ইরানের বন্দর ও জাহাজের ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ প্রত্যাহার তুলে না নেয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
রোববার (১৯ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বিপ্লবী গার্ড এ তথ্য জানায়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আগে ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে এবং ফি দিয়ে জাহাজ চলাচলের যে সুযোগ ছিল, তাও বাতিল করা হয়েছে।
আইআরজিসির নৌবাহিনী শাখা সতর্ক করে বলেছে, এই নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী যেকোনো জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের এই অবরোধকে দুই দেশের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করছে।
এর আগে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর তেহরানের কোনো আস্থা নেই এবং ‘যেকোনো মুহূর্তে’ আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে।
ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেয়া বক্তব্যে বাঘের গালিবাফ ইরানের সামরিক সক্ষমতার প্রশংসা করেছেন। তিনি দাবি করেন, ইরানি বাহিনী শত্রুদের ১৮০টি ড্রোন এবং একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানে আঘাত করেছে।
ইরানের বিচার বিভাগের সরকারি সংবাদমাধ্যম মিজান নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত বক্তব্যে গালিবাফ বলেন, ‘এফ-৩৫-এ আঘাত করা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি প্রযুক্তিগত ও নকশাগত বিভিন্ন সক্ষমতার সমন্বয়ে পরিচালিত একটি অপারেশন।’
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র নতুন প্রস্তাব পাঠালেও তা পর্যালোচনা করে এখনো কোনো জবাব দেয়নি তেহরান। ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, অতিরিক্ত দাবি মানবে না এবং নিজেদের স্বার্থে কঠোর অবস্থান বজায় রাখবে তারা। এমনকি দ্বিতীয় দফা আলোচনায় এখনো রাজি হয়নি দেশটি।
অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, ইরান চালাকি করছে এবং প্রণালি বন্ধ করে যুক্তরাষ্ট্রকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করছে। যা তিনি মেনে নেবেন না। এমনকি, আলোচনা ব্যর্থ হলে যেকোনো মূল্যে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত কব্জায় নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। তবে তেহরান এ দাবিকে অগ্রহণযোগ্য আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বিপ্লবী গার্ড এ তথ্য জানায়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আগে ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে এবং ফি দিয়ে জাহাজ চলাচলের যে সুযোগ ছিল, তাও বাতিল করা হয়েছে।
আইআরজিসির নৌবাহিনী শাখা সতর্ক করে বলেছে, এই নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী যেকোনো জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের এই অবরোধকে দুই দেশের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করছে।
এর আগে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর তেহরানের কোনো আস্থা নেই এবং ‘যেকোনো মুহূর্তে’ আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে।
ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেয়া বক্তব্যে বাঘের গালিবাফ ইরানের সামরিক সক্ষমতার প্রশংসা করেছেন। তিনি দাবি করেন, ইরানি বাহিনী শত্রুদের ১৮০টি ড্রোন এবং একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানে আঘাত করেছে।
ইরানের বিচার বিভাগের সরকারি সংবাদমাধ্যম মিজান নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত বক্তব্যে গালিবাফ বলেন, ‘এফ-৩৫-এ আঘাত করা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি প্রযুক্তিগত ও নকশাগত বিভিন্ন সক্ষমতার সমন্বয়ে পরিচালিত একটি অপারেশন।’
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র নতুন প্রস্তাব পাঠালেও তা পর্যালোচনা করে এখনো কোনো জবাব দেয়নি তেহরান। ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, অতিরিক্ত দাবি মানবে না এবং নিজেদের স্বার্থে কঠোর অবস্থান বজায় রাখবে তারা। এমনকি দ্বিতীয় দফা আলোচনায় এখনো রাজি হয়নি দেশটি।
অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, ইরান চালাকি করছে এবং প্রণালি বন্ধ করে যুক্তরাষ্ট্রকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করছে। যা তিনি মেনে নেবেন না। এমনকি, আলোচনা ব্যর্থ হলে যেকোনো মূল্যে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত কব্জায় নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। তবে তেহরান এ দাবিকে অগ্রহণযোগ্য আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক