নীরবতা ভেঙে ইসলামাবাদ সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি বলেছেন, হরমুজ প্রণালি অবরোধ করতে মার্কিন নৌবাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) পাকিস্তানের ইসলামাবাদের সংলাপ প্রসঙ্গে ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, বৈঠকটি ভালো ছিল। অধিকাংশ বিষয়ে দুই পক্ষ একমতও হয়েছিল। কিন্তু ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে কোনো ছাড় দিতে রাজি হয়নি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ বা সেখান থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করা যেকোনো জাহাজকে অবরোধের প্রক্রিয়া শুরু করবে মার্কিন নেভি। তারা বিশ্বের সেরা নৌবাহিনী। এই প্রক্রিয়া অবিলম্বে কার্যকর হতে যাচ্ছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই হুমকির কয়েক ঘণ্টা আগে ইরানের ডেপুটি স্পিকার হাজি বাবাই বলেন, হরমুজ প্রণালি এখন সম্পূর্ণভাবে তেহরানের নিয়ন্ত্রণে আছে। এ জলপথ দিয়ে চলাচলের জন্য অবশ্যই ইরানি মুদ্রায় (রিয়াল) টোল দিতে হবে।
বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ সাধারণত এই জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। ইসলামাবাদের সংলাপে এই প্রণালিটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় ছিল। এ ছাড়া চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্তেও হরমজু প্রণালিতে নিরাপদে জাহাজ চলাচল করতে দেওয়ার কথা আছে।
এর আগে শনিবার (১১ এপ্রিল) মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, সমুদ্রপথ মাইনমুক্ত করার একটি অভিযানের অংশ হিসেবে নৌবাহিনীর দুটি ডেস্ট্রয়ার জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। তবে তেহরান এই দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এমন কোনো নৌযান ওই এলাকা দিয়ে যায়নি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবির বরাত দিয়ে এএফপি জানায়, পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর একটি সতর্কবার্তা। তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, কোনো সামরিক জাহাজ যদি হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করে, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের জন্য জাহাজ থেকে টোল আদায়ের ইরানি পরিকল্পনা অবৈধ বলে উল্লেখ করেছেন আন্তর্জাতিক সমুদ্র চলাচল সংস্থার (আইএমও) প্রধান আরসেনিও ডমিঙ্গুয়েজ। এই পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করতে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তাগিদ দিয়েছেন।
আইএমও মহাসচিব ডমিঙ্গুয়েজ আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, হরমুজের মতো প্রণালিতে টোল আদায়ের অধিকার কোনো দেশের নেই। যেকোনো ধরনের টোল আরোপ আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ব্যবস্থা না মানতে আমি সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি। কারণ এটি একটি নজির তৈরি করবে, যা বৈশ্বিক শিপিংয়ের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
তিনি বলেছেন, হরমুজ প্রণালি অবরোধ করতে মার্কিন নৌবাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) পাকিস্তানের ইসলামাবাদের সংলাপ প্রসঙ্গে ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, বৈঠকটি ভালো ছিল। অধিকাংশ বিষয়ে দুই পক্ষ একমতও হয়েছিল। কিন্তু ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে কোনো ছাড় দিতে রাজি হয়নি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ বা সেখান থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করা যেকোনো জাহাজকে অবরোধের প্রক্রিয়া শুরু করবে মার্কিন নেভি। তারা বিশ্বের সেরা নৌবাহিনী। এই প্রক্রিয়া অবিলম্বে কার্যকর হতে যাচ্ছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই হুমকির কয়েক ঘণ্টা আগে ইরানের ডেপুটি স্পিকার হাজি বাবাই বলেন, হরমুজ প্রণালি এখন সম্পূর্ণভাবে তেহরানের নিয়ন্ত্রণে আছে। এ জলপথ দিয়ে চলাচলের জন্য অবশ্যই ইরানি মুদ্রায় (রিয়াল) টোল দিতে হবে।
বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ সাধারণত এই জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। ইসলামাবাদের সংলাপে এই প্রণালিটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় ছিল। এ ছাড়া চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্তেও হরমজু প্রণালিতে নিরাপদে জাহাজ চলাচল করতে দেওয়ার কথা আছে।
এর আগে শনিবার (১১ এপ্রিল) মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, সমুদ্রপথ মাইনমুক্ত করার একটি অভিযানের অংশ হিসেবে নৌবাহিনীর দুটি ডেস্ট্রয়ার জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। তবে তেহরান এই দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এমন কোনো নৌযান ওই এলাকা দিয়ে যায়নি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবির বরাত দিয়ে এএফপি জানায়, পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর একটি সতর্কবার্তা। তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, কোনো সামরিক জাহাজ যদি হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করে, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের জন্য জাহাজ থেকে টোল আদায়ের ইরানি পরিকল্পনা অবৈধ বলে উল্লেখ করেছেন আন্তর্জাতিক সমুদ্র চলাচল সংস্থার (আইএমও) প্রধান আরসেনিও ডমিঙ্গুয়েজ। এই পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করতে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তাগিদ দিয়েছেন।
আইএমও মহাসচিব ডমিঙ্গুয়েজ আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, হরমুজের মতো প্রণালিতে টোল আদায়ের অধিকার কোনো দেশের নেই। যেকোনো ধরনের টোল আরোপ আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ব্যবস্থা না মানতে আমি সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি। কারণ এটি একটি নজির তৈরি করবে, যা বৈশ্বিক শিপিংয়ের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
আন্তজার্তিক ডেস্ক