মারাঠি পরিবারে জন্ম নেওয়া ম্রুণাল ঠাকুর হিন্দি টেলিভিশন থেকে কেরিয়ার শুরু করে আজ চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম চর্চিত নাম। অভিনয়কে ভালবেসে মাঝপথে পড়াশোনাও ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। বক্স অফিসে ইদানীং তাঁর সিনেমা আশানুরূপ ফল না করলেও ম্রুণাল সবসময়ই থাকেন আলোচনার কেন্দ্রে। কখনও অভিনেতা ধনুষের সঙ্গে বিয়ের গুঞ্জন, আবার কখনও তাঁর আসন্ন তেলুগু ছবির আকাশছোঁয়া আয়— ম্রুণালকে নিয়ে চর্চা থামার নাম নেই। তবে সম্প্রতি 'সন অফ সর্দার ২' ছবিতে তাঁর কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে অভিনেত্রী এমন কিছু তথ্য সামনে এনেছেন, যা সামাজিক মাধ্যমে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।
২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বিজয় কুমার অরোরা পরিচালিত 'সন অফ সর্দার ২' ছবিতে ম্রুণাল ঠাকুরের চরিত্রটির নাম ছিল রাবিয়া আখতার। এই ছবিতে তাঁর স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা চাঙ্কি পান্ডে। ম্রুণাল ও চাঙ্কির মধ্যে বয়সের পার্থক্য প্রায় ৩০ বছর। শুধু তাই নয়, ছবির প্রধান অভিনেতা অজয় দেবগনও ম্রুণালের চেয়ে বয়সে ২৪ বছরের বড়।
একটি অনুষ্ঠানে ম্রুণাল সোজাসুজি জানান যে, এই কাস্টিং সম্পর্কে তাঁর বিন্দুমাত্র ধারণা ছিল না। তিনি বলেন, “আমার স্বামীর চরিত্রে একজন এত বড় মাপের প্রবীণ অভিনেতা অভিনয় করবেন, তা আমি কল্পনাও করিনি। বিষয়টা জানার পর কিছুটা হতাশ হয়েছিলাম এবং আমার আত্মবিশ্বাসও নড়ে গিয়েছিল। তবে সত্যি বলতে, আমার কোনও আফসোস নেই।”
কাস্টিংয়ের পাশাপাশি ছবির এডিটিং নিয়ে নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ৩৩ বছর বয়সি এই অভিনেত্রী। ম্রুণালের মতে, তাঁর অভিনীত গল্পের অন্যতম সেরা ও আবেগময় অংশটিই এডিটিং টেবিলে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ছবিতে ম্রুণালের বোনের মৃত্যুর প্রেক্ষাপটে একটি অত্যন্ত গভীর দৃশ্য ছিল। সেই দৃশ্যে তাঁর বোন বলেছিল, “ভালোই হয়েছে আমার মা নেই, তুমি আছো। আমি প্রার্থনা করি যেন প্রত্যেক মেয়ের তোমার মতো একজন মা থাকে।” নিজের ব্যক্তিগত জীবন উৎসর্গ করে বোনের যত্ন নেওয়া রাবিয়ার চরিত্রের এই শক্তিশালী দিকটি শেষ পর্যন্ত দর্শকরা দেখতে পাননি।
২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বিজয় কুমার অরোরা পরিচালিত 'সন অফ সর্দার ২' ছবিতে ম্রুণাল ঠাকুরের চরিত্রটির নাম ছিল রাবিয়া আখতার। এই ছবিতে তাঁর স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা চাঙ্কি পান্ডে। ম্রুণাল ও চাঙ্কির মধ্যে বয়সের পার্থক্য প্রায় ৩০ বছর। শুধু তাই নয়, ছবির প্রধান অভিনেতা অজয় দেবগনও ম্রুণালের চেয়ে বয়সে ২৪ বছরের বড়।
একটি অনুষ্ঠানে ম্রুণাল সোজাসুজি জানান যে, এই কাস্টিং সম্পর্কে তাঁর বিন্দুমাত্র ধারণা ছিল না। তিনি বলেন, “আমার স্বামীর চরিত্রে একজন এত বড় মাপের প্রবীণ অভিনেতা অভিনয় করবেন, তা আমি কল্পনাও করিনি। বিষয়টা জানার পর কিছুটা হতাশ হয়েছিলাম এবং আমার আত্মবিশ্বাসও নড়ে গিয়েছিল। তবে সত্যি বলতে, আমার কোনও আফসোস নেই।”
কাস্টিংয়ের পাশাপাশি ছবির এডিটিং নিয়ে নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ৩৩ বছর বয়সি এই অভিনেত্রী। ম্রুণালের মতে, তাঁর অভিনীত গল্পের অন্যতম সেরা ও আবেগময় অংশটিই এডিটিং টেবিলে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ছবিতে ম্রুণালের বোনের মৃত্যুর প্রেক্ষাপটে একটি অত্যন্ত গভীর দৃশ্য ছিল। সেই দৃশ্যে তাঁর বোন বলেছিল, “ভালোই হয়েছে আমার মা নেই, তুমি আছো। আমি প্রার্থনা করি যেন প্রত্যেক মেয়ের তোমার মতো একজন মা থাকে।” নিজের ব্যক্তিগত জীবন উৎসর্গ করে বোনের যত্ন নেওয়া রাবিয়ার চরিত্রের এই শক্তিশালী দিকটি শেষ পর্যন্ত দর্শকরা দেখতে পাননি।
তামান্না হাবিব নিশু