উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল ফার্স্ট লেগ। মানসিক চাপ, আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ, স্নায়ুর লড়াই—সব একসঙ্গে। আর সেই মঞ্চেই লেখা হল দুটো আলাদা গল্প। একদিকে সান্তিয়াগো বের্নাবিউতে রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে কিছুটা হলেও এগিয়ে থাকল বায়ার্ন মিউনিখ। অন্যদিকে লিসবনে খারাপ খেলেও শেষ মুহূর্তে জিতে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলল মিকেল আর্তেতার আর্সেনাল।
দেওয়ালের নাম ন্যয়ার
বায়ার্ন মিউনিখ ৯০ মিনিটের ম্যাচে শেষবার রিয়ালকে তাদের ঘরে গিয়ে হারিয়েছিল ২৫ বছর আগে। সেই নিরিখে গতরাতের সাফল্য আক্ষরিক অর্থে ‘বিরল’। সেটা করে দেখাল ভিনসেন্ট কোম্পানির ছেলেরা। ২-১ ব্যবধানে জিতে প্রথম লেগ নিজেদের পকেটে পুরল বায়ার্ন। লুইস দিয়াজ প্রথামার্ধে দলকে এগিয়ে দেন। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ইংরেজ স্ট্রাইকার হ্যারি কেন ব্যবধান বাড়ান। পুরো ম্যাচেই অপ্রতিরোধ্য দাপট। প্রথমার্ধে তারা রিয়ালকে প্রায় কোণঠাসা করে ফেলেছিল বায়ার্ন মিউনিখ। তবে ম্যাচের আসল নায়ক ম্যানুয়েল ন্যয়ার। একাধিক সেভে মাদ্রিদ বাহিনীকে আটকে দেন। বিশেষ করে কিলিয়ান এমবাপে ও ভিনিসিয়াস জুনিয়রের একের পর এক শট দুরন্ত দক্ষতায় সেভ করেন অভিজ্ঞ জার্মান কিপার। শেষমেশ ম্যাচের ৭৪ মিনিটে ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডের পাস থেকে নিখুঁত ফিনিশে এমবাপে রিয়ালকে লড়াইয়ে রাখলেও শেষ চারে ওঠার যুদ্ধে অ্যাভভান্টেজ বায়ার্ন! পরের লেগ সামনের সপ্তাহে আলিয়াঞ্জ অ্যারিনায়। রিয়ালের রক্ষণ এদিন নড়বড়ে দেখিয়েছে, যা তাদের চিন্তায় রাখবে। ডিফেন্ডার আন্তোনিও রুডিগার স্বীকার করেছেন—‘আমরা নিজেরাই দুটো গোল উপহার দিয়েছি।’
লিসবনে নায়ক হাভার্ৎজ
রাতের অন্য ম্যাচের (স্পোর্টিং লিসবন বনাম আর্সেনাল) ছবিটা একেবারে আলাদা। আর্সেনাল ভালো খেলেনি। ছন্দ ছিল না। আক্রমণ ভাঙছিল বারবার। তবু শেষ পর্যন্ত জয় এল। কাই হাভার্ৎজ সংযুক্ত সময়ে গোল করে দলকে ১-০ জিতিয়ে দেন। গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলির পাসে রক্ষণ ভেঙে বেরিয়ে এসে দুরন্ত ফিনিশ। এই এক মুহূর্তই আসল ফারাক গড়ে দেয়। যদিও হাভার্ৎজ নন, আর্সেনালের আসল পরিত্রাতার নাম ডেভিড রায়া। প্রথমার্ধে ম্যাক্সি আরাউজোর শট ক্রসবারে তুলে দেন। পরে জেনি কাতামোর শটও আটকান। স্প্যানিশ কিপার এই সেভগুলো না করলে ম্যাচের গল্প অন্যরকম হতে পারত। ম্যাচ শেষে কোচ মিকেল আর্তেতা বললেন, ‘এই পর্যায়ে এমন মুহূর্তই ম্যাচ জেতায়।’
কার ভাগ্যে শেষ চার?
বাকি দুই ম্যাচেই এখন হিসেব খোলা। বায়ার্ন এগিয়ে থাকলেও রিয়াল লড়াইয়ে টিকে। আর্সেনালও আত্মবিশ্বাসী, তবে দ্বিতীয় লেগে উন্নতি দরকার। সব মিলিয়ে—চ্যাম্পিয়নস লিগের এই কোয়ার্টার ফাইনাল এখন দাঁড়িয়ে রয়েছে সূক্ষ্ম ব্যবধানে। একটা গোল, একটা সেভ, একটা ভুল… বদলে দিতে পারে সমস্ত কাহিনি।
দেওয়ালের নাম ন্যয়ার
বায়ার্ন মিউনিখ ৯০ মিনিটের ম্যাচে শেষবার রিয়ালকে তাদের ঘরে গিয়ে হারিয়েছিল ২৫ বছর আগে। সেই নিরিখে গতরাতের সাফল্য আক্ষরিক অর্থে ‘বিরল’। সেটা করে দেখাল ভিনসেন্ট কোম্পানির ছেলেরা। ২-১ ব্যবধানে জিতে প্রথম লেগ নিজেদের পকেটে পুরল বায়ার্ন। লুইস দিয়াজ প্রথামার্ধে দলকে এগিয়ে দেন। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ইংরেজ স্ট্রাইকার হ্যারি কেন ব্যবধান বাড়ান। পুরো ম্যাচেই অপ্রতিরোধ্য দাপট। প্রথমার্ধে তারা রিয়ালকে প্রায় কোণঠাসা করে ফেলেছিল বায়ার্ন মিউনিখ। তবে ম্যাচের আসল নায়ক ম্যানুয়েল ন্যয়ার। একাধিক সেভে মাদ্রিদ বাহিনীকে আটকে দেন। বিশেষ করে কিলিয়ান এমবাপে ও ভিনিসিয়াস জুনিয়রের একের পর এক শট দুরন্ত দক্ষতায় সেভ করেন অভিজ্ঞ জার্মান কিপার। শেষমেশ ম্যাচের ৭৪ মিনিটে ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডের পাস থেকে নিখুঁত ফিনিশে এমবাপে রিয়ালকে লড়াইয়ে রাখলেও শেষ চারে ওঠার যুদ্ধে অ্যাভভান্টেজ বায়ার্ন! পরের লেগ সামনের সপ্তাহে আলিয়াঞ্জ অ্যারিনায়। রিয়ালের রক্ষণ এদিন নড়বড়ে দেখিয়েছে, যা তাদের চিন্তায় রাখবে। ডিফেন্ডার আন্তোনিও রুডিগার স্বীকার করেছেন—‘আমরা নিজেরাই দুটো গোল উপহার দিয়েছি।’
লিসবনে নায়ক হাভার্ৎজ
রাতের অন্য ম্যাচের (স্পোর্টিং লিসবন বনাম আর্সেনাল) ছবিটা একেবারে আলাদা। আর্সেনাল ভালো খেলেনি। ছন্দ ছিল না। আক্রমণ ভাঙছিল বারবার। তবু শেষ পর্যন্ত জয় এল। কাই হাভার্ৎজ সংযুক্ত সময়ে গোল করে দলকে ১-০ জিতিয়ে দেন। গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলির পাসে রক্ষণ ভেঙে বেরিয়ে এসে দুরন্ত ফিনিশ। এই এক মুহূর্তই আসল ফারাক গড়ে দেয়। যদিও হাভার্ৎজ নন, আর্সেনালের আসল পরিত্রাতার নাম ডেভিড রায়া। প্রথমার্ধে ম্যাক্সি আরাউজোর শট ক্রসবারে তুলে দেন। পরে জেনি কাতামোর শটও আটকান। স্প্যানিশ কিপার এই সেভগুলো না করলে ম্যাচের গল্প অন্যরকম হতে পারত। ম্যাচ শেষে কোচ মিকেল আর্তেতা বললেন, ‘এই পর্যায়ে এমন মুহূর্তই ম্যাচ জেতায়।’
কার ভাগ্যে শেষ চার?
বাকি দুই ম্যাচেই এখন হিসেব খোলা। বায়ার্ন এগিয়ে থাকলেও রিয়াল লড়াইয়ে টিকে। আর্সেনালও আত্মবিশ্বাসী, তবে দ্বিতীয় লেগে উন্নতি দরকার। সব মিলিয়ে—চ্যাম্পিয়নস লিগের এই কোয়ার্টার ফাইনাল এখন দাঁড়িয়ে রয়েছে সূক্ষ্ম ব্যবধানে। একটা গোল, একটা সেভ, একটা ভুল… বদলে দিতে পারে সমস্ত কাহিনি।
ক্রীড়া ডেস্ক