যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পেতে নিজের অতীত সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন এমন অভিযোগে এক নারীকে আড়াই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে কানেকটিকাটের একটি ফেডারেল আদালত। কানেকটিকাটে বসবাসকারী ওই নারী বসনিয়ার যুদ্ধাপরাধে জড়িত ছিলেন বলে মিথ্যা তথ্য দেন। কোনো এক সময়ে বসনিয়ার যুদ্ধাপরাধী নাদা রাদোভান তোমানিচ হার্টফোর্ড থেকে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় চলে যান, কিন্তু দূরত্বও তাকে তার কর্মকাণ্ডের পরিণতি থেকে রক্ষা করতে পারেনি।
৫৩ বছর বয়সী নাদা রাদোভান তোমানিচকে বুধবার ব্রিজপোর্ট ফেডারেল আদালত আড়াই বছরের কারাদণ্ড প্রদান করে। ডেভিড সুলিভান-এর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২০১২ সালে হার্টফোর্ডে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার সময় তার অপরাধমূলক অতীত গোপন করেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৯০-এর দশকে বসনিয়া যুদ্ধের সময় তোমানিচ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার সেনাবাহিনী-এর ‘জুলফিকার স্পেশাল ইউনিট’-এ দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় তিনি ও তার ইউনিটের অন্য সদস্যরা বসনিয়ান সার্ব বেসামরিক বন্দিদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালান, যার মধ্যে নির্যাতন ও অমানবিক আচরণ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
তবে নাগরিকত্বের আবেদনকালে তিনি দাবি করেন, তিনি কখনো কোনো আটক কেন্দ্রে কাজ করেননি বা কাউকে আটক রাখার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। এমনকি তিনি কোনো যুদ্ধাপরাধেও জড়িত ছিলেন না বলে শপথ করে মিথ্যা তথ্য দেন।
তদন্তে আরও জানা যায়, মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস) -এর কর্মকর্তার সামনে সাক্ষাৎকারের সময়ও তিনি শপথ নিয়ে এসব তথ্য অস্বীকার করেন। ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর তিনি অবৈধভাবে নাগরিকত্ব গ্রহণের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন।
রায় ঘোষণার পর আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তারা বলেন, বহু বছর পর হলেও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারা যুক্তরাষ্ট্র ও বসনিয়ার তদন্তকারীদের সহযোগিতার প্রশংসা করেন।
এফবিআইয়ের নিউ হ্যাভেন ফিল্ড অফিস-এর কর্মকর্তারা জানান, এই মামলাটি শুধু নাগরিকত্ব আবেদনে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার বিষয় নয়; বরং তার অতীতের সহিংস কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়ও ছিল।
এই মামলাটি তদন্ত করেছে ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)। তদন্তে সমন্বয় সহায়তা দেয় স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ-এর হিউম্যান রাইটস ভায়োলেটরস অ্যান্ড ওয়ার ক্রাইমস সেন্টার (এইচআরভিডব্লিউসিসি) এবং মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস)-এর ফ্রড ডিটেকশন অ্যান্ড ন্যাশনাল সিকিউরিটি (এফডিএনএস) অফিস, পাশাপাশি এফবিআই-এর ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস ইউনিট (আইএইচআরইউ)।
এই তদন্তে সহযোগিতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার কর্তৃপক্ষকে—বিশেষ করে তাদের বিচার মন্ত্রণালয় ও রিপাবলিকা সার্পস্কার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সার্বিয়ার কর্তৃপক্ষসহ জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক ফৌজদারি ট্রাইব্যুনালের অবশিষ্ট প্রক্রিয়া-কে ধন্যবাদ জানিয়েছে, যারা তদন্ত এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করেছে।
মামলাটি পরিচালনা করেন ক্রিমিনাল ডিভিশনের হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড স্পেশাল প্রসিকিউশন্স সেকশনের ট্রায়াল অ্যাটর্নি এলিজাবেথ নিলসেন এবং কানেকটিকাট জেলার সহকারী ইউএস অ্যাটর্নি আনাস্তাসিয়া কিং ও অ্যাঞ্জেল ক্রুল, এইচআরএসপি ইতিহাসবিদদের সহায়তায়। এছাড়া, বিচার বিভাগের অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সও এ মামলায় সহযোগিতা করেছে।
৫৩ বছর বয়সী নাদা রাদোভান তোমানিচকে বুধবার ব্রিজপোর্ট ফেডারেল আদালত আড়াই বছরের কারাদণ্ড প্রদান করে। ডেভিড সুলিভান-এর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২০১২ সালে হার্টফোর্ডে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার সময় তার অপরাধমূলক অতীত গোপন করেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৯০-এর দশকে বসনিয়া যুদ্ধের সময় তোমানিচ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার সেনাবাহিনী-এর ‘জুলফিকার স্পেশাল ইউনিট’-এ দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় তিনি ও তার ইউনিটের অন্য সদস্যরা বসনিয়ান সার্ব বেসামরিক বন্দিদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালান, যার মধ্যে নির্যাতন ও অমানবিক আচরণ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
তবে নাগরিকত্বের আবেদনকালে তিনি দাবি করেন, তিনি কখনো কোনো আটক কেন্দ্রে কাজ করেননি বা কাউকে আটক রাখার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। এমনকি তিনি কোনো যুদ্ধাপরাধেও জড়িত ছিলেন না বলে শপথ করে মিথ্যা তথ্য দেন।
তদন্তে আরও জানা যায়, মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস) -এর কর্মকর্তার সামনে সাক্ষাৎকারের সময়ও তিনি শপথ নিয়ে এসব তথ্য অস্বীকার করেন। ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর তিনি অবৈধভাবে নাগরিকত্ব গ্রহণের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন।
রায় ঘোষণার পর আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তারা বলেন, বহু বছর পর হলেও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারা যুক্তরাষ্ট্র ও বসনিয়ার তদন্তকারীদের সহযোগিতার প্রশংসা করেন।
এফবিআইয়ের নিউ হ্যাভেন ফিল্ড অফিস-এর কর্মকর্তারা জানান, এই মামলাটি শুধু নাগরিকত্ব আবেদনে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার বিষয় নয়; বরং তার অতীতের সহিংস কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়ও ছিল।
এই মামলাটি তদন্ত করেছে ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)। তদন্তে সমন্বয় সহায়তা দেয় স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ-এর হিউম্যান রাইটস ভায়োলেটরস অ্যান্ড ওয়ার ক্রাইমস সেন্টার (এইচআরভিডব্লিউসিসি) এবং মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস)-এর ফ্রড ডিটেকশন অ্যান্ড ন্যাশনাল সিকিউরিটি (এফডিএনএস) অফিস, পাশাপাশি এফবিআই-এর ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস ইউনিট (আইএইচআরইউ)।
এই তদন্তে সহযোগিতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার কর্তৃপক্ষকে—বিশেষ করে তাদের বিচার মন্ত্রণালয় ও রিপাবলিকা সার্পস্কার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সার্বিয়ার কর্তৃপক্ষসহ জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক ফৌজদারি ট্রাইব্যুনালের অবশিষ্ট প্রক্রিয়া-কে ধন্যবাদ জানিয়েছে, যারা তদন্ত এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করেছে।
মামলাটি পরিচালনা করেন ক্রিমিনাল ডিভিশনের হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড স্পেশাল প্রসিকিউশন্স সেকশনের ট্রায়াল অ্যাটর্নি এলিজাবেথ নিলসেন এবং কানেকটিকাট জেলার সহকারী ইউএস অ্যাটর্নি আনাস্তাসিয়া কিং ও অ্যাঞ্জেল ক্রুল, এইচআরএসপি ইতিহাসবিদদের সহায়তায়। এছাড়া, বিচার বিভাগের অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সও এ মামলায় সহযোগিতা করেছে।
ইমা এলিস, নিউ ইয়র্ক