উইকএন্ড মানেই পার্টি, আর পার্টি মানেই মদ—এই চেনা সমীকরণের মাঝে সতর্কবার্তা দিলেন ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ডা. বর্তিকা বিষ্বানি। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, “মদ একেবারে না খাওয়াই ভাল, কিন্তু যারা সোশ্যাল ড্রিঙ্কার, অন্তত কিছু ভুল যেন না করেন।”
সম্প্রতি একটি ভিডিওতে তিনি পাঁচটি বড় ভুলের কথা তুলে ধরেছেন, যা মদ্যপানের সময় এড়ানো অত্যন্ত জরুরি। তাতে মদ খেলেও ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি খানিকটা এড়ানো যাবে।
প্রথমেই ‘বিঞ্জ ড্রিঙ্কিং’ নিয়ে সতর্ক করেছেন চিকিৎসক। অল্প সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত মদ্যপান করলে শরীরে তৈরি হয় অ্যাসিট্যালডিহাইড —যা লিভারের জন্য বিষাক্ত। এটি ‘গ্রুপ ওয়ান কার্সিনোজেন’ অর্থাৎ ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। এর ফলে মাথাব্যথা, বমি, ঘাম, মাথা ঘোরা ও হার্টবিট বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
দ্বিতীয়ত, মদের সঙ্গে ধূমপান একেবারেই না করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। বলছেন, “এ দু’টি একসঙ্গে নিলে প্রভাব যোগ হয় না, গুণিতক হারে বাড়ে।” ফলে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি প্রায় ২১ গুণ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। একই সতর্কতা ‘ভেপিংয়ে’র ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য—এটিও সমান ক্ষতিকর।
তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল খালি পেটে মদ্যপান। অনেকেই অভ্যাসবশত বা ‘সহ্যশক্তি’ দেখাতে গিয়ে খালি পেটে মদ খান, যা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এতে শরীরে অ্যালকোহল দ্রুত শোষিত হয়, ফলে ক্ষতির আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায়।
চতুর্থত, একাধিক ধরনের মদ মেশানো নিয়েও সতর্ক করেছেন ডা. বিষ্বানি। এতে অনেক সময় কতটা অ্যালকোহল নেওয়া হচ্ছে, তার হিসেব থাকে না। ফলে শরীরে বেশি পরিমাণে অ্যাসিট্যালডিহাইড তৈরি হয়, যা পরের দিনের হ্যাংওভার তো বাড়ায়ই, পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির ঝুঁকিও বাড়ায়।
সবশেষে তাঁর বার্তা, পার্টি করুন, আনন্দ করুন, কিন্তু সীমা বুঝে। কারণ আনন্দের মুহূর্ত যেন শেষ পর্যন্ত হাসপাতালের ইমার্জেন্সি-তে না গড়ায়।
সম্প্রতি একটি ভিডিওতে তিনি পাঁচটি বড় ভুলের কথা তুলে ধরেছেন, যা মদ্যপানের সময় এড়ানো অত্যন্ত জরুরি। তাতে মদ খেলেও ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি খানিকটা এড়ানো যাবে।
প্রথমেই ‘বিঞ্জ ড্রিঙ্কিং’ নিয়ে সতর্ক করেছেন চিকিৎসক। অল্প সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত মদ্যপান করলে শরীরে তৈরি হয় অ্যাসিট্যালডিহাইড —যা লিভারের জন্য বিষাক্ত। এটি ‘গ্রুপ ওয়ান কার্সিনোজেন’ অর্থাৎ ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। এর ফলে মাথাব্যথা, বমি, ঘাম, মাথা ঘোরা ও হার্টবিট বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
দ্বিতীয়ত, মদের সঙ্গে ধূমপান একেবারেই না করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। বলছেন, “এ দু’টি একসঙ্গে নিলে প্রভাব যোগ হয় না, গুণিতক হারে বাড়ে।” ফলে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি প্রায় ২১ গুণ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। একই সতর্কতা ‘ভেপিংয়ে’র ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য—এটিও সমান ক্ষতিকর।
তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল খালি পেটে মদ্যপান। অনেকেই অভ্যাসবশত বা ‘সহ্যশক্তি’ দেখাতে গিয়ে খালি পেটে মদ খান, যা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এতে শরীরে অ্যালকোহল দ্রুত শোষিত হয়, ফলে ক্ষতির আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায়।
চতুর্থত, একাধিক ধরনের মদ মেশানো নিয়েও সতর্ক করেছেন ডা. বিষ্বানি। এতে অনেক সময় কতটা অ্যালকোহল নেওয়া হচ্ছে, তার হিসেব থাকে না। ফলে শরীরে বেশি পরিমাণে অ্যাসিট্যালডিহাইড তৈরি হয়, যা পরের দিনের হ্যাংওভার তো বাড়ায়ই, পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির ঝুঁকিও বাড়ায়।
সবশেষে তাঁর বার্তা, পার্টি করুন, আনন্দ করুন, কিন্তু সীমা বুঝে। কারণ আনন্দের মুহূর্ত যেন শেষ পর্যন্ত হাসপাতালের ইমার্জেন্সি-তে না গড়ায়।
ফারহানা জেরিন