প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, আমাদের যে নির্বাচনি ইশতাহার সেটা এখন জাতীয় এজেন্ডায় পরিণত হয়েছে। নিরঙ্কুশ ভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের আস্থা প্রকাশ করেছে। এই আস্থা প্রকাশের মাধ্যমে তারা যে ম্যান্ডেট দিয়েছে এটা বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে। বিএনপির নির্বাচনি ইশতাহারে পাঁচটি ভিত্তি রয়েছে। তার মধ্যে সমতাভিত্তিক আঞ্চলিক উন্নয়ন অন্যতম। এই বিষয়টি এখন পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক দলের নির্বাচনি ইশতাহারে স্থান পায়নি। বিএনপি বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে ইশতাহারে এনেছে এবং তা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং নাটোর জেলার শিল্পায়নের সম্ভাবনা শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, আঞ্চলিক বৈষম্য নিরসনে কী ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে এই বৈষম্য থেকে আস্তে আস্তে আমরা সমতাভিত্তিক পথে এগোবো সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আজকের এই আয়োজন। কৃষি এবং কৃষিজাত পণ্যের রপ্তানি, মূল্য সংযোজন এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ এই তিনটি বিষয় এ অঞ্চলকে একটি অন্যরকম সমতার দিকে নিয়ে যেতে পারে। চারটি ক্ষেত্রে এই অঞ্চলের উদ্বৃত্ত আমরা লক্ষ্য করছি- দানাদার শস্য, ফল, ফুল এবং দুগ্ধজাত পণ্য। এছাড়াও পাথর এবং নূড়ী পাথর রয়েছে। এই উদ্বৃত্ত পণ্য থেকে কীভাবে আমরা উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে পারি, প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা আনতে পারি, মূল্য সংযোজন কীভাবে করতে পারি এবং রপ্তানি কীভাবে করতে পারি এটিই হচ্ছে সরকারের অভীষ্ট লক্ষ্য।
শিল্পায়নের ক্ষেত্রে বর্তমানে এখানকার কী পরিস্থিতি এবং এখানে সরকারের কী নীতিগত সহায়তা দরকার বলে আপনারা মনে করেন উপদেষ্টার এমন প্রশ্নের পেক্ষিতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলেই- আলু, টমেটো, রসুন, মসলা, ধান, গম, আম, পেয়ারা, কলা, নতুন নতুন বিদেশি ফল, পুরনো চামড়া শিল্প, গ্যাস, রেশম শিল্প, ইক্ষু চাষ, দুধ এবং দুগ্ধজাত পণ্য, ক্ষুদ্র, নকশি কাঁথা এবং কাসা কথা উল্লেখ করেছেন। এসব ক্ষেত্রে শিল্পের ব্যাপক সম্ভবনা রয়েছে। এর সাথে সাথে আপনারা সংরক্ষণাগার, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, কৃষি জমির সর্বোত্তম ব্যবহার, সুদের হার যৌক্তিকিকরণ এবং শিল্প ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়ন বিষয়ে আলোকপাত করেছেন।
তিনি বলেন, আজকে আমরা একটা ধ্বংসাত্মক অর্থনীতি পেয়েছি যেখানে গত প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩ শতাংশ। তবে আমরা নিঃসন্দেহে বলতে পারি আগামী পাঁচ বছর পরে উত্তরাঞ্চলে অনেক গুণগত পরিবর্তন হবে যদি আমরা সবাই একসাথে কাজ করি।
উপদেষ্টা আরও বলেন, এই অঞ্চলের কৃষিকে বুঝতে সকালে আমরা সরেজমিন মাঠ পরিদর্শন করেছি। এখানে অনেক ধরনের পণ্য উৎপাদিত হয়। এ অঞ্চলের চাহিদা মিটিয়ে সেগুলো উদ্বৃত্ত থাকে। কৃষিভিত্তিক শিল্পই এই অঞ্চলকে এগিয়ে নিতে পারবে। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করব।
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। অন্যান্যের মধ্যে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটনসহ রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং নাটোর জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা পরিষদের প্রশাসক, চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের প্রধান, ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, রাজনৈতিক, এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং নাটোর জেলার শিল্পায়নের সম্ভাবনা শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, আঞ্চলিক বৈষম্য নিরসনে কী ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে এই বৈষম্য থেকে আস্তে আস্তে আমরা সমতাভিত্তিক পথে এগোবো সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আজকের এই আয়োজন। কৃষি এবং কৃষিজাত পণ্যের রপ্তানি, মূল্য সংযোজন এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ এই তিনটি বিষয় এ অঞ্চলকে একটি অন্যরকম সমতার দিকে নিয়ে যেতে পারে। চারটি ক্ষেত্রে এই অঞ্চলের উদ্বৃত্ত আমরা লক্ষ্য করছি- দানাদার শস্য, ফল, ফুল এবং দুগ্ধজাত পণ্য। এছাড়াও পাথর এবং নূড়ী পাথর রয়েছে। এই উদ্বৃত্ত পণ্য থেকে কীভাবে আমরা উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে পারি, প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা আনতে পারি, মূল্য সংযোজন কীভাবে করতে পারি এবং রপ্তানি কীভাবে করতে পারি এটিই হচ্ছে সরকারের অভীষ্ট লক্ষ্য।
শিল্পায়নের ক্ষেত্রে বর্তমানে এখানকার কী পরিস্থিতি এবং এখানে সরকারের কী নীতিগত সহায়তা দরকার বলে আপনারা মনে করেন উপদেষ্টার এমন প্রশ্নের পেক্ষিতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলেই- আলু, টমেটো, রসুন, মসলা, ধান, গম, আম, পেয়ারা, কলা, নতুন নতুন বিদেশি ফল, পুরনো চামড়া শিল্প, গ্যাস, রেশম শিল্প, ইক্ষু চাষ, দুধ এবং দুগ্ধজাত পণ্য, ক্ষুদ্র, নকশি কাঁথা এবং কাসা কথা উল্লেখ করেছেন। এসব ক্ষেত্রে শিল্পের ব্যাপক সম্ভবনা রয়েছে। এর সাথে সাথে আপনারা সংরক্ষণাগার, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, কৃষি জমির সর্বোত্তম ব্যবহার, সুদের হার যৌক্তিকিকরণ এবং শিল্প ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়ন বিষয়ে আলোকপাত করেছেন।
তিনি বলেন, আজকে আমরা একটা ধ্বংসাত্মক অর্থনীতি পেয়েছি যেখানে গত প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩ শতাংশ। তবে আমরা নিঃসন্দেহে বলতে পারি আগামী পাঁচ বছর পরে উত্তরাঞ্চলে অনেক গুণগত পরিবর্তন হবে যদি আমরা সবাই একসাথে কাজ করি।
উপদেষ্টা আরও বলেন, এই অঞ্চলের কৃষিকে বুঝতে সকালে আমরা সরেজমিন মাঠ পরিদর্শন করেছি। এখানে অনেক ধরনের পণ্য উৎপাদিত হয়। এ অঞ্চলের চাহিদা মিটিয়ে সেগুলো উদ্বৃত্ত থাকে। কৃষিভিত্তিক শিল্পই এই অঞ্চলকে এগিয়ে নিতে পারবে। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করব।
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। অন্যান্যের মধ্যে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটনসহ রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং নাটোর জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা পরিষদের প্রশাসক, চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের প্রধান, ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, রাজনৈতিক, এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :