রাজশাহীর পবা উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের সোনাইকান্দি গ্রামে বার্ধক্যজনিত কারণে অবসরপ্রাপ্ত বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা একেএম সিকান্দার ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টায় নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। তিনি পবা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য জিয়াউল কবীর স্বপনের পিতা, এ ছাড়া বিমান বাহিনীর অফিসার সেলিম, বাংলাদেশ ব্যাংক রাজশাহীর ডিরেক্টর মুকুল,ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অফিসার কবীর,কাশিয়াডাংগা উচ্চবিদ্যালয়ের গনিত শিক্ষক কমল ও ফ্যামিলি প্লানিং হরিপুর ইউনিয়নের কর্মী সেলিনার পিতা।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী,উক্ত পাঁচ ছেলে ও দুই কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বাদ আসর সোনাইকান্দি গ্রামে জানাজার নামাজ শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।একেএম সিকান্দার ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা হিসেবে পাকিস্তানে আটক হন। পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে যুদ্ধবন্দি বিনিময়ের মাধ্যমে দেশে ফিরে পুনরায় বিমান বাহিনীতে যোগদান করেন। বিমান বাহিনীর উক্ত অফিসার'র মৃত্যুতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২ ডজন সদস্য ওয়ারেন্ট অফিসার ওসমান'র নেতৃত্বে মরহুমের প্রতি সম্মান ও মাগফেরাত কামনায় জানাজায় অংশ গ্রহণ করেন। জানাজা শেষ মরহুমের বাসায় বেশ কিছুক্ষণ অবস্থান করে তার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা ও বড় অংক টাকার মাধ্যমে তাতক্ষনিক সম্মান না প্রদান করেন। পরিবারের সদস্যরা সেনা অফিসার ও সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
এলাকায় একজন ব্রিটিশ আমলের সুনাগরিকের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও শুভানুধ্যায়ীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এছাড়া রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের পক্ষে আব্দুল আওয়াল ও সাধারণ সম্পাদক ডালিম হোসেন শান্ত শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও মাইয়াতকে জান্নাতের উত্তম মাকাম দান কামনায় আল্লাহর কাছে দুয়া কামনায় শোক প্রকাশ করেছেন।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টায় নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। তিনি পবা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য জিয়াউল কবীর স্বপনের পিতা, এ ছাড়া বিমান বাহিনীর অফিসার সেলিম, বাংলাদেশ ব্যাংক রাজশাহীর ডিরেক্টর মুকুল,ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অফিসার কবীর,কাশিয়াডাংগা উচ্চবিদ্যালয়ের গনিত শিক্ষক কমল ও ফ্যামিলি প্লানিং হরিপুর ইউনিয়নের কর্মী সেলিনার পিতা।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী,উক্ত পাঁচ ছেলে ও দুই কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বাদ আসর সোনাইকান্দি গ্রামে জানাজার নামাজ শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।একেএম সিকান্দার ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা হিসেবে পাকিস্তানে আটক হন। পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে যুদ্ধবন্দি বিনিময়ের মাধ্যমে দেশে ফিরে পুনরায় বিমান বাহিনীতে যোগদান করেন। বিমান বাহিনীর উক্ত অফিসার'র মৃত্যুতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২ ডজন সদস্য ওয়ারেন্ট অফিসার ওসমান'র নেতৃত্বে মরহুমের প্রতি সম্মান ও মাগফেরাত কামনায় জানাজায় অংশ গ্রহণ করেন। জানাজা শেষ মরহুমের বাসায় বেশ কিছুক্ষণ অবস্থান করে তার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা ও বড় অংক টাকার মাধ্যমে তাতক্ষনিক সম্মান না প্রদান করেন। পরিবারের সদস্যরা সেনা অফিসার ও সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
এলাকায় একজন ব্রিটিশ আমলের সুনাগরিকের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও শুভানুধ্যায়ীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এছাড়া রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের পক্ষে আব্দুল আওয়াল ও সাধারণ সম্পাদক ডালিম হোসেন শান্ত শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও মাইয়াতকে জান্নাতের উত্তম মাকাম দান কামনায় আল্লাহর কাছে দুয়া কামনায় শোক প্রকাশ করেছেন।
স্টাফ রিপোর্টার