গ্ল্যামার জগতের ঝকঝকে আলোর নীচে যে কতটা অন্ধকার লুকিয়ে থাকে, তা আরও একবার সামনে এল ডেইজি শাহ। ইন্ডাস্ট্রিতে যখন তিনি সবে পা রেখেছেন, সেই সময় তাঁকে এক ভয়ানক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছিল। এক দক্ষিণী পরিচালকের হাতে শ্লীলতাহানির শিকার হতে হয়েছিল ডেইজিকে- সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন অভিনেত্রী।
ডেইজি জানিয়েছেন, ঘটনাটি ঘটেছিল মুম্বইতেই। দক্ষিণী ছবির এক পরিচালক কাস্টিংয়ের জন্য মুম্বই এসেছিলেন। ডেইজি ছাড়াও আরও ৬-৭ জন মেয়ে অডিশন দিতে গিয়েছিলেন। সেই পরিচালক প্রত্যেককে আলাদা আলাদাভাবে নিজের ঘরে ডেকে কথা বলছিলেন। ডেইজির কথায়, “সেই পরিচালক আমাকে অশালীনভাবে স্পর্শ করেছিলেন। তিনি জোর করে আমার হাত ধরে রেখেছিলেন। তাঁর চাহনি এবং আচরণ, কোনওটাই আমার পছন্দ হয়নি।”
ডেইজি বরাবরই ব্যক্তিগত পরিসরে কারও অযাচিত স্পর্শ পছন্দ করেন না। তিনি জানান, “আমি কোনও মহিলার কাছে বডি ম্যাসাজ নিতেও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি না, আর সেখানে একজন পুরুষের এমন আচরণ আমাকে স্তম্ভিত করে দিয়েছিল। আমি তাঁকে স্রেফ বলেছিলাম ‘আমি পরে কথা বলব’, তারপর আর কোনওদিন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করিনি।” এই ঘটনাই ডেইজিকে শিখিয়েছিল যে, ইন্ডাস্ট্রিতে কখনও কারও সঙ্গে একা দেখা করতে যেতে নেই।
কেরিয়ারের শুরু থেকেই সলমন খানের ‘ঘনিষ্ঠ’ হিসেবে পরিচিতি ডেইজির। ইন্ডাস্ট্রিতে কান পাতলেই শোনা যায়, সলমনের সাহায্য ছাড়া ডেইজি এতদূর আসতে পারতেন না। এই প্রসঙ্গেও স্পষ্ট জবাব দিয়েছেন অভিনেত্রী।
তিনি বলেন, “ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ বড় কাজ পেলেই বলা হয় পিছনে কারও মদত আছে। এতে ভুল কিছু নেই। আজ কেউ আমাকে সাহায্য করলে, কাল আমি অন্য কাউকে সাহায্য করব - এটাই নিয়ম। আমি এই সব সমালোচনাকে আর পাত্তা দিই না।”
খুব শীঘ্রই ডেইজি শাহকে দেখা যাবে পলাশ মুচ্ছলের পরবর্তী ছবিতে। সেখানে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করবেন শ্রেয়াস তালপাড়ে।
ডেইজি জানিয়েছেন, ঘটনাটি ঘটেছিল মুম্বইতেই। দক্ষিণী ছবির এক পরিচালক কাস্টিংয়ের জন্য মুম্বই এসেছিলেন। ডেইজি ছাড়াও আরও ৬-৭ জন মেয়ে অডিশন দিতে গিয়েছিলেন। সেই পরিচালক প্রত্যেককে আলাদা আলাদাভাবে নিজের ঘরে ডেকে কথা বলছিলেন। ডেইজির কথায়, “সেই পরিচালক আমাকে অশালীনভাবে স্পর্শ করেছিলেন। তিনি জোর করে আমার হাত ধরে রেখেছিলেন। তাঁর চাহনি এবং আচরণ, কোনওটাই আমার পছন্দ হয়নি।”
ডেইজি বরাবরই ব্যক্তিগত পরিসরে কারও অযাচিত স্পর্শ পছন্দ করেন না। তিনি জানান, “আমি কোনও মহিলার কাছে বডি ম্যাসাজ নিতেও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি না, আর সেখানে একজন পুরুষের এমন আচরণ আমাকে স্তম্ভিত করে দিয়েছিল। আমি তাঁকে স্রেফ বলেছিলাম ‘আমি পরে কথা বলব’, তারপর আর কোনওদিন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করিনি।” এই ঘটনাই ডেইজিকে শিখিয়েছিল যে, ইন্ডাস্ট্রিতে কখনও কারও সঙ্গে একা দেখা করতে যেতে নেই।
কেরিয়ারের শুরু থেকেই সলমন খানের ‘ঘনিষ্ঠ’ হিসেবে পরিচিতি ডেইজির। ইন্ডাস্ট্রিতে কান পাতলেই শোনা যায়, সলমনের সাহায্য ছাড়া ডেইজি এতদূর আসতে পারতেন না। এই প্রসঙ্গেও স্পষ্ট জবাব দিয়েছেন অভিনেত্রী।
তিনি বলেন, “ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ বড় কাজ পেলেই বলা হয় পিছনে কারও মদত আছে। এতে ভুল কিছু নেই। আজ কেউ আমাকে সাহায্য করলে, কাল আমি অন্য কাউকে সাহায্য করব - এটাই নিয়ম। আমি এই সব সমালোচনাকে আর পাত্তা দিই না।”
খুব শীঘ্রই ডেইজি শাহকে দেখা যাবে পলাশ মুচ্ছলের পরবর্তী ছবিতে। সেখানে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করবেন শ্রেয়াস তালপাড়ে।
তামান্না হাবিব নিশু