রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় জ্বালানি তেল সংকটের মধ্যেও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা। উপজেলার ৩টি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে কেশরহাট এলাকায় ২টি ফিলিং স্টেশন পর্যায়ক্রমে তেল বিক্রি করছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) সরেজমিনে মেসার্স রহমান ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, সুশৃঙ্খল লাইনে দাঁড়িয়ে বাইক আরোহীরা ৫০০ টাকার অকটেন এবং কৃষকরা সেচযন্ত্রের জন্য ৩০০ টাকার অকটেন সংগ্রহ করছেন। এসময় কিছু ব্যক্তি বোতলে করে তেল নেওয়ার চেষ্টা করলে মোহনপুর থানা পুলিশের সদস্যরা তা কঠোরভাবে প্রতিহত করেন। শুধুমাত্র উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার লিখিত সুপারিশপত্র থাকা জরুরি কৃষকদেরই তেল দেওয়া হয়।
পুলিশের এমন তৎপরতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন সাধারণ মানুষ। লাইনে থাকা বাইক আরোহী ও কৃষকদের মধ্যে ওহাব আলী, কবির হোসেন ও শহিদুল ইসলাম বলেন, “পুলিশ সদস্যরা জনগণের স্বার্থে কাজ করছেন। বোতলে তেল নেওয়ার চেষ্টা ঠেকিয়ে দিয়ে তারা নিশ্চিত করছেন যেন লাইনে থাকা প্রকৃত গ্রাহকরাই তেল পান। রোদে পুড়ে তাদের এ দায়িত্ব পালন আমাদের মুগ্ধ করেছে।”
মেসার্স রহমান ফিলিং স্টেশনে দায়িত্ব পালনরতদের মধ্যে ছিলেন মোহনপুর থানার এসআই মুকুল হোসেন, আসাদ, সাইফুল, টিএসআই বাবলুর রশিদ, এটিএসআই হেলাল আহমেদ, শাহাদৎ হোসেন, এএসআই আশরাফুল, কনস্টেবল শরিফুল, কামরুলসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্য।
এর আগে গত বুধবার (৮ এপ্রিল) কেশরহাটের আরেকটি ফিলিং স্টেশনেও পুলিশের ভূমিকা প্রশংসিত হয়। তবে ত্রিমোহনী এলাকায় অবস্থিত মৌসুমী ফিলিং স্টেশন অধিকাংশ সময় বন্ধ থাকায় জনভোগান্তি বাড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, অসাধু ও স্বার্থান্বেষী মহলের অপপ্রচার ও বিশৃঙ্খলার কারণে ফিলিং স্টেশন মালিকরা তেল আমদানি ও বিক্রয়ে আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারেন। তাই এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এদিকে, মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাহিমা বিনতে আকতার শনিবার বিকালে ঘাসিগ্রাম ইউনিয়নের বেলনা গ্রামে অভিযান চালিয়ে মুদি দোকানদার মারুফ আহমেদের কাছ থেকে অবৈধভাবে মজুদ করা ২৮ লিটার ডিজেল জব্দ করেন এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪০ ধারায় তাকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
তিনি বলেন, অবৈধভাবে তেল মজুদকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ফিলিং স্টেশন মালিকদের তেল আমদানিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে এবং ভোক্তাদের প্রয়োজনীয় জ্বালানি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি অব্যাহত রয়েছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) সরেজমিনে মেসার্স রহমান ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, সুশৃঙ্খল লাইনে দাঁড়িয়ে বাইক আরোহীরা ৫০০ টাকার অকটেন এবং কৃষকরা সেচযন্ত্রের জন্য ৩০০ টাকার অকটেন সংগ্রহ করছেন। এসময় কিছু ব্যক্তি বোতলে করে তেল নেওয়ার চেষ্টা করলে মোহনপুর থানা পুলিশের সদস্যরা তা কঠোরভাবে প্রতিহত করেন। শুধুমাত্র উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার লিখিত সুপারিশপত্র থাকা জরুরি কৃষকদেরই তেল দেওয়া হয়।
পুলিশের এমন তৎপরতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন সাধারণ মানুষ। লাইনে থাকা বাইক আরোহী ও কৃষকদের মধ্যে ওহাব আলী, কবির হোসেন ও শহিদুল ইসলাম বলেন, “পুলিশ সদস্যরা জনগণের স্বার্থে কাজ করছেন। বোতলে তেল নেওয়ার চেষ্টা ঠেকিয়ে দিয়ে তারা নিশ্চিত করছেন যেন লাইনে থাকা প্রকৃত গ্রাহকরাই তেল পান। রোদে পুড়ে তাদের এ দায়িত্ব পালন আমাদের মুগ্ধ করেছে।”
মেসার্স রহমান ফিলিং স্টেশনে দায়িত্ব পালনরতদের মধ্যে ছিলেন মোহনপুর থানার এসআই মুকুল হোসেন, আসাদ, সাইফুল, টিএসআই বাবলুর রশিদ, এটিএসআই হেলাল আহমেদ, শাহাদৎ হোসেন, এএসআই আশরাফুল, কনস্টেবল শরিফুল, কামরুলসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্য।
এর আগে গত বুধবার (৮ এপ্রিল) কেশরহাটের আরেকটি ফিলিং স্টেশনেও পুলিশের ভূমিকা প্রশংসিত হয়। তবে ত্রিমোহনী এলাকায় অবস্থিত মৌসুমী ফিলিং স্টেশন অধিকাংশ সময় বন্ধ থাকায় জনভোগান্তি বাড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, অসাধু ও স্বার্থান্বেষী মহলের অপপ্রচার ও বিশৃঙ্খলার কারণে ফিলিং স্টেশন মালিকরা তেল আমদানি ও বিক্রয়ে আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারেন। তাই এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এদিকে, মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাহিমা বিনতে আকতার শনিবার বিকালে ঘাসিগ্রাম ইউনিয়নের বেলনা গ্রামে অভিযান চালিয়ে মুদি দোকানদার মারুফ আহমেদের কাছ থেকে অবৈধভাবে মজুদ করা ২৮ লিটার ডিজেল জব্দ করেন এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪০ ধারায় তাকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
তিনি বলেন, অবৈধভাবে তেল মজুদকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ফিলিং স্টেশন মালিকদের তেল আমদানিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে এবং ভোক্তাদের প্রয়োজনীয় জ্বালানি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি অব্যাহত রয়েছে।
রতন কুমার প্রামাণিক