রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী পবার দারুশা মেসার্স মতিউর ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রিতে অনিয়ম, মজুতের সঠিক হিসাব না রাখা এবং গ্রাহকদের রশিদ না দেওয়ার অভিযোগে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।
জানা গেছে,বৃহস্পতিবার (৯এপ্রিল) বিকালে পবা উপজেলার দারুশা কর্ণহারে অবস্থিত মতিউর ফিলিং স্টেশনে এ অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সামিয়া রহমান গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, জ্বালানি তেলের সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করতে সম্প্রতি সরকার পেট্রোল পাম্পগুলোতে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগ দিয়েছে। এর অংশ হিসেবে নিয়মিত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার ধারাবাহিকতায় এ অভিযান চালানো হয়।
তিনি বলেন, মনিটরিংয়ের সময় পাম্পটির কার্যক্রমে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা ও একাধিক গুরুতর অনিয়ম ধরা পড়ে। পাম্প কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়াই তেল বিক্রি করছিল। এছাড়া গ্রাহকদের তেল বিক্রির বিপরীতে বাধ্যতামূলক রশিদ দেওয়া হচ্ছিল না এবং এ সংক্রান্ত কোনো নথিও তারা দেখাতে পারেনি। তিনি বলেন, পাম্পে তেলের মজুত সংক্রান্ত যে হিসাব দেখানো হচ্ছিল, তা যাচাই করার মতো কোনো কার্যকর ব্যবস্থা সেখানে ছিল না। এসব অনিয়মের প্রেক্ষিতে ভোক্তা অধিকার ও সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী পাম্পটিকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানকালে প্রশাসনের মনিটরিং কর্মকর্তা, র্যাব-৫ এর সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসার উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে স্থানীয়রা জানান,এই পাম্পের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে তেলে ভেজাল ও ওজনে কম দেয়ার।তারা এই পাম্পে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করার দাবি করেছেন।
জানা গেছে,বৃহস্পতিবার (৯এপ্রিল) বিকালে পবা উপজেলার দারুশা কর্ণহারে অবস্থিত মতিউর ফিলিং স্টেশনে এ অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সামিয়া রহমান গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, জ্বালানি তেলের সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করতে সম্প্রতি সরকার পেট্রোল পাম্পগুলোতে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগ দিয়েছে। এর অংশ হিসেবে নিয়মিত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার ধারাবাহিকতায় এ অভিযান চালানো হয়।
তিনি বলেন, মনিটরিংয়ের সময় পাম্পটির কার্যক্রমে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা ও একাধিক গুরুতর অনিয়ম ধরা পড়ে। পাম্প কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়াই তেল বিক্রি করছিল। এছাড়া গ্রাহকদের তেল বিক্রির বিপরীতে বাধ্যতামূলক রশিদ দেওয়া হচ্ছিল না এবং এ সংক্রান্ত কোনো নথিও তারা দেখাতে পারেনি। তিনি বলেন, পাম্পে তেলের মজুত সংক্রান্ত যে হিসাব দেখানো হচ্ছিল, তা যাচাই করার মতো কোনো কার্যকর ব্যবস্থা সেখানে ছিল না। এসব অনিয়মের প্রেক্ষিতে ভোক্তা অধিকার ও সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী পাম্পটিকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানকালে প্রশাসনের মনিটরিং কর্মকর্তা, র্যাব-৫ এর সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসার উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে স্থানীয়রা জানান,এই পাম্পের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে তেলে ভেজাল ও ওজনে কম দেয়ার।তারা এই পাম্পে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করার দাবি করেছেন।
আলিফ হোসেন