পূর্ব সুন্দরবনে মধু আহরণের মৌসুম শুরু হলেও এ বছর আশানুরূপ উৎপাদন না হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বনদস্যুদের আতঙ্কে অনেক মৌয়াল সুন্দরবনে যেতে অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ মাঝপথেই ফিরে আসছেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে শরণখোলা থেকে মাত্র ৭০ জন মৌয়াল মধু সংগ্রহের জন্য সুন্দরবনের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। এর আগে যারা গিয়েছিলেন, তাদের মধ্যেও অনেকে মধু সংগ্রহ না করেই ফিরে এসেছেন। চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে সুন্দরবনে মধু আহরণের মৌসুম শুরু হয়েছে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছর ১ এপ্রিল থেকে মধু আহরণ শুরু হলেও এবার মৌয়ালদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে কম। সুন্দরবনে বনদস্যুদের তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় অপহরণের আতঙ্কে রয়েছেন তারা। এ পরিস্থিতিতে মধু ব্যবসায়ীরাও মৌয়ালদের আগাম দাদনের টাকা দিতে অনীহা দেখাচ্ছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মৌয়াল জানান, দস্যুদের কবলে পড়লে মুক্তিপণ হিসেবে দুই থেকে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়। এ কারণে অনেকেই এ বছর সুন্দরবনে যাওয়ার জন্য নৌকার পাস নেননি।
শরণখোলার মধু ব্যবসায়ী মো. রাসেল আহমেদ, রিপন বয়াতী এবং চাঁদপাই এলাকার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গত কয়েক মাসে সুন্দরবনে কয়েকটি দস্যু বাহিনীর সক্রিয়তা বেড়েছে, যা মৌয়ালদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
শরণখোলা ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা (রেঞ্জার) মো. খলিলুর রহমান জানান, এ বছর এখন পর্যন্ত ১০টি নৌকায় পাস নেওয়া হয়েছে, যেখানে গত বছর একই সময়ে ৬০টি নৌকা পাস নিয়েছিল। রোববার বিকেলে বনরক্ষীদের নিরাপত্তায় ১০টি নৌকায় ৭০ জন মৌয়ালকে সুন্দরবনে পাঠানো হয়েছে।
চাঁদপাই রেঞ্জের ঢাংমারী স্টেশন কর্মকর্তা ডেপুটি রেঞ্জার সুরজিত চৌধুরী বলেন, তার স্টেশন থেকে ১১টি নৌকায় ৮০ জন মৌয়াল সুন্দরবনে গেলেও একটি নৌকা তিন দিনের মাথায় ফিরে এসেছে। বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনী জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করায় তারা ফিরে আসেন বলে জানান মৌয়াল কালাম খা।
চাঁদপাই স্টেশন কর্মকর্তা ফরেস্টার রবিউল ইসলাম জানান, তাদের স্টেশন থেকে ১৮টি নৌকায় ১৪৪ জন মৌয়াল গেলেও এর মধ্যে ৫টি নৌকা মধু সংগ্রহ না করেই ফিরে এসেছে।
পূর্ব সুন্দরবন বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, বনদস্যুদের তৎপরতার কারণে এ বছর মৌয়ালের সংখ্যা কমে গেছে। ফলে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী মধু আহরণ সম্ভব নাও হতে পারে। এ বছর শরণখোলা রেঞ্জে মধু আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৪৯ কুইন্টাল এবং মোম ১০৪ কুইন্টাল।
তিনি আরও জানান, মৌয়ালদের নিরাপত্তায় বনরক্ষীরা কঠোর নজরদারি চালাবে। কোনো নৌকা দস্যুদের কবলে পড়লে দ্রুত বন বিভাগকে জানাতে মৌয়ালদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে শরণখোলা থেকে মাত্র ৭০ জন মৌয়াল মধু সংগ্রহের জন্য সুন্দরবনের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। এর আগে যারা গিয়েছিলেন, তাদের মধ্যেও অনেকে মধু সংগ্রহ না করেই ফিরে এসেছেন। চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে সুন্দরবনে মধু আহরণের মৌসুম শুরু হয়েছে।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছর ১ এপ্রিল থেকে মধু আহরণ শুরু হলেও এবার মৌয়ালদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে কম। সুন্দরবনে বনদস্যুদের তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় অপহরণের আতঙ্কে রয়েছেন তারা। এ পরিস্থিতিতে মধু ব্যবসায়ীরাও মৌয়ালদের আগাম দাদনের টাকা দিতে অনীহা দেখাচ্ছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মৌয়াল জানান, দস্যুদের কবলে পড়লে মুক্তিপণ হিসেবে দুই থেকে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়। এ কারণে অনেকেই এ বছর সুন্দরবনে যাওয়ার জন্য নৌকার পাস নেননি।
শরণখোলার মধু ব্যবসায়ী মো. রাসেল আহমেদ, রিপন বয়াতী এবং চাঁদপাই এলাকার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গত কয়েক মাসে সুন্দরবনে কয়েকটি দস্যু বাহিনীর সক্রিয়তা বেড়েছে, যা মৌয়ালদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
শরণখোলা ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা (রেঞ্জার) মো. খলিলুর রহমান জানান, এ বছর এখন পর্যন্ত ১০টি নৌকায় পাস নেওয়া হয়েছে, যেখানে গত বছর একই সময়ে ৬০টি নৌকা পাস নিয়েছিল। রোববার বিকেলে বনরক্ষীদের নিরাপত্তায় ১০টি নৌকায় ৭০ জন মৌয়ালকে সুন্দরবনে পাঠানো হয়েছে।
চাঁদপাই রেঞ্জের ঢাংমারী স্টেশন কর্মকর্তা ডেপুটি রেঞ্জার সুরজিত চৌধুরী বলেন, তার স্টেশন থেকে ১১টি নৌকায় ৮০ জন মৌয়াল সুন্দরবনে গেলেও একটি নৌকা তিন দিনের মাথায় ফিরে এসেছে। বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনী জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করায় তারা ফিরে আসেন বলে জানান মৌয়াল কালাম খা।
চাঁদপাই স্টেশন কর্মকর্তা ফরেস্টার রবিউল ইসলাম জানান, তাদের স্টেশন থেকে ১৮টি নৌকায় ১৪৪ জন মৌয়াল গেলেও এর মধ্যে ৫টি নৌকা মধু সংগ্রহ না করেই ফিরে এসেছে।
পূর্ব সুন্দরবন বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, বনদস্যুদের তৎপরতার কারণে এ বছর মৌয়ালের সংখ্যা কমে গেছে। ফলে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী মধু আহরণ সম্ভব নাও হতে পারে। এ বছর শরণখোলা রেঞ্জে মধু আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৪৯ কুইন্টাল এবং মোম ১০৪ কুইন্টাল।
তিনি আরও জানান, মৌয়ালদের নিরাপত্তায় বনরক্ষীরা কঠোর নজরদারি চালাবে। কোনো নৌকা দস্যুদের কবলে পড়লে দ্রুত বন বিভাগকে জানাতে মৌয়ালদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক