প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদে বলেন, দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে আগামী দুই দশকের একটি সমন্বিত উদ্যোগ ও কৌশলগত রূপরেখা প্রস্তুত করা হয়েছে।
ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, পর্যটন একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত। বর্তমান সরকার এ খাতের অগ্রগতিতে নানা কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে।
নির্বাচনী ইশতেহারে পর্যটন সংশ্লিষ্ট পাঁচটি প্রতিশ্রুতি রয়েছে—পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ট্যুর গাইড প্রশিক্ষণ, রন্ধনশৈলী পর্যটন প্রসার, কমিউনিটি ও এথনিক ট্যুরিজম, ওয়াটার ও ইকো ট্যুরিজম এবং গ্রাম পর্যটন উন্নয়ন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা’র খসড়া ইতোমধ্যে প্রস্তুত হয়েছে। এতে আইন ও নীতিমালা প্রণয়ন, পর্যটন ক্লাস্টার গঠন, স্থানীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, উপকূলীয় পর্যটন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার বিস্তারিত রূপরেখা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তিনি জানান, বর্তমানে দেশের ৩০টির বেশি জেলায় স্বীকৃত ও আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য রয়েছে। প্রত্যেক জেলার সম্ভাবনা বিবেচনা করে স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিভিত্তিক পর্যটন সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই মহাপরিকল্পনা সার্বিকভাবে পর্যটন শিল্পকে সামঞ্জস্যপূর্ণ ও টেকসই উন্নয়নের পথে নিয়ে যাবে।
এছাড়া সংসদে ফ্যামিলি কার্ড ও নারী শিক্ষা নিয়েও প্রধানমন্ত্রী বিস্তারিত মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ৩৭,৮১৪টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে প্রায় ৪ কোটি প্রান্তিক পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি দেশের প্রত্যেক উপজেলা সদরে একটি করে মহিলা কলেজ সরকারিকরণের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, পর্যটন একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত। বর্তমান সরকার এ খাতের অগ্রগতিতে নানা কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে।
নির্বাচনী ইশতেহারে পর্যটন সংশ্লিষ্ট পাঁচটি প্রতিশ্রুতি রয়েছে—পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ট্যুর গাইড প্রশিক্ষণ, রন্ধনশৈলী পর্যটন প্রসার, কমিউনিটি ও এথনিক ট্যুরিজম, ওয়াটার ও ইকো ট্যুরিজম এবং গ্রাম পর্যটন উন্নয়ন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা’র খসড়া ইতোমধ্যে প্রস্তুত হয়েছে। এতে আইন ও নীতিমালা প্রণয়ন, পর্যটন ক্লাস্টার গঠন, স্থানীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, উপকূলীয় পর্যটন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার বিস্তারিত রূপরেখা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তিনি জানান, বর্তমানে দেশের ৩০টির বেশি জেলায় স্বীকৃত ও আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য রয়েছে। প্রত্যেক জেলার সম্ভাবনা বিবেচনা করে স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিভিত্তিক পর্যটন সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই মহাপরিকল্পনা সার্বিকভাবে পর্যটন শিল্পকে সামঞ্জস্যপূর্ণ ও টেকসই উন্নয়নের পথে নিয়ে যাবে।
এছাড়া সংসদে ফ্যামিলি কার্ড ও নারী শিক্ষা নিয়েও প্রধানমন্ত্রী বিস্তারিত মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ৩৭,৮১৪টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে প্রায় ৪ কোটি প্রান্তিক পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি দেশের প্রত্যেক উপজেলা সদরে একটি করে মহিলা কলেজ সরকারিকরণের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
অনলাইন ডেস্ক