যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার বৈঠক কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা তীব্র হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য নতুন সংঘাতের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এয়াল জামির সেনাদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, আগের হামলাগুলোর আগে যে ধরনের যুদ্ধ-প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, এবারও একই ধরনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
সামরিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ইসরায়েল সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকা দ্রুত হালনাগাদ করছে। এতে মূলত ইরানের সামরিক স্থাপনা, ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামো এবং সহায়ক কৌশলগত স্থাপনাগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
ইসরায়েলি বিমান বাহিনীও দূরপাল্লার হামলার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করছে। সম্ভাব্য রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এলেই যেন দ্রুত অভিযান চালানো যায়, সে জন্য আক্রমণ প্যাকেজ প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।
একই সঙ্গে একাধিক দিক থেকে একযোগে হামলার আশঙ্কায় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এদিকে ইসলামাবাদ বৈঠক ব্যর্থ হওয়ায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি টিকে থাকবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন, বৈঠক শেষে বলেন, ইরান তাদের চূড়ান্ত প্রস্তাব গ্রহণ করেনি। অন্যদিকে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থাহীনতার কথা তুলে ধরেন।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ ভাঙতে আরও কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন।
তিনি জানিয়েছেন, মার্কিন নৌবাহিনীকে এমন জাহাজ আটকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেগুলো ইরানকে টোল দিয়েছে। এই ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হওয়ায় বিষয়টি আন্তর্জাতিক বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে বলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। এতে একাধিক হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।
সাম্প্রতিক হামলায় দক্ষিণ বৈরুত ও দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন স্থানে ঘন কালো ধোঁয়া এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের ছবি প্রকাশ পেয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা ব্যর্থ হওয়া, ইসরায়েলের নতুন সামরিক প্রস্তুতি এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ে উত্তেজনা— সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে।
বিশেষ করে ইরান, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং লেবাননকে ঘিরে সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়লে এর প্রভাব বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের ধাক্কা দিতে পারে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এয়াল জামির সেনাদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, আগের হামলাগুলোর আগে যে ধরনের যুদ্ধ-প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, এবারও একই ধরনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
সামরিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ইসরায়েল সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকা দ্রুত হালনাগাদ করছে। এতে মূলত ইরানের সামরিক স্থাপনা, ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামো এবং সহায়ক কৌশলগত স্থাপনাগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
ইসরায়েলি বিমান বাহিনীও দূরপাল্লার হামলার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করছে। সম্ভাব্য রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এলেই যেন দ্রুত অভিযান চালানো যায়, সে জন্য আক্রমণ প্যাকেজ প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।
একই সঙ্গে একাধিক দিক থেকে একযোগে হামলার আশঙ্কায় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এদিকে ইসলামাবাদ বৈঠক ব্যর্থ হওয়ায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি টিকে থাকবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন, বৈঠক শেষে বলেন, ইরান তাদের চূড়ান্ত প্রস্তাব গ্রহণ করেনি। অন্যদিকে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থাহীনতার কথা তুলে ধরেন।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ ভাঙতে আরও কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন।
তিনি জানিয়েছেন, মার্কিন নৌবাহিনীকে এমন জাহাজ আটকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেগুলো ইরানকে টোল দিয়েছে। এই ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হওয়ায় বিষয়টি আন্তর্জাতিক বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে বলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। এতে একাধিক হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।
সাম্প্রতিক হামলায় দক্ষিণ বৈরুত ও দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন স্থানে ঘন কালো ধোঁয়া এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের ছবি প্রকাশ পেয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা ব্যর্থ হওয়া, ইসরায়েলের নতুন সামরিক প্রস্তুতি এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ে উত্তেজনা— সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে।
বিশেষ করে ইরান, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং লেবাননকে ঘিরে সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়লে এর প্রভাব বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের ধাক্কা দিতে পারে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক