স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডায়ালাইসিস সেবা সম্প্রসারণে বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে ৫৯ হাসপাতালে ডায়ালাইসিস সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
মঙ্গলবার সংসদে ঢাকা-১৮ আসনের সরকারি দলের সদস্য এস. এম. জাহাঙ্গীর হোসেনের টেবিলে উপস্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসমূহে বিদ্যমান কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ এবং জেলা সদর হাসপাতালসমূহে ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন (১ম সংশোধিত)’ শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় বর্তমানে দেশের ১৫টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং ৪৪টি জেলা সদর হাসপাতালে অবকাঠামো উন্নয়ন, চিকিৎসা যন্ত্রপাতি সরবরাহ ও ক্রয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
তিনি জানান, প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে কিডনি রোগে আক্রান্ত রোগীরা বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে স্বল্পমূল্যে ডায়ালাইসিস সেবা নিতে পারবেন, যা চিকিৎসা সেবাকে আরও সহজলভ্য করবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ সম্পন্ন হওয়ার আশা করা হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় জনগণ সরাসরি এটির সুফল ভোগ করবে।
ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, করোনা মহামারি মোকাবেলায় ভ্যাকসিনসহ করোনা সরঞ্জামাদি আমদানি ও কেনাকাটার জন্য ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে ৪ হাজার ৬৮৫ কোটি ২২ লাখ ২ হাজার ২৯৭ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। এ বরাদ্দ থেকে এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিন কেনায় ব্যয় হয়েছে ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা।
ভ্যাকসিন কার্যক্রমের অন্যান্য খাতের ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য সিরিঞ্জ ক্রয় বাবদ ৩০ কোটি ৮৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্যাকসিন পৌঁছে দিতে পরিবহন খরচ বাবদ ১৯ কোটি ৫৭ লাখ ৩ হাজার ৩৫৪ টাকা এবং সিরিঞ্জ শিপিং ও চার্জ হিসেবে ৯৯ লাখ ৭৮ হাজার ৯৮০ টাকা ব্যয় হয়।
মঙ্গলবার সংসদে ঢাকা-১৮ আসনের সরকারি দলের সদস্য এস. এম. জাহাঙ্গীর হোসেনের টেবিলে উপস্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসমূহে বিদ্যমান কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ এবং জেলা সদর হাসপাতালসমূহে ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন (১ম সংশোধিত)’ শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় বর্তমানে দেশের ১৫টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং ৪৪টি জেলা সদর হাসপাতালে অবকাঠামো উন্নয়ন, চিকিৎসা যন্ত্রপাতি সরবরাহ ও ক্রয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
তিনি জানান, প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে কিডনি রোগে আক্রান্ত রোগীরা বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে স্বল্পমূল্যে ডায়ালাইসিস সেবা নিতে পারবেন, যা চিকিৎসা সেবাকে আরও সহজলভ্য করবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ সম্পন্ন হওয়ার আশা করা হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় জনগণ সরাসরি এটির সুফল ভোগ করবে।
ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, করোনা মহামারি মোকাবেলায় ভ্যাকসিনসহ করোনা সরঞ্জামাদি আমদানি ও কেনাকাটার জন্য ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে ৪ হাজার ৬৮৫ কোটি ২২ লাখ ২ হাজার ২৯৭ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। এ বরাদ্দ থেকে এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিন কেনায় ব্যয় হয়েছে ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা।
ভ্যাকসিন কার্যক্রমের অন্যান্য খাতের ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য সিরিঞ্জ ক্রয় বাবদ ৩০ কোটি ৮৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্যাকসিন পৌঁছে দিতে পরিবহন খরচ বাবদ ১৯ কোটি ৫৭ লাখ ৩ হাজার ৩৫৪ টাকা এবং সিরিঞ্জ শিপিং ও চার্জ হিসেবে ৯৯ লাখ ৭৮ হাজার ৯৮০ টাকা ব্যয় হয়।
অনলাইন ডেস্ক