রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার কেশবপুর এলাকায় অটোরিক্সা ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ ঘটনায় আরও দুইজন অজ্ঞাতনামা আসামি পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো: কেশবপুর গ্রামের সন্তোষ চৌধুরীর ছেলে সনি চৌধুরী (২৫) এবং একই এলাকার নাসির উদ্দিনের ছেলে সিজান (২২)।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল ২০২৬) দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে কেশবপুর এলাকায় চারজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি অটোরিক্সা চালক লুৎফর মিয়াকে থামার সংকেত দেয়। অটোরিক্সা থামানোর পর তারা জোরপূর্বক চালকের কাছ থেকে অটোরিক্সার চাবি, মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়।
এ সময় ভুক্তভোগীর চিৎকারে টহলরত ডিবি পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা অটোরিক্সার চাবি ও মোবাইল ফোন ফেলে পালানোর চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া দিয়ে সনি ও সিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে অপর দুইজন কৌশলে পালিয়ে যায়।
ঘটনাস্থল থেকে অটোরিক্সার চাবি ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ছিনতাইকৃত মানিব্যাগ জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত সিজানের বিরুদ্ধে রাজশাহী মহানগর পুলিশের বোয়ালিয়া থানায় একটি মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী লুৎফর মিয়া রাজপাড়া থানায় এজাহার দায়ের করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃত দুইজন ও পলাতক দুইজনের বিরুদ্ধে ছিনতাই মামলা রুজু করে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো: কেশবপুর গ্রামের সন্তোষ চৌধুরীর ছেলে সনি চৌধুরী (২৫) এবং একই এলাকার নাসির উদ্দিনের ছেলে সিজান (২২)।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল ২০২৬) দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে কেশবপুর এলাকায় চারজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি অটোরিক্সা চালক লুৎফর মিয়াকে থামার সংকেত দেয়। অটোরিক্সা থামানোর পর তারা জোরপূর্বক চালকের কাছ থেকে অটোরিক্সার চাবি, মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়।
এ সময় ভুক্তভোগীর চিৎকারে টহলরত ডিবি পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা অটোরিক্সার চাবি ও মোবাইল ফোন ফেলে পালানোর চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া দিয়ে সনি ও সিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে অপর দুইজন কৌশলে পালিয়ে যায়।
ঘটনাস্থল থেকে অটোরিক্সার চাবি ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ছিনতাইকৃত মানিব্যাগ জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত সিজানের বিরুদ্ধে রাজশাহী মহানগর পুলিশের বোয়ালিয়া থানায় একটি মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী লুৎফর মিয়া রাজপাড়া থানায় এজাহার দায়ের করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃত দুইজন ও পলাতক দুইজনের বিরুদ্ধে ছিনতাই মামলা রুজু করে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :