ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা বাজারে দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও অযত্নে মানবেতর জীবনযাপন করা এক পরিচয়হীন মানসিক ভারসাম্যহীন অন্তঃসত্ত্বা নারীকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে পাঠিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে স্থানীয় সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই নারীকে উদ্ধার করে নিরাপদ হেফাজতে নেওয়া হয়।
প্রশাসন জানায়, উদ্ধারকৃত নারীর জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও সার্বিক স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসা ও নিরাপদ পরিচর্যার জন্য তাকে গাজীপুরের পুবাইল এলাকায় অবস্থিত একটি সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। সেখানে তার নিয়মিত চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ চলবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ধানীখোলা বাজার এলাকায় নিঃসঙ্গভাবে অবস্থান করছিলেন ওই নারী। সম্প্রতি তার শারীরিক পরিবর্তন নজরে এলে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। পরে নিশ্চিত হওয়া যায়, তিনি অন্তঃসত্ত্বা।
স্থানীয় সাংবাদিক দ্বীপজয় সরকার বলেন, বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনার পর ইউএনও অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে ব্যবস্থা নেন, যা মানবিকতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, এটি শুধু প্রশাসনিক দায়িত্ব নয়, বরং মানবিক কর্তব্য। সমাজের সবচেয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রশাসনের অঙ্গীকার। নাম-পরিচয়হীন হওয়ায় ওই নারী কোনো তথ্য দিতে পারছেন না। সরকারি বিধান অনুযায়ী তার দুই বছরের দেখভালের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নারীটিকে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ ছিল, তবে তা সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় প্রশাসন স্বস্তি বোধ করছে।
এ ঘটনায় ধানীখোলা এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়রা প্রশাসনের এমন মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। একইসঙ্গে সচেতন মহল ওই নারীর এ অবস্থার জন্য দায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে স্থানীয় সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত সিদ্দিকী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই নারীকে উদ্ধার করে নিরাপদ হেফাজতে নেওয়া হয়।
প্রশাসন জানায়, উদ্ধারকৃত নারীর জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও সার্বিক স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসা ও নিরাপদ পরিচর্যার জন্য তাকে গাজীপুরের পুবাইল এলাকায় অবস্থিত একটি সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। সেখানে তার নিয়মিত চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ চলবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ধানীখোলা বাজার এলাকায় নিঃসঙ্গভাবে অবস্থান করছিলেন ওই নারী। সম্প্রতি তার শারীরিক পরিবর্তন নজরে এলে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। পরে নিশ্চিত হওয়া যায়, তিনি অন্তঃসত্ত্বা।
স্থানীয় সাংবাদিক দ্বীপজয় সরকার বলেন, বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনার পর ইউএনও অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে ব্যবস্থা নেন, যা মানবিকতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, এটি শুধু প্রশাসনিক দায়িত্ব নয়, বরং মানবিক কর্তব্য। সমাজের সবচেয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রশাসনের অঙ্গীকার। নাম-পরিচয়হীন হওয়ায় ওই নারী কোনো তথ্য দিতে পারছেন না। সরকারি বিধান অনুযায়ী তার দুই বছরের দেখভালের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নারীটিকে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ ছিল, তবে তা সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় প্রশাসন স্বস্তি বোধ করছে।
এ ঘটনায় ধানীখোলা এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়রা প্রশাসনের এমন মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। একইসঙ্গে সচেতন মহল ওই নারীর এ অবস্থার জন্য দায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।
প্রতিনিধি :