দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে রাজশাহী বিভাগীয় অ্যাডভোকেসি সভা আজ (১৬ এপ্রিল) সকালে বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বাস্থ্যের বিভাগীয় পরিচালক ডা. মো. হাবিবুর রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম. বজলুর রশীদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান।
অ্যাডভোকেসি সভায় জানানো হয়, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে দেশে সর্বশেষ হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে শিশুদের টিকা প্রদান করা হয়। ওই ক্যাম্পেইনের প্রথম ডোজের কাভারেজ ছিল ৮৬ শতাংশ এবং দ্বিতীয় ডোজের কাভারেজ ছিল ৮০ শতাংশ। তখন একটা বড়ো সংখ্যক শিশু ওই টিকা থেকে বাদ পড়ে যায়। ২০২৪ সালে এমআর ক্যাম্পেইন করার কথা থাকলেও, ওই বছর বা তার পরের বছরও ক্যাম্পেইন না হওয়ায়, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে দেশে হামের রোগী বাড়তে শুরু করে। এ বছর মার্চের ১৫ তারিখের পর সারাদেশে রোগটি ছড়িয়ে পড়ে।
সভায় আরও জানানো হয়, যে-সব শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছে, তাদের একটা বড়ো অংশ হামের টিকার বাইরে থাকা শিশু। ৫০ শতাংশ শিশু হামের টিকা নেওয়ার আগেই আক্রান্ত হয়েছে। আর একটা বড়ো অংশ সেসব শিশু যাদের টিকা পাওয়ার কথা ছিল কিন্তু তারা টিকা পায়নি। সারাদেশের সাথে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে টিকা প্রদান শুরু হবে এবং চলবে ১০ মে পর্যন্ত। এর মধ্যে সিটি কর্পোরেশন গুলোতে ১৪ কর্ম দিবস এবং অন্যান্য স্থানে ১১ কর্ম দিবসে হাম-রুবেলা টিকা প্রদান করা হবে।
রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য মতে, এবারের ক্যাম্পেইনে রাজশাহী বিভাগের আট জেলার মোট ২০ লক্ষ ৯৭ হাজার ২৫৬ জন শিশুকে এমআর টিকা প্রদানের জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ৫৪ হাজার ১৪৪ জনসহ জেলাতে মোট ২ লক্ষ ৭৩ হাজার ৫৮৪ জন শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা দেওয়া হবে।
এ্যাডভোকেসি সভায় রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. এস,আই,এম রাজিউল করিমসহ বিভাগীয় পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তর প্রধানগণ বক্তৃতা করেন।
অ্যাডভোকেসি সভায় জানানো হয়, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে দেশে সর্বশেষ হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে শিশুদের টিকা প্রদান করা হয়। ওই ক্যাম্পেইনের প্রথম ডোজের কাভারেজ ছিল ৮৬ শতাংশ এবং দ্বিতীয় ডোজের কাভারেজ ছিল ৮০ শতাংশ। তখন একটা বড়ো সংখ্যক শিশু ওই টিকা থেকে বাদ পড়ে যায়। ২০২৪ সালে এমআর ক্যাম্পেইন করার কথা থাকলেও, ওই বছর বা তার পরের বছরও ক্যাম্পেইন না হওয়ায়, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে দেশে হামের রোগী বাড়তে শুরু করে। এ বছর মার্চের ১৫ তারিখের পর সারাদেশে রোগটি ছড়িয়ে পড়ে।
সভায় আরও জানানো হয়, যে-সব শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছে, তাদের একটা বড়ো অংশ হামের টিকার বাইরে থাকা শিশু। ৫০ শতাংশ শিশু হামের টিকা নেওয়ার আগেই আক্রান্ত হয়েছে। আর একটা বড়ো অংশ সেসব শিশু যাদের টিকা পাওয়ার কথা ছিল কিন্তু তারা টিকা পায়নি। সারাদেশের সাথে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে টিকা প্রদান শুরু হবে এবং চলবে ১০ মে পর্যন্ত। এর মধ্যে সিটি কর্পোরেশন গুলোতে ১৪ কর্ম দিবস এবং অন্যান্য স্থানে ১১ কর্ম দিবসে হাম-রুবেলা টিকা প্রদান করা হবে।
রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য মতে, এবারের ক্যাম্পেইনে রাজশাহী বিভাগের আট জেলার মোট ২০ লক্ষ ৯৭ হাজার ২৫৬ জন শিশুকে এমআর টিকা প্রদানের জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ৫৪ হাজার ১৪৪ জনসহ জেলাতে মোট ২ লক্ষ ৭৩ হাজার ৫৮৪ জন শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা দেওয়া হবে।
এ্যাডভোকেসি সভায় রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. এস,আই,এম রাজিউল করিমসহ বিভাগীয় পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তর প্রধানগণ বক্তৃতা করেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :