চিন বানিয়ে ফেলল সবচেয়ে শক্তিশালী কার্গো ড্রোন। মঙ্গলবার হেনান প্রদেশে এই ড্রোনের সফল পরীক্ষা হয়। কার্গো ড্রোনটিকে ‘উড়ন্ত ট্রাক’ও বলা হচ্ছে। এটির আসল নাম চাংইং-৮। চিনের নরিনকো এই ড্রোনের প্রস্তুতকারক সংস্থা।
সে দেশের সরকারি সংবাদমাধ্যম সিসি টিভি জানিয়েছে, মধ্য চিনের ঝেংঝু বিমানবন্দরে এই ড্রোনের পরীক্ষা হয়। কার্গো ড্রোনটির ওজন সাড়ে তিনশো কেজি। এই ড্রোনটি পাহাড়ি এবং দুর্গম অঞ্চলে সমরাস্ত্র বহন করে নিয়ে যাওয়ার কাজে ব্যবহার করা হবে। এ ছাড়াও উদ্ধারকাজেও এই ড্রোনকে কাজে লাগানো হবে। ড্রোনটির দৈর্ঘ্য ১৭ মিটার। শুধু সামরিক নয়, অসামরিক কাজেও এই ড্রোন কাজে লাগানো হবে।
চিনের সংবাদমাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ড্রোন সমস্ত রকম আবহাওয়ায় কাজ করতে পারে। সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়ার জন্য ড্রোনের সামনে এবং পিছনে দু’দিকেই বড় দরজা রয়েছে। এই ড্রোনে দু’টি টার্বোপ্রপ ইঞ্জিন রয়েছে। ফলে রানওয়ে ছোট হলেও সহজে উড়তে বা অবতরণ করতে পারবে। এই ড্রোনকে এমন ভাবে বানানো হয়েছে যে, অবতরণের মতো জায়গা পেলেই সেটি সহজে নামতে পারবে। সামরিক অভিযানেও এই ড্রোন ব্যবহার করার চিন্তাভাবনা শুরু করেছে বেজিং। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, জরুরি যোগাযোগ, আবহাওয়ার গবেষণা এবং দুর্গম এলাকায় ত্রাণ পৌঁছোতেও এই কার্গো ড্রোন যথেষ্ট উপযোগী।
সে দেশের সরকারি সংবাদমাধ্যম সিসি টিভি জানিয়েছে, মধ্য চিনের ঝেংঝু বিমানবন্দরে এই ড্রোনের পরীক্ষা হয়। কার্গো ড্রোনটির ওজন সাড়ে তিনশো কেজি। এই ড্রোনটি পাহাড়ি এবং দুর্গম অঞ্চলে সমরাস্ত্র বহন করে নিয়ে যাওয়ার কাজে ব্যবহার করা হবে। এ ছাড়াও উদ্ধারকাজেও এই ড্রোনকে কাজে লাগানো হবে। ড্রোনটির দৈর্ঘ্য ১৭ মিটার। শুধু সামরিক নয়, অসামরিক কাজেও এই ড্রোন কাজে লাগানো হবে।
চিনের সংবাদমাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ড্রোন সমস্ত রকম আবহাওয়ায় কাজ করতে পারে। সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়ার জন্য ড্রোনের সামনে এবং পিছনে দু’দিকেই বড় দরজা রয়েছে। এই ড্রোনে দু’টি টার্বোপ্রপ ইঞ্জিন রয়েছে। ফলে রানওয়ে ছোট হলেও সহজে উড়তে বা অবতরণ করতে পারবে। এই ড্রোনকে এমন ভাবে বানানো হয়েছে যে, অবতরণের মতো জায়গা পেলেই সেটি সহজে নামতে পারবে। সামরিক অভিযানেও এই ড্রোন ব্যবহার করার চিন্তাভাবনা শুরু করেছে বেজিং। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, জরুরি যোগাযোগ, আবহাওয়ার গবেষণা এবং দুর্গম এলাকায় ত্রাণ পৌঁছোতেও এই কার্গো ড্রোন যথেষ্ট উপযোগী।
আন্তজার্তিক ডেস্ক