বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেছেন, সরকার নিজে ব্যবসা পরিচালনার চিন্তা করে না, বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পগুলো পুনরুজ্জীবিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। এ জন্য বেসরকারি খাত ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
শনিবার সকালে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড-এর সম্মেলন কক্ষে রাজশাহী সিল্কের উন্নয়ন ও বাজারজাতকরণ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, খুব শিগগিরই জাপান থেকে একটি বিনিয়োগকারী দল রাজশাহী সফরে আসবে| স্থানীয় রেশম কারখানার মালিকদের সঙ্গে তাদের সংযোগ স্থাপন করে শিল্প সম্প্রসারণ, বাজার বৃদ্ধি এবং গবেষণার মাধ্যমে প্রান্তিক চাষিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করা হবে| সরকার এ ক্ষেত্রে বেসরকারি খাত ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সেতুবন্ধনের ভূমিকা পালন করবে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে রাজশাহী সিল্কের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন এবং হারিয়ে যাওয়া এ ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
রাজশাহীকে সিল্ক সিটি উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল যেমন নির্দিষ্ট পণ্যের জন্য পরিচিত, কক্সবাজার পর্যটন নগরী, চট্টগ্রাম বাণিজ্যিক রাজধানী, সিলেট চায়ের জন্য, তেমনি রাজশাহী সিল্কের জন্য সুপরিচিত। জিআই পণ্য হিসেবে রাজশাহী সিল্ক দেশের ঐতিহ্য ও আবেগের প্রতীক, তাই এটিকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে নতুনভাবে বিশ্ববাজারে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
রেশম খাতকে স্পর্শকাতর উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই শিল্প পরিবেশ ও তাপমাত্রার ওপর নির্ভরশীল। তাই গবেষণা জোরদার করা, প্রান্তিক চাষিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সমন্বয় জরুরি। তিনি বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে লিখিত পরামর্শ আহ্বান করেন।
গবেষণা খাতে বরাদ্দ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পূর্বে যেখানে মাত্র ৯ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল, তা অপ্রতুল বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী তা বাড়িয়ে ৫০ লাখ টাকা করেছেন এবং ভবিষ্যতে আরও বরাদ্দ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। পাশাপাশি আসন্ন পহেলা ˆবশাখে কৃষক কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে বলেও জানান তিনি।
সভা শুরুর আগে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করেন।
সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. তৌফিক আল মাহমুদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান এবং বোর্ডের পরিচালক মোছাঃ নাছিমা খাতুন। সভায় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, রেশম ব্যবসায়ী, চাষি, উদ্যোক্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার সকালে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড-এর সম্মেলন কক্ষে রাজশাহী সিল্কের উন্নয়ন ও বাজারজাতকরণ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, খুব শিগগিরই জাপান থেকে একটি বিনিয়োগকারী দল রাজশাহী সফরে আসবে| স্থানীয় রেশম কারখানার মালিকদের সঙ্গে তাদের সংযোগ স্থাপন করে শিল্প সম্প্রসারণ, বাজার বৃদ্ধি এবং গবেষণার মাধ্যমে প্রান্তিক চাষিদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করা হবে| সরকার এ ক্ষেত্রে বেসরকারি খাত ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সেতুবন্ধনের ভূমিকা পালন করবে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে রাজশাহী সিল্কের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন এবং হারিয়ে যাওয়া এ ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
রাজশাহীকে সিল্ক সিটি উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল যেমন নির্দিষ্ট পণ্যের জন্য পরিচিত, কক্সবাজার পর্যটন নগরী, চট্টগ্রাম বাণিজ্যিক রাজধানী, সিলেট চায়ের জন্য, তেমনি রাজশাহী সিল্কের জন্য সুপরিচিত। জিআই পণ্য হিসেবে রাজশাহী সিল্ক দেশের ঐতিহ্য ও আবেগের প্রতীক, তাই এটিকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে নতুনভাবে বিশ্ববাজারে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
রেশম খাতকে স্পর্শকাতর উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই শিল্প পরিবেশ ও তাপমাত্রার ওপর নির্ভরশীল। তাই গবেষণা জোরদার করা, প্রান্তিক চাষিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সমন্বয় জরুরি। তিনি বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে লিখিত পরামর্শ আহ্বান করেন।
গবেষণা খাতে বরাদ্দ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পূর্বে যেখানে মাত্র ৯ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল, তা অপ্রতুল বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী তা বাড়িয়ে ৫০ লাখ টাকা করেছেন এবং ভবিষ্যতে আরও বরাদ্দ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। পাশাপাশি আসন্ন পহেলা ˆবশাখে কৃষক কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে বলেও জানান তিনি।
সভা শুরুর আগে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করেন।
সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. তৌফিক আল মাহমুদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান এবং বোর্ডের পরিচালক মোছাঃ নাছিমা খাতুন। সভায় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, রেশম ব্যবসায়ী, চাষি, উদ্যোক্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :