নওগাঁর রাণীনগরে চলছে ভয়াবহ লোডশেডিং।দিন-রাত ২৪ঘন্টার মধ্যে প্রায় ১৪ঘন্টাই থাকছে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের আওতায়। এতে একদিকে যেমন ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেছে অন্য দিকে ধানের জমিতে সেচ দিতে না পারায়,কলকারখানা এবং অটো চার্জার ভ্যান শ্রমীসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষজনের জীবন স্থবির হয়ে পরেছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন,চাহিদার তুলনায় কখনো অর্ধেক আবার কখনো অর্ধেকেরও কম সরবরাহ পাওয়ায় এমন পরিস্থীতির সৃষ্টি হয়েছে।
নওগাঁ পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-১এর রাণীনগর জোনাল অফিসের তথ্য মতে,এই অফিসের আওতায় আবাসিক সংযোগ রয়েছে ৫৭হাজার ৫৫২টি,বানিজ্যিক সংযোগ রয়েছে ৪হাজার ২৪৯টি,গভীর-অগভীর নলকূপ বা সেচের সংযোগ রয়েছে ৬৮৫টি,শিল্প সংযোগ রয়েছে ৬০৪টি,দাতব্য সংযোগ রয়েছে ৮৬৭টি এবং নির্মান সংযোগ রয়েছে ৫৩টিসহ মোট ৬৪হাজার১৯টি। এসব সংযোগের বিপরীতে বিদ্যুতের গড় চাহিদা রয়েছে ২০মেগাওয়াট। সংশ্লিষ্টরা বলছেন,চাহিদার তুলনায় কখনো অর্ধেক অর্থাৎ মাত্র ১০মেগাওয়াট আবার কখনো তারও কম সরবরাহ পাচ্ছেন। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে লোডশেডিং অব্যাহত রয়েছে।
বিদ্যুৎ চালিত গভীর নলকূপের মালিক উপজেলার কসবাপাড়া গ্রামের আনিছুর খাঁন বলেন,তার গভীর নলকূপের আওতায় প্রায় ২৯০বিঘা ইরি/বোরো জমি রয়েছে। গত প্রায় ১৫দিন ধরে বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কারনে চরম বেকায়দায় পরেছি। সুষ্ঠু মতো জমিতে সেচ দিতে পারছিনা। এমন পরিস্থীতি যদি আরও কয়েক দিন চলে তাহলে ধানের চরম ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
আবাদপুকুর বাজারের বিসমিল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্ক সপের মালিক হোসাইন আহমাদ বলেন,প্রতি এক ঘন্টা পর পর এক ঘন্টা করে বিদ্যুৎ পাচ্ছি। মানে এক ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকলে পরবর্তি এক ঘন্টা আবার কখনো তার বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ থাকছেনা। এতে দিন রাত মিলে প্রায় ১২/১৪ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকছেনা। ফলে কারখানার কাজ কর্ম ঠিকমতো করতে পারছিনা। এতে একদিকে যেমন সঠিক সময়ে গ্রাহকদের কাছে মালামাল সরবরাহ করতে পারছিনা অন্যদিকে শ্রমীকদের বসে রেখে বেতন দিতে হচ্ছে।
কালীগ্রামের অটো চার্জার ভ্যান চালক ফেরদৌস হোসেন জানান, দেশে জালানি তেলের সংকট সৃষ্টি হওয়ায় অটো চার্জার ভ্যানে যাত্রীর চলাচলের চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু সুষ্ঠু মতো গাড়ীতে চার্জ দিতে না পারায় রাস্তায় ভ্যান চালাতে পারছিনা। আবার ব্যাটারীতে পুরো চার্জ না দিতে পারায় ব্যাটারীও চরম ক্ষতির মুখে পরছে। ফলে সব দিক দিয়ে ক্ষতির মুখে পরতে হচ্ছে।
নওগাঁ পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-১এর রাণীনগর জোনাল অফিসের এজিএম তাহসিন ইলিয়াস বলেন, এই অফিসের আওতায় আবাসিক,বানিজ্যিক,সেচ,শিল্পসহ মোট ৬৪হাজার ১৯জন গ্রাহক রয়েছেন। এসব গ্রাহকের বিপরীতে বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে প্রায় ২০মেগাওয়াট। সেখানে গড়ে মাত্র ১০মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। আবার কখনো কখনো তারও একটু কম সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। এরই মধ্যে আবার ঢাকা থেকে স্ক্যাডা অপারেশনের কারনে অতিরিক্ত আরো বেশি লোডশেডিং যুক্ত হচ্ছে। তবে এই পরিস্থীতি হয়তো দ্রুতই স্বাভাবিক হবে বলে জানান তিনি।
নওগাঁ পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-১এর রাণীনগর জোনাল অফিসের তথ্য মতে,এই অফিসের আওতায় আবাসিক সংযোগ রয়েছে ৫৭হাজার ৫৫২টি,বানিজ্যিক সংযোগ রয়েছে ৪হাজার ২৪৯টি,গভীর-অগভীর নলকূপ বা সেচের সংযোগ রয়েছে ৬৮৫টি,শিল্প সংযোগ রয়েছে ৬০৪টি,দাতব্য সংযোগ রয়েছে ৮৬৭টি এবং নির্মান সংযোগ রয়েছে ৫৩টিসহ মোট ৬৪হাজার১৯টি। এসব সংযোগের বিপরীতে বিদ্যুতের গড় চাহিদা রয়েছে ২০মেগাওয়াট। সংশ্লিষ্টরা বলছেন,চাহিদার তুলনায় কখনো অর্ধেক অর্থাৎ মাত্র ১০মেগাওয়াট আবার কখনো তারও কম সরবরাহ পাচ্ছেন। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে লোডশেডিং অব্যাহত রয়েছে।
বিদ্যুৎ চালিত গভীর নলকূপের মালিক উপজেলার কসবাপাড়া গ্রামের আনিছুর খাঁন বলেন,তার গভীর নলকূপের আওতায় প্রায় ২৯০বিঘা ইরি/বোরো জমি রয়েছে। গত প্রায় ১৫দিন ধরে বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কারনে চরম বেকায়দায় পরেছি। সুষ্ঠু মতো জমিতে সেচ দিতে পারছিনা। এমন পরিস্থীতি যদি আরও কয়েক দিন চলে তাহলে ধানের চরম ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
আবাদপুকুর বাজারের বিসমিল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্ক সপের মালিক হোসাইন আহমাদ বলেন,প্রতি এক ঘন্টা পর পর এক ঘন্টা করে বিদ্যুৎ পাচ্ছি। মানে এক ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকলে পরবর্তি এক ঘন্টা আবার কখনো তার বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ থাকছেনা। এতে দিন রাত মিলে প্রায় ১২/১৪ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকছেনা। ফলে কারখানার কাজ কর্ম ঠিকমতো করতে পারছিনা। এতে একদিকে যেমন সঠিক সময়ে গ্রাহকদের কাছে মালামাল সরবরাহ করতে পারছিনা অন্যদিকে শ্রমীকদের বসে রেখে বেতন দিতে হচ্ছে।
কালীগ্রামের অটো চার্জার ভ্যান চালক ফেরদৌস হোসেন জানান, দেশে জালানি তেলের সংকট সৃষ্টি হওয়ায় অটো চার্জার ভ্যানে যাত্রীর চলাচলের চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু সুষ্ঠু মতো গাড়ীতে চার্জ দিতে না পারায় রাস্তায় ভ্যান চালাতে পারছিনা। আবার ব্যাটারীতে পুরো চার্জ না দিতে পারায় ব্যাটারীও চরম ক্ষতির মুখে পরছে। ফলে সব দিক দিয়ে ক্ষতির মুখে পরতে হচ্ছে।
নওগাঁ পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-১এর রাণীনগর জোনাল অফিসের এজিএম তাহসিন ইলিয়াস বলেন, এই অফিসের আওতায় আবাসিক,বানিজ্যিক,সেচ,শিল্পসহ মোট ৬৪হাজার ১৯জন গ্রাহক রয়েছেন। এসব গ্রাহকের বিপরীতে বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে প্রায় ২০মেগাওয়াট। সেখানে গড়ে মাত্র ১০মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। আবার কখনো কখনো তারও একটু কম সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। এরই মধ্যে আবার ঢাকা থেকে স্ক্যাডা অপারেশনের কারনে অতিরিক্ত আরো বেশি লোডশেডিং যুক্ত হচ্ছে। তবে এই পরিস্থীতি হয়তো দ্রুতই স্বাভাবিক হবে বলে জানান তিনি।
কাজি আনিসুর রহমান (রাণীনগর (নওগাঁ)