতে তিনি দৃঢ় ভুমিকা রেখেছেন।
বিশেষ করে মাদক নির্মূল, সন্ত্রাস দমন, চোরাচালান,চাঁদাবাজি বন্ধ এবং ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে তার আপসহীন অবস্থান রাজশাহী বিভাগের সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থার এক নতুন বাতাবরণ তৈরি করেছে।
ডিআইজি শাহজাহানের প্রশাসনিক দক্ষতার একটি অনন্য দিক হলো ১৮৬১ সালের আইন ও ২০২৫ সালের সংশোধিত বিধি অনুযায়ী পুলিশ সুপারদের পরামর্শ গ্রহণ। সাধারণত রেঞ্জ ডিআইজিগণ সরাসরি ওসি নিয়োগ দিলেও, তিনি স্থানীয় বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিয়ে যোগ্য কর্মকর্তাদের পদায়নে বিশ্বাস করেন। একই সঙ্গে তিনি পুলিশ সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা ও মানবিক চাহিদা বিবেচনা করে বদলি বা পদায়নের ব্যবস্থা করেন, যা তাকে বাহিনীর অভ্যন্তরে একজন মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তার এই জনবান্ধব নেতৃত্ব কেবল অপরাধ দমন নয়, বরং পুলিশি সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছে।
এদিকে পেশাগত পরিচয়ের বাইরেও শাহজাহান একজন উচ্চশিক্ষিত, সাহিত্যিক ও লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত। তার অমায়িক ব্যবহার ও বিনয় তাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। সাধারণ কনস্টেবল থেকে শুরু করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সবার সঙ্গেই তিনি সমানভাবে কুশল বিনিময় করেন এবং মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে গিয়ে তাদের সমস্যাগুলো শোনেন। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং মেধাবী নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি অপরাধ নিয়ন্ত্রণে যে প্রশাসনিক সক্ষমতা প্রদর্শন করেছেন, তা বর্তমানে সারা দেশের পুলিশ বাহিনীর জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। রাজশাহীর সর্বস্তরের মানুষের কাছে তিনি এখন একজন অভিভাবক ও আদর্শ ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন।
রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান প্রমাণ করেছেন যে, সততা ও ধৈর্য থাকলে যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি জয় করা সম্ভব। তার নেতৃত্বে রাজশাহী এখন অপরাধমুক্ত ও নিরাপদ একটি অঞ্চলে পরিণত হওয়ার পথে ধাবমান। জনবান্ধব এই কর্মকর্তার হাত ধরে আগামীতে এই অঞ্চলের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হবে এমনটাই প্রত্যাশা সুধীসমাজের।
জানা গেছে, বিসিএস ১৭তম ব্যাচের এই চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা বর্তমানে রাজশাহী রেঞ্জের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। নোয়াখালী জেলার এই কৃতি সন্তান তার কর্মজীবনের শুরু থেকেই স্বচ্ছতা,জবাবদিহিতা ও দক্ষতার পরিচয় দিয়ে আসলেও বিগত সরকারের আমলে দীর্ঘ ১৭ বছর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে পুলিশ স্টাফ কলেজে বঞ্চনার মধ্যে সময় কাটিয়েছেন। তবে সময়ের পরিক্রমায় তিনি তার মেধা ও সততার যথাযথ মূল্যায়ন পেয়ে রাজশাহী অঞ্চলের আইন-শৃঙ্খলার আমূল পরিবর্তন ঘটিয়েছেন।রাজশাহী বিভাগে আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়নে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
সূত্র জানায়, কর্মজীবনের শুরুতে ফরিদপুর জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করা মোহাম্মদ শাহজাহান তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্তরে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে যখন একটি প্রশাসনিক শূন্যতা ও আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি দেখা দিয়েছিল, ঠিক সেই ক্রান্তিকালে তিনি ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে যোগদান করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি ভঙ্গুর প্রায় পুলিশি ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে শুরু করেন। একই সঙ্গে পুলিশের মনোবল ফেরাতে তিনি দৃঢ় ভুমিকা রেখেছেন।
বিশেষ করে মাদক নির্মূল, সন্ত্রাস দমন, চোরাচালান,চাঁদাবাজি বন্ধ এবং ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে তার আপসহীন অবস্থান রাজশাহী বিভাগের সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থার এক নতুন বাতাবরণ তৈরি করেছে।
ডিআইজি শাহজাহানের প্রশাসনিক দক্ষতার একটি অনন্য দিক হলো ১৮৬১ সালের আইন ও ২০২৫ সালের সংশোধিত বিধি অনুযায়ী পুলিশ সুপারদের পরামর্শ গ্রহণ। সাধারণত রেঞ্জ ডিআইজিগণ সরাসরি ওসি নিয়োগ দিলেও, তিনি স্থানীয় বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিয়ে যোগ্য কর্মকর্তাদের পদায়নে বিশ্বাস করেন। একই সঙ্গে তিনি পুলিশ সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা ও মানবিক চাহিদা বিবেচনা করে বদলি বা পদায়নের ব্যবস্থা করেন, যা তাকে বাহিনীর অভ্যন্তরে একজন মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তার এই জনবান্ধব নেতৃত্ব কেবল অপরাধ দমন নয়, বরং পুলিশি সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছে।
এদিকে পেশাগত পরিচয়ের বাইরেও শাহজাহান একজন উচ্চশিক্ষিত, সাহিত্যিক ও লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত। তার অমায়িক ব্যবহার ও বিনয় তাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। সাধারণ কনস্টেবল থেকে শুরু করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সবার সঙ্গেই তিনি সমানভাবে কুশল বিনিময় করেন এবং মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে গিয়ে তাদের সমস্যাগুলো শোনেন। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং মেধাবী নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি অপরাধ নিয়ন্ত্রণে যে প্রশাসনিক সক্ষমতা প্রদর্শন করেছেন, তা বর্তমানে সারা দেশের পুলিশ বাহিনীর জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। রাজশাহীর সর্বস্তরের মানুষের কাছে তিনি এখন একজন অভিভাবক ও আদর্শ ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন।
রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান প্রমাণ করেছেন যে, সততা ও ধৈর্য থাকলে যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি জয় করা সম্ভব। তার নেতৃত্বে রাজশাহী এখন অপরাধমুক্ত ও নিরাপদ একটি অঞ্চলে পরিণত হওয়ার পথে ধাবমান। জনবান্ধব এই কর্মকর্তার হাত ধরে আগামীতে এই অঞ্চলের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হবে এমনটাই প্রত্যাশা সুধীসমাজের।
আলিফ হোসেন